নারী শিক্ষার্থীদের জন্য জবি শিবিরের ৭ দফা
Published: 27th, January 2025 GMT
ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের মানসম্মত ওয়াশরুম, স্যানিটাইজেশনসহ সাত দফা দাবি জানিয়েছে জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয় (জবি) শাখা ইসলামী ছাত্রশিবির।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেলে উপাচার্য বরাবর এসব দাবি জানানোর পর তারা বিশ্ববিদ্যালয়ের ভাস্কর্য চত্বরে সংবাদ বিবৃতির আয়োজন করে।
তাদের দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ছাত্রকল্যাণ দপ্তরে সহকারী পরিচালক হিসেবে একজন নারী শিক্ষক নিয়োগ দিতে হবে; আবাসিক হলে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা ও উপযুক্ত নামাযের স্থান বরাদ্দ করতে হবে (চাহিদানুপাতে অন্যান্য ধর্মাবলম্বীদের জন্যও ব্যবস্থা নেওয়া প্রয়োজন); কেন্দ্রীয় মসজিদে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য নির্ধারিত নামাযের স্থানে মানসম্মত পানির ফিল্টার স্থাপন করতে হবে।
তাদের অন্য দাবিগুলোর মধ্যে রয়েছে, ক্যাম্পাসে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য পর্যাপ্ত ও মানসম্মত ওয়াশরুমের ব্যবস্থা করতে হবে; ক্যান্টিনে পূর্ণ-পর্দা রক্ষা করে খাবার গ্রহণ করতে চায় এমন নারী শিক্ষার্থীদের জন্য আলাদা বসার ব্যবস্থা রাখতে হবে; আবাসিক হলে নারী শিক্ষার্থীদের জন্য উন্নত স্যানিটাইজেশনের ব্যবস্থা নিশ্চিত করতে হবে; ছাত্রী হলের মেডিকেল সেন্টারে সার্বক্ষণিক চিকিৎসা সেবা নিশ্চিতে চিকিৎসক নিয়োগ দিতে হবে।
জবি শাখা শিবিরের সভাপতি আসাদুল ইসলাম বলেন, “ইসলামী ছাত্রশিবির সর্বদা ক্যাম্পাস ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করে। ক্যাম্পাসে শিক্ষার্থীদের বড় একটি অংশ হলো আমাদের নারী শিক্ষার্থীরা। এসব নারী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে কাজ করা আমাদের দায়িত্ব। আমাদের এ দায়িত্ববোধের জায়গা থেকেই বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের কাছে আজ নারী শিক্ষার্থীদের কল্যাণে সাতটি দাবি উপস্থাপন করেছি৷ এগুলো বাস্তবায়ন হলে আমাদের নারী শিক্ষার্থীদের অনেক সমস্যা সমাধান হবে বলে আশা করি।”
ঢাকা/লিমন/মেহেদী
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর শ ক ষ র থ দ র জন য ব যবস থ
এছাড়াও পড়ুন:
ইউনূস–মোদির বৈঠক আশার আলো দেখাচ্ছে
অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক নতুন আশার সঞ্চার করেছে বলে মন্তব্য করেছেন বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর।
আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় গুলশানে বিএনপির চেয়ারপারসনের কার্যালয়ে দেশের ক্রীড়াঙ্গনের বিশিষ্টজনদের সঙ্গে ঈদের শুভেচ্ছা বিনিময় শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে তিনি এ মন্তব্য করেন।
এর আগে আজ দুপুরে থাইল্যান্ডের রাজধানী ব্যাংককে প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূস ও ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির বৈঠক হয়। ছাত্র–জনতার অভ্যুত্থানের মুখে বাংলাদেশে রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের এই প্রথম প্রতিবেশী দুই দেশের নেতাদের বৈঠক হলো।
এ বৈঠকের বিষয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্ন করলে জবাবে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এটা খুবই আনন্দের কথা। আমরা মনে করি, ভূরাজনীতিতে এবং বর্তমান বিশ্ব প্রেক্ষাপট, বাংলাদেশ ও ভারতের যে অর্থনৈতিক প্রেক্ষাপট, সে প্রেক্ষাপটে প্রধান উপদেষ্টা ও ভারতের প্রধানমন্ত্রীর বৈঠকটা আমাদের সামনে একটা আশার আলো তৈরি করছে।’
এ বৈঠকের ফলে বাংলাদেশ ও ভারতের মধ্যকার সম্পর্ক আরও দৃঢ় হবে বলে আশা প্রকাশ করেন বিএনপির মহাসচিব। তিনি বলেন, ‘ভারত ও বাংলাদেশের সম্পর্কের মধ্যে যে একটা “বিটারনেস” (তিক্ততা) তৈরি হয়েছে, সেটা যেন আর বেশি সামনে না যায় অথবা এটা যেন কমে আসে, সে সম্ভাবনা সৃষ্টি হয়েছে।’
মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর আরও বলেন, ‘আমি যত দূর দেখেছি, তাতে আমার মনে হয়েছে, এ ব্যাপারে দুজনেই (অধ্যাপক ইউনূস ও নরেন্দ্র মোদি) যথেষ্ট আন্তরিক এবং এটা নিঃসন্দেহে বাংলাদেশের মানুষ ও ভারতের মানুষ, উভয় দেশের মানুষের উপকার করবে।’
এর আগে বিএনপির মহাসচিবের সঙ্গে ঈদ–পরবর্তী শুভেচ্ছা বিনিময়ে উপস্থিত ছিলেন সাবেক ফুটবলার আমিনুল হক, রফিকুল ইসলাম বাবু, শরিফুল আলম, সাব্বির, রাহুল, আশরাফুল, হাবিবুল বাশার সুমন, সৈয়দ বুরহানুল, হোসেন, নকিব, ডন, রিয়াল, ফাহিম সিনহা, মাহবুব আনাম, ইব্রাহিম খলিল, কাজী মহিউদ্দিন বুলবুল, সেলিম শাহেদ ও বিএনপির সাংগঠনিক সম্পাদক শরিফুল আলম।