রেল যোগাযোগ পুনরায় চালু করতে আয়োজিত বৈঠক সিদ্ধান্ত ছাড়াই শেষ হয়েছে। ফলে, আপাতত ট্রেন চালুর কোনো সম্ভাবনা নেই। সারা দেশে ট্রেন চলাচল অনির্দিষ্টকালের জন্য বন্ধ থাকছে।

মঙ্গলবার (২৮ জানুয়ারি) ঢাকা (কমলাপুর) রেলওয়ে স্টেশনে সব পক্ষকে নিয়ে বৈঠক করা হয়। কয়েক দফায় বৈঠক করা হলেও সিদ্ধান্ত চূড়ান্ত করা যায়নি।

কর্মবিরতি থেকে সরে আসতে রেলের রানিং স্টাফদের নিয়ে বৈঠকে বসেছিলেন রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সচিব মোহাম্মদ মো.

ফাহিমুল ইসলাম। ওই বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন বিএনপির চেয়ারপারসনের বিশেষ সহকারী ও জাতীয়তাবাদী শ্রমিক দলের সমন্বয়ক শামসুর রহমান শিমুল বিশ্বাস। কিন্তু, বৈঠকে কোনো সুরাহা না হওয়ায় রানিং স্টাফদের প্রতিনিধি বৈঠক থেকে বেরিয়ে গেছেন।

দুপুর দেড়টার দিকে ঢাকা রেলওয়ে স্টেশনের ভিআইপি রুমে বৈঠক শুরু হয়। দুপুর ২টা ৪৫ মিনিটের দিকে রানিং স্টাফদের প্রতিনিধি সেখান থেকে বেরিয়ে যান।

ঢাকা/হাসান/রফিক

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

গাজার দুই-তৃতীয়াংশ এলাকায় ফিলিস্তিনিদের চলাচলে ইসরায়েলের বাধা

গাজা উপত্যকায় একের পর এক এলাকা থেকে বাসিন্দাদের তাড়িয়ে দিচ্ছে ইসরায়েলি বাহিনী। প্রাণ বাঁচাতে উপত্যকাটির এক প্রান্ত থেকে অন্য প্রান্তে ছুটে বেড়াচ্ছেন অসহায় ফিলিস্তিনিরা। জাতিসংঘের হিসাবে, গাজার দুই–তৃতীয়াংশ এলাকায় ফিলিস্তিনিদের চলাচলে নিষেধাজ্ঞা দেওয়া হয়েছে অথবা সেখান থেকে জোরপূর্বক তাঁদের বের করে দেওয়া হচ্ছে।

জাতিসংঘের ত্রাণ ও মানবিক সহায়তাসংক্রান্ত সংস্থা (ওসিএইচএ) শুক্রবার জানায়, নিষেধাজ্ঞার আওতায় পড়া এলাকাগুলোর মধ্যে রয়েছে দক্ষিণ গাজার রাফার বড় একটি অংশ। গত ৩১ মার্চ সেখান থেকে ফিলিস্তিনিদের সরে যাওয়ার নির্দেশ দেয় ইসরায়েল। উত্তরে গাজা নগরীর বিভিন্ন অংশেও এই নিষেধাজ্ঞা রয়েছে। গতকাল সেখানে নতুন করে স্থল অভিযান শুরু করেছে ইসরায়েলি বাহিনী।

ঘরবাড়ি ছেড়ে দিতে ইসরায়েলি বাহিনীর হুমকির পর গাজাবাসী প্রয়োজনীয় জিনিসপত্র নিয়ে নিরাপদ আশ্রয়ের খোঁজে পালিয়ে যাচ্ছেন। ৩ এপ্রিল, শেজায়া এলাকা

সম্পর্কিত নিবন্ধ