আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কমিটি বাতিল
Published: 27th, January 2025 GMT
দায়িত্ব পালনে অক্ষমতার অভিযোগে হবিগঞ্জের আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি বাতিল করা হয়েছে।
গত ২৪ জানুয়ারি বিএনপির সিলেট বিভাগীয় সাংগঠনিক সম্পাদক জি কে গউছ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক অ্যাডভোকেট হাবিবুর রহমান সওদাগর ও প্রথম যুগ্ম আহ্বায়ক শামসুল আলমকে বিষয়টি জানানো হয়েছে।
চিঠিতে বলা হয়েছে, ২০১৯ সালের ১৭ অক্টোবর আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির আহ্বায়ক কমিটি গঠন করা হয়। কিন্তু, ৫ বছর ৩ মাসেরও বেশি সময় অতিবাহিত হলেও অর্পিত দায়িত্ব পালনে এ কমিটি কোনো সক্ষমতা দেখাতে পারেনি। উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়ন কমিটির মধ্যে একটিরও সম্মেলন করা সম্ভব হয়নি।
আরো বলা হয়, আগামী জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে সারা দেশের মতো আজমিরীগঞ্জ উপজেলা কমিটিও ঢেলে সাজানোর উদ্যোগ নিয়েছে বিএনপি। এ কারণে উপজেলার পাঁচটি ইউনিয়নে কাউন্সিল-সম্মেলনের বিকল্প নেই। তাই, আজমিরীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির কমিটি নির্দেশক্রমে বাতিল করা হলো।
কমিটি বাতিলের এই চিঠির অনুলিপি বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর, স্থায়ী কমিটির সদস্য অধ্যাপক ডা.
ঢাকা/আজহারুল/রফিক
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
বাংলাদেশি ভেবে বিএসএফের গুলি, ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে এক ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ভোরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গোরকমন্ডল সীমান্তের ৯২৯ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের ৩ নম্বর সাব পিলারের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
কাঁটাতারের বেড়ার বাইরে ভারতের ভূখণ্ডে মরাকুটি (ভোরাম পয়োস্তি) এলাকায় ওই চোরাকারবারীর মরদেহ দেখেন বাংলাদেশিরা। ৪ ঘণ্টা ধরে সেখানে পড়েছিল ভারতীয় ওই চোরাকারবারীর মরদেহ। পরে বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে ওই সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
নিহত যুবকের নাম জাহানুর আলম (২৪)। তিনি ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার গিদালদহ এলাকার মরাকুটি ভোরাম পয়োস্তি গ্রামের কবিদুল ইসলামের ছেলে।
সীমান্তবাসীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসাসহ গরু পারাপারে জড়িত ছিলেন তিনি।
সীমান্তে বসবাসকারী সায়েদ আলী ও হয়রত আলী জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে উভয় দেশের একদল চোরাকারবারী ওই সীমান্ত দিয়ে গাঁজা ও গরু নিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করে। এ সময় ভারতীয় ভারবান্দা ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে ভারতীয় চোরাকারবারী জাহানুর গুলিবৃদ্ধ হয়। সেখানে পড়ে থাকা অবস্থায় অনেকবার চিৎকার করলেও সহযোগীরা তাকে উদ্ধার না করায় ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি। গুলির শব্দ পেয়ে বাকি চোরাকারবারীরা পালিয়ে যান।
এ দিকে নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবির পক্ষে গোরকমন্ডল ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফিরোজ এবং বিএসএফের পক্ষে ৩ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের অধীন ভারবান্দা গিদালদহ ক্যাম্পের কমান্ডার গিরিশ চন্দ্র নেতৃত্ব দেন। পতাকা বৈঠকের পর সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ।
এ প্রসঙ্গে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী ইমাম জানান, বিএসএফের কাছে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়- ভোরের দিকে একদল ভারতীয় নাগরিক টহলরত বিএসএফ পোস্টে হামলা চালায়। তখন আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে এক ভারতীয় হামলাকারী নিহত হয়। বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীন। এর সঙ্গে বাংলাদেশ বা বিজিবির কোনও সমৃক্ততা নেই। তারপরও সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।