একাদশ বিপিএলে কলঙ্কের দাগ লেগেছে দুর্বার রাজশাহী ক্রিকেটারদের সম্মানীর টাকা না দেওয়ায়। সম্মানীর দাবিতে চট্টগ্রামে অনুশীলন বয়কট করে সাড়া ফেলে দিয়েছিলেন তাসকিন আহমেদরা। বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদ জরুরি ভিত্তিতে চট্টগ্রামে গিয়ে রাজশাহীর স্বত্বাধিকারী ভ্যালেন্টাইন গ্রুপের এমডি শফিকুর রহমানের কাছ থেকে ২৫ শতাংশ টাকা আদায় করে ক্রিকেটারদের দেওয়ায় সে যাত্রায় ম্যাচ বয়কট থেকে বেঁচে যায়। 

ঢাকার দ্বিতীয় পর্বের খেলা শুরুর আগে দ্বিতীয় ২৫ শতাংশের টাকা পরিশোধ করার কথা ছিল। গতকাল পর্যন্ত সে টাকা না পাওয়ায় ক্রিকেটাররা ম্যাচ বয়কটের সিদ্ধান্ত নিয়েছিলেন বলে জানা গেছে।

পরিস্থিতি বেগতিক দেখে বিসিবি সভাপতি দেশি ক্রিকেটারদের ম্যাচ খেলার জন্য মাঠে আসার অনুরোধ জানান। বিসিবির একজন পরিচালক নাম গোপন রাখার শর্তে বলেন, ‘ক্রিকেটারদের রাজি করাতে অনেক কষ্ট হয়েছে। বোর্ড সভাপতি টাকা পাওয়ার নিশ্চয়তা দেওয়ার পর ম্যাচ খেলতে রাজি হন ক্রিকেটাররা। খুব কঠিন একটা পরিস্থিতির ভেতর দিয়ে যেতে হয়েছে। ক্রিকেটারদের ধন্যবাদ, দেরিতে হলেও ম্যাচ খেলতে আসায়। কোনো কারণে ম্যাচ ওয়াকওভার গেলে মহাকেলেঙ্কারি হতো।’

দুর্বার রাজশাহীর ফ্র্যাঞ্চাইজি ভ্যালেন্টাইন গ্রুপের এমডি শফিকুর রহমান বিশ্বের কাছে বিপিএলের সম্মানহানি করেছেন ক্রিকেটারদের সম্মানী না দিয়ে। খেলোয়াড়দের জার্সিও দেওয়া হয়নি ঠিকভাবে। কিট ব্যাগ পাননি ইয়াসির আলী রাব্বিরা। বাংলাদেশের ক্রিকেটকে যা বিশ্বের কাছে নত করেছে বলে মনে করেন ক্রিকেটাররা।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ব প এল

এছাড়াও পড়ুন:

থাইল্যান্ড ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা

থাইল্যান্ডের প্রধানমন্ত্রী পেতংতার্ন সিনাওয়াত্রা ও ভুটানের প্রধানমন্ত্রী শেরিং তোবগে’র সঙ্গে বৈঠক করবেন প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস। আজ বৃহস্পতিবার থাইল্যান্ডের ব্যাংককে বিমসটেক সম্মেলনের ফাঁকে এক ব্রিফিংয়ে প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম এ তথ্য জানান।

প্রেস সচিব বলেন, বিমসটেক বে অফ বেঙ্গলকে ঘিরে একটা রিজনাল গ্রুপ। এই গ্রুপের যথেষ্ট পটেনশিয়ালিটি আছে। সেই পটেনশিয়ালিটিটা আমরা আসলে অর্জন করতে পারিনি। প্রফেসর ইউনূস এটার ওপর আরও জোর দেবেন। তিনি অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান হওয়ার পর থেকেই বলেছেন যে, আমাদের আশপাশে যে সার্ক আছে, বিমসটেক আছে, সেগুলোকে যেকোনোভাবে হোক আরও সক্রিয় করতে হবে। যাতে করে বাংলাদেশ তার রিজনাল কোঅপারেশন ফ্রেমে তার কথাগুলো বলতে পারে। তাদের সঙ্গে ব্যবসা-বাণিজ্য এবং পিপল টু পিপল কো-অপারেশনগুলো আরও দৃঢ় হয়। এই জায়গা প্রফেসর ইউনূসের একটা স্পষ্ট পলিসি আছে।

যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে জানিয়ে তিনি বলেন, ইউএসের পক্ষ থেকে বিগিনিং অব কনভেন্সেশনে আমরা এটা যাচাই-বাছাই করছি, যার কারণে আমরা এমনভাবে মুভ নিচ্ছি। আমরা মনে করি, ইউএসের সঙ্গে সামনে সুসম্পর্ক আরও সুদৃঢ় হবে। আমরা এ বিষয় নিয়ে এমন একটা সলিউশনে যাব, যাতে দু’পক্ষের জন্য উইন উইন হয়। আমরা আশাবাদী, যা হবে তা দু’পক্ষের জন্য মঙ্গলজনক হবে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ