Samakal:
2025-04-03@03:25:40 GMT

বিতর্কমুখর সারাদিন

Published: 27th, January 2025 GMT

বিতর্কমুখর সারাদিন

গাজীপুরে স্কুল-কলেজ পর্যায়ে সাংগঠনিক কার্যক্রমের পাশাপাশি বিতর্ককে এগিয়ে নিতে কাজ করছেন একদল তরুণ স্বেচ্ছাসেবক। এরই ধারাবাহিকতায় ২৪ জানুয়ারি গাজীপুরের ১৭টি প্রতিষ্ঠানকে একত্র করে দিনব্যাপী আয়োজন করা হয় বিতর্ক কর্মশালা, প্রতীতি বার্ষিক পুরস্কার বিতরণ ও সাংগঠনিক আলোচনা। 
সুহৃদ সমাবেশের সার্বিক সহযোগিতায় ও প্রতীতি বিতর্ক সংঘের আয়োজনে কর্মশালায় সনাতনী বিতর্ক, সংসদীয় বিতর্ক ও বারোয়ারি বিতর্ক নিয়ে আলোকপাত করেন বিতর্ক প্রশিক্ষকরা। সনাতনী বিতর্কের প্রশিক্ষণ দেন– স্টামফোর্ড ডিবেট ফোরামের সাবেক সভাপতি মো.

শফিকুল ইসলাম, সংসদীয় বিতর্কের প্রশিক্ষক সাকিব মাহমুদ ও বারোয়ারি বিতর্কের প্রশিক্ষক স্টেট ইউনিভার্সিটি ডিবেটিং সোসাইটির উপদেষ্টা আবু সালেহ মুসা। 
অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি ছিলেন টঙ্গী সরকারি কলেজের অধ্যক্ষ মো. রফিকুল ইসলাম, বিশেষ অতিথি সফিউদ্দিন সরকার একাডেমি অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান, সমকাল পত্রিকার জ্যেষ্ঠ সহসম্পাদক মো. আসাদুজ্জামান। আমন্ত্রিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন– গাজীপুর পুলিশ লাইন্স স্কুলের সহকারী শিক্ষক দিলরুবা আমজাদ, সহকারী শিক্ষক দীপা রানী সাহা, ল্যাবরেটরি স্কুল অ্যান্ড কলেজের প্রভাষক মো. আবু তাহের ও প্রভাষক কৃষিবিদ মফিজুল ইসলাম নাফিজ।
বিতর্ক নিয়ে বিভিন্ন সেশনের পাশাপাশি অতিথিরা বিতর্কের প্রয়োজনীয়তা ও এর গুরুত্ব নিয়ে আলোকপাত করেন। কর্মশালা শেষে প্রশিক্ষক ও অতিথিদের সম্মাননা দেওয়া হয়। পরে সাংগঠনিক আলোচনায় অংশ নেন টঙ্গীর সুহৃদরা। সভায় এ বছরের কর্মপরিকল্পনা উপস্থাপন করা হয়; যা বাস্তবায়নের প্রত্যয় ব্যক্ত করেন সুহৃদরা।
নতুন কমিটি গঠন
অনুষ্ঠানে ২০২৪ সালের সেরা সুহৃদ নির্বাচিত হয় গাজীপুর পুলিশ লাইন্স স্কুলের সুমাইয়া তালুকদার। তাকে পুরস্কার দেন প্রতীতি বিতর্ক সংঘের 
উপদেষ্টা অ্যাডভোকেট মীর পারভেজ। এরপর ঘোষণা করা হয় সমকাল সুহৃদ সমাবেশ টঙ্গী সরকারি কলেজ শাখার কার্যনির্বাহী কমিটি। কমিটিতে সভাপতি মনোনীত হয় সুমাইয়া আক্তার, সহসভাপতি পদে জান্নাত মুহসিনা ও জুলেখা আক্তার নওশীন, সাধারণ সম্পাদক পদে তুলি ইয়াসমিন দিনা, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পদে মিথিলা আক্তার ও জান্নাত। 
কমিটির অন্য সদস্যরা হলো– সাংগঠনিক সম্পাদক শাহরিয়ার রহমান হৃদয়, সহ-সাংগঠনিক সম্পাদক অজয় বৈদ্য, দপ্তর সম্পাদক রেজা মৌসুমি, সহ-দপ্তর সম্পাদক মোছা. নাদিয়া আক্তার প্রমি, অর্থ সম্পাদক বাবলি আক্তার, সহ-অর্থ সম্পাদক সুমাইয়া মম, প্রচার সম্পাদক মারজানা আক্তার ইলা, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি  সম্পাদক মো. ইলিয়াছ হোসেন, সহ-বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি সম্পাদক সিয়াম সরদার, সাংস্কৃতিক সম্পাদক জান্নাতুল ফেরদৌসী দীপা, সহ-সাংস্কৃতিক সম্পাদক নুসরাত জাহান ঊর্মি, সাহিত্য সম্পাদক কামরুন্নাহার কেয়া, সহ-সাহিত্য সম্পাদক খাদিজা আক্তার ইলা, নারীবিষয়ক সম্পাদক কামরুন নাহার সাথী, সহ-নারীবিষয়ক সম্পাদক নুসরাত জাহান সিফা, পাঠচক্র সম্পাদক তিশা, সহ-পাঠচক্র সম্পাদক ইয়াসিন, আপ্যায়ন সম্পাদক মোছা. সামিয়া আক্তার, ক্রীড়া সম্পাদক দুর্জয়, সহ-ক্রীড়া সম্পাদক কান্তা, সমাজকল্যাণ সম্পাদক আমিনুল ইসলাম, সহ-সমাজকল্যাণ সম্পাদক ইসরাত, পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক আরদিনা আনতুম অন্তি, সহ-পরিবেশবিষয়ক সম্পাদক নুর। কার্যনির্বাহী সদস্যরা হলো– পরাগ, আব্দুর রহিম, আবু সাঈদ, নুসরাত জাহান ঊর্মি v
আহ্বায়ক সুহৃদ সমাবেশ, টঙ্গী

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ল ইসল ম গঠন ক

এছাড়াও পড়ুন:

হঠাৎ খাবারের প্রতি আগ্রহ বেড়েছে, মানসিক চাপ নয়তো?

উৎসবে আনন্দ করতে মানুষ পরিবারের সদস্যদের কাছে যায়। এই সময় পারিবারিক, সামাজিক সম্পর্ক আর দৃঢ় হয়। আবার এর উল্টোটাও ঘটে। একাধিক মানসিক চাপে হতাশ হয়ে মানুষ অধিক খাবার খাওয়া শুরু করে। বিশেষ করে ক্যালোরি বৃদ্ধি করে এমন খাবারগুলো তখন বেশি বেছে নেয়। মানসিক চাপ বাড়লে খাবার খাওয়ার প্রতি কেন আগ্রহ বাড়ে? এই বিষয়ে মনোবিদরা বলছেন, ‘‘মানসিক চাপ থেকে মুক্তি পাওয়ার জন্য মানুষ খাবারের সাহায্য নেয়। যার যে খাবারটা খেলে তৃপ্তি বোধ হয়, সে সেই খাবারই মানসিক চাপের মধ্যে বেশি খেতে থাকে। যাকে বলে ‘কমফোর্ট ফুড’। এই কমফোর্ট ফুড ক্ষণিকের জন্য স্ট্রেস থেকে মুক্তিও দেয়।’’

কেন এমন হয়? অধিক মানসিক চাপে শরীরের  কর্টিসল হরমোন নির্গত হয়। এই হরমোন উচ্চ ক্যালোরিযুক্ত খাবার খাওয়ার আকাঙ্ক্ষা বাড়িয়ে দেয়। কিংবা যে খাবার খেলে মানুষ তৃপ্তি অনুভব করে, সেগুলোই বেশি করে খাবার ইচ্ছা জাগিয়ে তোলে। ‘কমফোর্ট ফুড’ তৃপ্তি আনে এবং ডোপামিন হরমোনের ক্ষরণ বাড়ায়। তাই স্ট্রেসের মধ্যে মুখরোচক খাবার খেলে একটু হলেও স্বস্তি মেলে। কিন্তু এটা সাময়িক।

ভারতীয় মনোবিদ ডা. সরখেল স্থানীয় গণমাধ্যমকে বলেন, ‘‘কমফোর্ট ফুড খেয়ে স্ট্রেস থেকে সাময়িক রিলিফ মেলে। কিন্তু এটা কোনও দীর্ঘস্থায়ী সমাধান নয়। বরং এতে ওজন বাড়ে। আর ওবেসিটি অনেকের ক্ষেত্রে স্ট্রেসের কারণ হয়ে দাঁড়ায়।’’

এই সমস্যা এড়াতে হলে প্রতিদিন শরীরচর্চা করুন। নিজেকে আলাদা করে সময় দিন। প্রার্থনা করতে পারেন। শ্বাস-প্রশ্বাসের ব্যায়াম করতে পারেন। শুনতে পারেন প্রিয় গান, প্রিয় কোনো সুর। আবার নিজের খুব প্রিয় কোনো স্থানে গিয়ে কিছু সময় থাকতে পারেন।

সুতরাং কোনো সম্পর্ককে অধিক গুরুত্ব দিতে গিয়ে নিজেকে গুরুত্বহীন করে তুলবেন না।

ঢাকা/লিপি

সম্পর্কিত নিবন্ধ