বলিউডের বর্ষীয়ান অভিনেতা ধর্মেন্দ্রর দুই ছেলে সানি দেওল ও ববি দেওল। ববি থেকে বছর দশেকের বড় সানি। বলা চলে, ছোট থেকেই ভাইকে আগলে রেখেছেন প্রতি মুহূর্তে। ৫৬ বছরে পা দিলেন ববি। অর্থাৎ আজ তার জন্মদিন। ভক্ত-সহকর্মীরাও অভিনেতাকে জন্মদিনে শুভেচ্ছা ও ভালোবাসা ভরা বার্তায় ভরিয়ে দিয়েছেন। ছোট ভাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন বড় ভাই সানি দেওলও।

৯০-এর দশকের নায়ক হলেও প্রজন্মের কাছে তিনি নতুনভাবে নজর কেড়েছেন তার ছবি ‘অ্যানিম্যাল’র মাধ্যমে। এই ছবিতে খলনায়কের ভূমিকায় ধরা দিয়েছিলেন অভিনেতা। ‘অ্যানিম্যাল’ সিনেমা সূত্রেই এখন তিনি ‘লর্ড ববি’।

সানি ও ববির মধ্যে সম্পর্কের সমীকরণ কারও অজানা নয়। বিশেষ এই দিনে ববিকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন তার ভাই অভিনেতা সানি দেওল। সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমে ববি দেওলের সঙ্গে একটি ছবি পোস্ট করে ভাইকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন সানি। ছবিতে ধর্মেন্দ্রর দুই ছেলে একে অপরকে জড়িয়ে ছিলেন।

ক্যাপশনে সানি দেওল লিখেছেন, ‘শুভ জন্মদিন আমার ছোট ভাই আমার লর্ড ববি।’ এখানেও সেই ‘লর্ড ববি’র জয়জয়কার। কারণ সোশ্যাল মিডিয়ায় ববির ভক্তরা তাকে ভালোবেসে এই নামেই বর্তমানে ডাকেন। আর তাই ববি অনুরাগীদের সুরে সুর মিলিয়ে সানিও ভালোবেসে মজা করে ভাই ববিকে ‘লর্ড ববি’ বলেছেন।

সানির এই মন ছুঁয়ে যাওয়া পোস্ট প্রকাশ্যে আসতেই তা দ্রুত ভক্তদের দৃষ্টি আকর্ষণ করেছে। তারাও সানি দেওলের পোস্টে নানা কমেন্টে ভরিয়ে দিয়েছেন। তারা জন্মদিনের শুভেচ্ছার পাশাপাশি ববিকে প্রশংসায়ও ভরিয়ে দিয়েছেন। সূত্র: হিন্দুস্থান টাইমস।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

‘ম্যাডাম ফুলি’ নির্মাতা শহিদুল ইসলাম খোকনকে হারানোর নয় বছর

আশি ও নব্বই দশকের নির্মাতা শহীদুল ইসলাম খোকনের সিনেমা মানেই হলে উপচেপড়া ভিড়। একের পর এক অ্যাকশনধর্মী সিনেমা দিয়ে দর্শক মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তখন তার সিনেমা মুক্তি পাওয়া মানেই ছিল, প্রেক্ষাগৃহের টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন। গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা শহীদুল ইসলাম খোকনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ।

দীর্ঘদিন মুখগহ্বরের মোটর নিউরন ডিজিসে (এএলএস) আক্রান্ত হয়ে ভুগছিলেন নির্মাতা খোকন। এরপর ২০১৬ সালের আজকের এই দিনে সকাল সোয়া আটটায় রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন তিনি।

শহীদুল ইসলাম খোকনের জন্ম ১৯৫৭ সালের ১৫ মে। জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক সোহেল রানার সঙ্গে পরিচয় ও সখ্যের সূত্রে ঢাকার চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন তিনি। শুরুটা হয় সোহেল রানার সহকারী হিসেবে। খোকনের নিজের বানানো প্রথম সিনেমা ছিল ‘রক্তের বন্দী’।

শুরুর দিকে খোকনের সিনেমা ভালো ব্যবসা করতে না পারলেও চিত্রনায়ক রুবেলকে নিয়ে খোকনের ‘লড়াকু’ দারুণ সাফল্য পায়। এরপর ‘পালাবি কোথায়’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘ভণ্ড’, ‘ঘাতক’, ‘লড়াকু’, ‘বীরপুরুষ’, ‘লাল সবুজ’, ‘বজ্রমুষ্ঠি’, ‘সতর্ক শয়তান’, ‘বিষদাঁত’, ‘উত্থান পতন’ ও ‘টপ রংবাজ’-এর মতো বহু দর্শকপ্রিয় সিনেমা এসেছে তার হাত দিয়ে। দুটি সিনেমায় অভিনয় ছাড়াও তিনি নির্মাণ করেছেন প্রায় ৪০টির মতো সিনেমা।

ড্যানি সিডাক, ইলিয়াস কোবরার মতো অ্যাকশন সিনেমার অনেক অভিনেতাই ঢাকাই সিনেমায় এসেছেন শহীদুল ইসলাম খোকনের হাত ধরে। তার চলচ্চিত্রে মন্দের বিরুদ্ধে ভালোর, অপরাধীর বিরুদ্ধে সচেতন নাগরিকের লড়াই এসেছে বার বার। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনাও তার চলচ্চিত্রকে ছুঁয়ে গেছে। তিনি তার কাজের মাধ্যমে যুগ যুগ বেঁচে থাকবেন দর্শক মনে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ