Samakal:
2025-04-03@12:06:10 GMT

ইন্টারনেটে যখন ফাইভজি সেবা

Published: 26th, January 2025 GMT

ইন্টারনেটে যখন ফাইভজি সেবা

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তাভিত্তিক (এআই) সল্যুশনের মাধ্যমে উদ্ভাবনকে এগিয়ে নিতে বৈশ্বিক প্রযুক্তি ব্র্যান্ড এরিকসন বাংলাদেশে কাজ করছে। অংশীজন হয়েছে দেশের অপারেটর গ্রামীণফোন। কারিগরি দক্ষতা বৃদ্ধির মাধ্যমে বিশ্বমানের পরিষেবা নিশ্চিত করাই অংশীজনের লক্ষ্য, যা গ্রাহকের নিত্যনৈমিত্তিক পরিবর্তনশীল চাহিদা পূরণে সহায়ক হবে বলে উদ্যোক্তারা জানান।
আগামী ছয় বছর এআই প্রযুক্তিকে কাজে লাগিয়ে আরও দ্রুতগতিতে উদ্ভাবনী পরিষেবা চালু, পরিচালন দক্ষতা বৃদ্ধি, সেবার মান সমৃদ্ধ করা ও দেশের ডিজিটাল রূপান্তরকে গতিশীল করতে কাজ করবে অপারেটরটি, 
যা গ্রাহক অভিজ্ঞতা ও চাহিদাকে পূর্ণতা দেবে।
গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান এবং বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়ার হেড অব এরিকসন ডেভিড হেগারব্রো সম্মিলিত উদ্যোগের কথা জানান।
সারাবিশ্বে ক্যাটালগভিত্তিক চার্জিং ও মিডিয়েশন সিস্টেম বাস্তবায়নে সম্মিলিত প্রচেষ্টায় কাজ করবে উদ্যোক্তারা। এরিকসনের সফল মিডিয়েশনের ওপর ভিত্তি করে গড়ে ওঠা ব্যবস্থা, যা ডিজিটাল অপারেটরের প্রতিদিনের ৬০০ কোটির বেশি ডেটা প্রসেসে সক্ষম। উল্লিখিত ব্যবস্থার মাধ্যমে অপারেটর নিজেদের ব্যবসা ও অপারেশন সাপোর্ট সিস্টেমের (ওএসএস/বিএসএস) সক্ষমতা বাড়াতে পারবে। নতুনভাবে যুক্ত হবে অর্ডার কেয়ার ও ক্যাটালগ ম্যানেজারের মতো সল্যুশন, যা গ্রাহকসেবার মানকে আধুনিকীকরণ ও ফাইভজি সেবার বাস্তবায়নে সহায়ক শক্তি হিসেবে কাজ করবে। অপারেটরের নিরবচ্ছিন্ন কার্যক্রম সক্রিয় রাখতে আইটি ম্যানেজড পরিষেবা নিশ্চিত হবে। অর্থাৎ এআই পরিচালিত কার্যক্রম সমৃদ্ধ করতে অপারেটরের কাজের দক্ষতা আগের তুলনায় সমৃদ্ধ হবে।
গ্রামীণফোনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ইয়াসির আজমান বলেন, অত্যাধুনিক প্রযুক্তির অন্তর্ভুক্তি সার্বিক কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে প্রযুক্তি ব্র্যান্ড এরিকসন, যা ত্বরান্বিত করবে ডিজিটাল রূপান্তর প্রক্রিয়াকে। বিশ্বমানের সেবাদানে গ্রাহকের কাছে ক্ষমতায়ন দৃশ্যমান করবে। সংযুক্তির ভবিষ্যৎ ও ডিজিটাল অভিজ্ঞতাকে সমৃদ্ধ করবে, যা টেলিযোগাযোগ খাতে বৈশ্বিক মানদণ্ড প্রতিষ্ঠায় সহায়ক হবে।
বাংলাদেশ, শ্রীলঙ্কা ও মালয়েশিয়ার হেড অব এরিকসন ডেভিড হেগারব্রো বলেন, সম্মিলিত উদ্যোগ টেলিযোগাযোগ ব্যবস্থাপনায় চলমান সহযোগিতার অনন্য উদাহরণ। কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) পরিচালিত উন্নত ওএসএস/বিএসএস প্রযুক্তি ও ম্যানেজড পরিষেবার মাধ্যমে অপারেটরের চাহিদা ও গ্রাহককে আগামী ছয় বছর প্রত্যাশিত পরিষেবা নিশ্চিত করা হবে।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: পর ষ ব ব যবস

এছাড়াও পড়ুন:

বাংলাদেশি ভেবে বিএসএফের গুলি, ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে এক ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত হয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার ভোরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গোরকমন্ডল সীমান্তের ৯২৯ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের ৩ নম্বর সাব পিলারের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

কাঁটাতারের বেড়ার বাইরে ভারতের ভূখণ্ডে মরাকুটি (ভোরাম পয়োস্তি) এলাকায় ওই চোরাকারবারীর মরদেহ দেখেন বাংলাদেশিরা। ৪ ঘণ্টা ধরে সেখানে পড়েছিল ভারতীয় ওই চোরাকারবারীর মরদেহ। পরে বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে ওই সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

নিহত যুবকের নাম জাহানুর আলম (২৪)। তিনি ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার গিদালদহ এলাকার মরাকুটি ভোরাম পয়োস্তি গ্রামের কবিদুল ইসলামের ছেলে।

সীমান্তবাসীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসাসহ গরু পারাপারে জড়িত ছিলেন তিনি।

সীমান্তে বসবাসকারী সায়েদ আলী ও হয়রত আলী জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে উভয় দেশের একদল চোরাকারবারী ওই সীমান্ত দিয়ে গাঁজা ও গরু নিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করে। এ সময় ভারতীয় ভারবান্দা ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে ভারতীয় চোরাকারবারী জাহানুর গুলিবৃদ্ধ হয়। সেখানে পড়ে থাকা অবস্থায় অনেকবার চিৎকার করলেও সহযোগীরা তাকে উদ্ধার না করায় ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি। গুলির শব্দ পেয়ে বাকি চোরাকারবারীরা পালিয়ে যান।

এ দিকে নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবির পক্ষে গোরকমন্ডল ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফিরোজ এবং বিএসএফের পক্ষে ৩ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের অধীন ভারবান্দা গিদালদহ ক্যাম্পের কমান্ডার গিরিশ চন্দ্র নেতৃত্ব দেন। পতাকা বৈঠকের পর সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ।

এ প্রসঙ্গে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী ইমাম জানান, বিএসএফের কাছে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়- ভোরের দিকে একদল ভারতীয় নাগরিক টহলরত বিএসএফ পোস্টে হামলা চালায়। তখন আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে এক ভারতীয় হামলাকারী নিহত হয়। বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীন। এর সঙ্গে বাংলাদেশ বা বিজিবির কোনও সমৃক্ততা নেই। তারপরও সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ