সায়েন্সল্যাব ছাড়লেন সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা
Published: 26th, January 2025 GMT
চার ঘণ্টা পর রাজধানীর সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবরোধ ছেড়েছেন ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের অধিভুক্ত সরকারি সাত কলেজের শিক্ষার্থীরা।
রবিবার (২৬ জানুয়ারি) রাত ১০ট ২০ মিনিটে সায়েন্সল্যাব মোড়ে অবরোধ ছেড়ে ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের দিকে যান শিক্ষার্থীরা।
এ সময় ‘সাত কলেজ বিশ্ববিদ্যালয় রূপান্তর টিমে’র ফোকাল পয়েন্ট ঢাকা কলেজের শিক্ষার্থী আব্দুর রহমান উপস্থিত শিক্ষার্থীদের বলেন, “আমরা এখন ঢাবিতে গিয়ে প্রো-ভিসি (শিক্ষা) অফিস ঘেরাও করব। যতক্ষণ পর্যন্ত আমাদের কাছে এসে ক্ষমা না চাইবে ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের আন্দোলন চলমান থাকবে।”
আরো পড়ুন:
সন্ত্রাসীদের গুলিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্র নিহত
যমুনা অভিমুখে যেতে বাধা, প্রাথমিক শিক্ষকরা শাহবাগে
ঢাকা/রায়হান/এসবি
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
নাশকতার পরিকল্পনার অভিযোগে গ্রাম পুলিশ গ্রেপ্তার
নাশকতার পরিকল্পনা করছে এমন সংবাদের ভিত্তিতে মাদারীপুরে কামাল সরদার নামের এক গ্রাম পুলিশকে গ্রেপ্তার করেছে ডিবি পুলিশ। বৃহস্পতিবার রাতে তার বাড়ি থেকে তাকে গ্রেপ্তার করা হয়। আজ শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে জেল হাজতে পাঠানো হয়েছে।
গ্রেপ্তার কামাল জেলার মস্তফাপুর ইউনিয়নের চাপাতলী গ্রামের কেরামত সরদারের ছেলে। তিনি একই ইউনিয়নে গ্রাম পুলিশ হিসেবে কর্মরত।
ডিবি পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে নাশকতার পরিকল্পনাকারীদের ধরতে চাপাতলীতে অভিযান চালায় ডিবি পুলিশ। এ সময় নিজ বাড়ি থেকে কামাল সরদারকে (৪০) গ্রেপ্তার করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদ শেষ করে তাকে পুলিশ বাদী মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে মাদারীপুর সদর থানায় হস্তান্তর করে ডিবি পুলিশ।
স্থানীয়রা জানায়, আওয়ামী লীগের এক প্রভাবশালী নেতার ছত্রছায়ায় এলাকায় নানা অপকর্ম করে আসছিলেন কামাল। তার বিরুদ্ধে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা, জেলা প্রশাসক, পুলিশ বিভাগসহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেন কয়েকজন ভুক্তভোগী। কয়েকবার তাকে সতর্ক করা হলেও কোনো প্রতিকার পাননি বলে জানান স্থানীয়রা।
স্থানীয় হায়দার হোসেন বলেন, ‘কামাল আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীদের হয়ে কাজ করেন। পাশাপাশি মারামারি, মোটরসাইকেল চুরিসহ নানা অপকর্মে তিনি জড়িত। তার বিরুদ্ধে বেশ কয়েকটি মামলা আছে।’
মাদারীপুর সদর মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. মোকছেদুর রহমান জানান, কামাল সরদারের বিরুদ্ধে বিভিন্ন ধারায় এক ডজন মামলা রয়েছে। তবে পুলিশ বাদী একটি মামলায় তাকে গ্রেপ্তার দেখানো হয়েছে। শুক্রবার আদালতের মাধ্যমে জেলহাজতে প্রেরণ করা হয়েছে।