আড়াইহাজারে এক রাতে ৬ বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। সোমবার (২৭ জানুয়ারি) দিবাগত রাত দেড়টা থেকে শুরু করে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত উপজেলার খাগকান্দা ইউনিয়নের সম্ভুপুরা গ্রামে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, সোমবার দিবাগত রাতে ১০-১৫ জনের একটি মুখোশধারী ডাকাত দল প্রথমে জামালের বাড়িতে প্রবেশ করে ১৫ হাজার টাকা ও ১টি মোবাইল নিয়ে যায়।

পরে একে একে নূর মোহাম্মদের বাড়ি থেকে ১০ হাজার টাকা ও ৩টি মোবাইল, তাসলিমার বাড়ি থেকে ৫ হাজার টাকা ও একটি স্বর্ণের চেইন, বাচ্চুর বাড়িতে প্রবেশ করলেও কিছু নিতে না পেরে খাবার নষ্ট ও জিনিসপত্র ভাঙচুর করে যায়।

এরপর লিটনের বাড়িতে হামলা করে ২০ হাজার টাকা, দুটি মোবাইল, কানের দুল ও একটি চেইন লুট করে নেয় ডাকাতদল।

এদিকে, এক রাতের মধ্যে ছায় বাড়িতে ডাকাতির ঘটনায় শম্ভুপুরা গ্রামে আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়েছে। স্থানীয়রা তাদের নিরাপত্তা নিয়ে শঙ্কিত এবং প্রশাসনের কাছে অতিরিক্ত নজরদারির দাবি জানিয়েছেন।  

আড়াইহাজার থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এনায়েত হোসেন বলেন, ডাকাতির খবর পাওয়ার পরপরই পুলিশ ঘটনাস্থলে গেছে। আমরা তদন্ত শুরু করেছি এবং ডাকাতদের চিহ্নিত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনার কাজ চলছে। 
 

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: ন র য়ণগঞ জ

এছাড়াও পড়ুন:

নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার

নাশকতার পরিকল্পনা করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মাদারীপুরে কামাল সরদার নামের এক গ্রাম পুলিশকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে তার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।

গ্রেপ্তার কামাল জেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের চাপাতলী গ্রামের কেরামত সরদারের ছেলে। তিনি একই ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশ হিসেবে কর্মরত। 

ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাশকতার পরিকল্পনাকারীদের ধরতে চাপাতলীতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ সময় নিজ বাড়ি থেকে কামাল সরদারকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে তাকে পুলিশ বাদী মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মাদারীপুর সদর থানায় হস্তান্তর করে ডিবি পুলিশ। 

স্থানীয়রা জানায়, আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় এলাকায় নানা অপকর্ম করে আসছিলেন কামাল। তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ বিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। কয়েকবার তাকে সতর্ক করা হলেও কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানান স্থানীয়রা।

স্থানীয় হায়দার হোসেন বলেন, ‘কামাল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হয়ে কাজ করেন। পাশাপাশি মারামারি, মোটরসাইকেল চুরিসহ নানা অপকর্মে তিনি জড়িত। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা আছে।’

মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোকছেদুর রহমান জানান, কামাল সরদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় এক ডজন মামলা রয়েছে। তবে পুলিশ বাদী একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ