রাজশাহীতে ২ মোটরসাইকেলের সংঘর্ষে নিহত ২
Published: 27th, January 2025 GMT
রাজশাহীর তানোর উপজেলায় দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে দুইজনের মৃত্যু হয়েছে। আহত হয়েছেন আরো দুইজন। তাদের রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
সোমবার (২৭ জানুয়ারি) বিকেল ৩টার দিকে তানোর-মুণ্ডুমালা সড়কের দেবীপুর এলাকায় দুর্ঘটনাটি ঘটে।
মারা যাওয়াদের মধ্যে একজনের নাম জাহিদ আলম (৪৫)। তিনি ইউএস বাংলা এয়ারলাইন্সের সিনিয়র এক্সিকিউটিভ। রাজশাহীর হযরত শাহমখদুম (র.
আরো পড়ুন:
সাজেকে গাড়ি উল্টে ৬ পর্যটক আহত
মুন্সীগঞ্জে মাইক্রোবাসের ধাক্কায় পথচারী নিহত
আহতরা হলেন- তানোর উপজেলা সদরের গোল্লাপাড়া মহল্লার ভূপেন (২৬) এবং একই এলাকার মো. রিয়াজ (৩০)। ভূপেনের বাবার নাম গোবিন্দ। রিয়াজের বাবার নাম মৃত ফয়েজ উদ্দিন।
তানোর থানার ওসি মিজানুর রহমান বলেন, “দুই মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে ঘটনাস্থলেই মারা যান ইউএস বাংলার কর্মকর্তা জাহিদ আলম। পলাশকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। নিহতদের মরদেহ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রয়েছে। আইনী প্রক্রিয়া শেষে মরদেহ স্বজনদের কাছে হস্তান্তর করা হবে। আহত দুইজনকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ (রামেক) হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।”
ঢাকা/কেয়া/মাসুদ
উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর সড়ক দ র ঘটন আহত উপজ ল
এছাড়াও পড়ুন:
বিশ্বের সবচেয়ে বড় ডিজিটাল ক্যামেরা ধারণ করবে মহাবিশ্বের ভিডিও
নতুন ভেরা রুবিন অবজারভেটরিতে মহাবিশ্বের টাইম-ল্যাপস রেকর্ড করতে বিশ্বের বৃহত্তম ডিজিটাল ক্যামেরা স্থাপন করা হয়েছে। একটি গাড়ির আকারের লার্জ সিনপটিক সার্ভে টেলিস্কোপ (এলএসএসটি) ক্যামেরাটি সম্প্রতি ভেরা সি রুবিন অবজারভেটরিতে বসানো হয়েছে। এটি এখন পর্যন্ত নির্মিত সবচেয়ে বড় ডিজিটাল ক্যামেরা। আগামী এক দশক ধরে দক্ষিণ গোলার্ধের আকাশের বিশদ ছবি তুলতে ব্যবহার করা হবে এই ক্যামেরা।
যুক্তরাষ্ট্রের ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জি অফিস অব সায়েন্সের ভারপ্রাপ্ত পরিচালক হ্যারিয়েট কুং জানান, টেলিস্কোপে এলএসএসটি ক্যামেরা ইনস্টল করার ঘটনাটি বিজ্ঞান এবং প্রকৌশলের জন্য বেশ চমকপ্রদ ঘটনা। টেলিস্কোপটি ইউএস ন্যাশনাল সায়েন্স ফাউন্ডেশন ও ইউএস ডিপার্টমেন্ট অব এনার্জি অফিস অব সায়েন্সে অর্থায়নে তৈরি করা হয়েছে। টেলিস্কোপের নামকরণ করা হয়েছে ডক্টর ভেরা সি রুবিনের নামে। এই আমেরিকান জ্যোতির্বিজ্ঞানী ডার্ক ম্যাটার নিয়ে গবেষণার জন্য আলোচিত। তিনি তাঁর সহকর্মী কেন্ট ফোর্ডের সঙ্গে অসংখ্য ছায়াপথ নিয়ে কাজ করেছেন। তাঁদের গবেষণায় দেখা যায়, বাইরের প্রান্তের নক্ষত্র কেন্দ্রের কাছাকাছি থাকা তারার মতোই দ্রুতগতিতে চলেছে। এটি অস্বাভাবিক ছিল, কারণ নিউটনীয় পদার্থবিজ্ঞান ও কেপলারের গ্রহের গতির নিয়ম অনুসারে মহাকর্ষীয় সিস্টেমের কেন্দ্র থেকে দূরে থাকা বস্তু দুর্বল মহাকর্ষীয় টানের কারণে আরও ধীরে ধীরে প্রদক্ষিণ করার কথা।
রুবিন টেলিস্কোপ অত্যাধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে ডার্ক এনার্জি ও ডার্ক ম্যাটার অনুসন্ধান করবে। অত্যাধুনিক মিরর ডিজাইন, অত্যন্ত সংবেদনশীল ক্যামেরার কারণে টেলিস্কোপটি দ্রুত জরিপ করা ও উন্নত কম্পিউটিং অবকাঠামোর মাধ্যমে দ্রুত কাজ করতে পারে। কয়েক রাত ধরে এটি সমগ্র আকাশ জরিপ করবে। একটি আলট্রা-ওয়াইড ও হাই-ডেফিনিশনের মহাবিশ্বের টাইম-ল্যাপস রেকর্ড তৈরি করবে। প্রতিটি ছবি এত বড় হবে যে তা প্রদর্শনের জন্য ৪০০টি হাই-ডেফিনিশন টিভি পর্দার প্রয়োজন হবে। টেলিস্কোপের ওয়েবসাইটে বলা হয়েছে, এই অনন্য রেকর্ড ধরা ভিডিও রাতের আকাশকে জীবন্ত করে তুলবে। নতুন আবিষ্কারের সুযোগ করে দেবে। গ্রহাণু, ধূমকেতু, স্পন্দিত নক্ষত্র ও সুপারনোভা বিস্ফোরণের তথ্য জানাবে।
এই এলএসএসটি ক্যামেরাকে একটি ইঞ্জিনিয়ারিং বিস্ময় বলা হচ্ছে। এটির ইনস্টলেশন বেশ চ্যালেঞ্জিং ছিল। রুবিন অবজারভেটরির মেকানিক্যাল গ্রুপ লিড ফ্রেডি মুওজ বলেন, সিমোনি টেলিস্কোপে এই ক্যামেরা মাউন্ট করা একটি চ্যালেঞ্জের কাজ ছিল। আমাদের টিমওয়ার্কের মাধ্যমে নির্ভুলতার সঙ্গে কাজটি সম্পন্ন হয়েছে। আগামী কয়েক সপ্তাহে এই ক্যামেরা পরীক্ষা করা হবে।
সূত্র: স্পেস ডটকম