রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ে (রাবি) ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ জাতীয় বিজ্ঞান উৎসব ২০২৫ আগামী ৩১ জানুয়ারি থেকে শুরু হচ্ছে।

জাতীয় বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি জাদুঘরের সহযোগিতায় রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাব (আরইউএসসি) আয়োজিত তিন দিনব্যাপী এ আয়োজন চলবে আগামী ২ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত।

সোমবার (২৭ জানুয়ারি) সকাল ১১টায় ড.

এমএ ওয়াজেদ মিয়া অ্যাকাডেমিক ভবনের ৪০৭ নম্বর কক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান তারা।

বিশ্ববিদ্যালয়ের শহীদ সুখরঞ্জন সমাদ্দার ছাত্র-শিক্ষক সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে (টিএসসিসি) এবং এর সামনের মাঠসহ মোট সাতটি ভেন্যুতে অষ্টমবারের মতো এ উৎসব অনুষ্ঠিত হবে। তিনদিনের এ আয়োজনে থাকবে ১৩টি ভিন্ন ভিন্ন বিজ্ঞান বিষয়ক প্রতিযোগিতাসহ নানা কর্মসূচি।

এর মধ্যে একক অংশগ্রহণে থাকবে সায়েন্স অলিম্পিয়াড, সায়েন্টিফিক পেইন্টিং কম্পিটিশন, সায়েন্টিফিক স্পিস কম্পিটিশন, রুবিক্স কিউব কম্পিটিশন, কেইস সলভিং এবং ফটোগ্রাফি কনটেস্ট। দলীয় অংশগ্রহণে থাকবে মোবাইল অ্যাপ আইডিয়া কম্পিটিশন, প্রোজেক্ট শো কম্পিটিশন, পোস্টার প্রেজেন্টেশন, ওয়াল ম্যাগাজিন (দেয়ালিকা) এবং এআই-বেসড বিজনেস আইডিয়া কম্পিটিশন। এছাড়া থাকবে সায়েন্টিফিক ডিবেট।

৩১ জানুয়ারি থেকে উৎসব শুরু হলেও ১ ফেব্রুয়ারি (শনিবার) সকাল ১০টায় টিএসসিসিতে এর উদ্বোধনী পর্ব অনুষ্ঠিত হবে। উদ্বোধন করবেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য অধ্যাপক সালেহ্ হাসান নকীব। এ ছাড়া বিশেষ অতিথি হিসেবে থাকবেন বিশ্ববিদ্যালয়ের উপ-উপাচার্যদ্বয় অধ্যাপক মো. মাঈন উদ্দিন খান (প্রশাসন) ও অধ্যাপক মোহা ফরিদ উদ্দিন খান (শিক্ষা) এবং রাবি সায়েন্স ক্লাবের উপদেষ্টামণ্ডলী। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করবেন ক্লাবের সভাপতি মাসুদ।

লিখিত বিজ্ঞপ্তি থেকে জানা যায়, অংশগ্রহণকারী প্রত্যেকের জন্য থাকছে সনদ এবং প্রথম, দ্বিতীয় ও তৃতীয় স্থান অধিকারীদের জন্য আকর্ষণীয় পুরস্কার ও প্রাইজমানি। এছাড়াও থাকছে টি-শার্ট, কলম, স্ন্যাক্স, স্পেশাল গিফট ব্যাগ ইত্যাদি। এ উৎসবের আহ্বায়ক হলেন রাজশাহী বিশ্ববিদ্যালয় সায়েন্স ক্লাবের সভাপতি মাসুদ।

এবারের সায়েন্স ফিয়েস্টায় টাইটেল স্পন্সর ওয়ালটন স্মার্ট ফ্রিজ, ব্রোঞ্জ স্পন্সর উত্তরায়ন আমানা সিটি, স্ট্র্যাটিজিক পার্টনার বিডিঅ্যাপস, স্ন্যাক্স পার্টনার বোম্বে সুইটস, লার্নিং পার্টনার ওলিন এআই, সাপোর্টিং পার্টনার সুরেন্দ্রনাথ অ্যান্ড ভাজাসুন্দরি দাস স্মৃতি তহবিল, মিডিয়া পার্টনার দ্যা বিজনেস স্ট্যান্ডার্ড, যমুনা টেলিভিশন এবং দৈনিক দিনকাল, ম্যাগাজিন পার্টনার বিজ্ঞানচিন্তা, ইভেন্ট পার্টনার বিডিইভেন্টস, কমিউনিটি পার্টনার জেসিআই ঢাকা ওয়েস্ট, এডুকেশন পার্টনার সাইফুর'স, ফুড পার্টনার কাজলা ক্যান্টিন, ইউথ এংগেইজমেন্ট পার্টনার টিবিএস গ্র্যাজুয়েটস, ইউনেট, পাবলিকিয়ান, আরইউ ইনসাইডারস্।

২০১৬ সালে শুরু হওয়া এই সায়েন্স ফিয়েস্টা বর্তমানে বিজ্ঞানপ্রেমীদের জন্য অন্যতম জনপ্রিয় এবং প্রতীক্ষিত আয়োজন। প্রতিবছর রাজশাহী অঞ্চলের হাজারো শিক্ষার্থী ও তরুণ গবেষকরা জনপ্রিয় এ সায়েন্স ফিয়েস্টায় অংশগ্রহণ করেন।

ঢাকা/ফাহিম/মেহেদী

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর প র টন র ব

এছাড়াও পড়ুন:

ঈদে সেই সুযোগ এখন আর হয় নেই: ন্যান্সি

ঈদ এলেই উৎসবের রং ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। সাধারণ মানুষের মতো পর্দার মানুষগুলোও এই দিনটিকে ঘিরে সাজিয়ে রাখেন বিশেষ পরিকল্পনা। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডা, ঘুরে বেড়ানো-সব মিলিয়ে ঈদ মানেই বাড়তি আনন্দ। তবে আগের মত ঈদের আনন্দ এখন নেই বলে জানালেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি।

ন্যান্সি সমকালকে বলেন, ‘এবার ঈদ ঢাকায় করছি। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর থেকেই ঢাকায় ঈদ করি। আমরা যারা ঢাকার বাইরে থেকে আসি, ঈদে তারা নিশ্চয় গ্রামের বাড়িতে যান। আমাদের কিন্তু সেই সুযোগ নেই। আমরা কিন্তু চাইলেই যেতে পারি না।’

ছোটবেলা ও এখনকার ঈদের মধ্যে পার্থক্য বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ছোট-বড়বেলা ঈদের মধ্যে অনেক পার্থক্য। আমি একটা জিনিস বুঝেছি, বাবা-মাকে ছাড়া ঈদ করা কঠিন। আমার বাবা-মা তো বেঁচে নেই আমি কোথায় যাবো। যেকোনো উৎসবে অনেক বেশি খারাপ লাগে। তবে এখন সন্তানরাই আমার সব। সন্তান ও পরিবার নিয়েই এখন আমার ঈদ।’

ন্যান্সির কথায়, ‘একটা সময় আমার মা-বাবাই সব ধরনের খোঁজ-খবর নিতেন। ঈদের দিন বা পরের দিন আমি তাদের বাড়ি যেতাম, নয়তো তারা আমার বাড়ি আসতেন। অনেক হইহুল্লো করে দিন যেতো। কিন্তু এখন তো আর সেটা নেই।’

ন্যান্সি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, আমিসহ আমার বাচ্চাদের টেনশন ছিল তাদেরই। এই যে একটা ঈদ আসলো, মা যে কত কিছু করতেন তা বলে বোঝানো যাবে না। আমার টিভি অনুষ্ঠানসহ সব কিছু মা খেয়াল রাখতেন। একটা গান আসলে আমার মায়ের যে উচ্ছ্বাস আমি দেখেছি তার আর কারও মধ্যে দেখিনি।’

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • উৎসবের পর শূন্য অনুভব করা বা পোস্ট-ফেস্টিভ‍্যাল ব্লুজ কাটাবেন কীভাবে
  • রান্না-খাওয়া পর্ব ভিন্ন আঙ্গিকে চিন্তা করলে নারীরাও আনন্দ করতে পারবেন
  • উৎসবে হজমের সমস্যা এড়াতে যা করবেন
  • ছোটবেলার ঈদ ঝামেলাবিহীন, সহজ-সরল ছিল: নুসরাত ফারিয়া
  • দল বেঁধে বেড়ানোর যে উৎসব ছিল, তা আর নেই, কী কঠিন বড় হওয়াটা
  • উৎসবে পারিবারিক দ্বন্দ্ব ও হতাশা কাটাতে করণীয়
  • আগামী বছর থেকে আরও বড় পরিসরে ঈদ আয়োজন করা হবে: আসিফ মাহমুদ
  • একটা জিনিস বুঝেছি, বাবা-মা ছাড়া ঈদ করা কঠিন: ন্যান্সি
  • সেই সুযোগ এখন আর হয় নেই: ন্যান্সি
  • ঈদে সেই সুযোগ এখন আর হয় নেই: ন্যান্সি