জানাযায় যাওয়ার সময় বাস চাপায় নিহত ২
Published: 26th, January 2025 GMT
সিরাজগঞ্জের রায়গঞ্জে জানাযা নামাজে যাওয়ার সময় বাস চাপায় শিক্ষকসহ দুজন নিহত হয়েছেন।
রবিবার (২৬ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় দুজনের মৃত্যু হয়।
এর আগে বিকেল ৪টার দিকে বগুড়া-নগরবাড়ী মহাসড়কের চান্দাইকোনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় অটোভ্যানে থাকা আরও তিন যাত্রী গুরুতর আহত হয়েছেন।
নিহতরা হলেন, চান্দাইকোনা বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের অফিস সহকারী রহিজুল ইসলাম (৫০) ও বগুড়া জেলার শেরপুর উপজেলার ধনকুন্ঠি গ্রামের মনছের আলীর ছেলে অটোভ্যান চালক সাহেব আলী (৫৫)।
হাটিকুমরুল হাইওয়ে থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আব্দুর রউফ জানান, বিকেল ৪টার দিকে অটোভ্যানে করে একটি জানাযা নামাজে অংশ নিতে যাচ্ছিলেন কয়েকজন। ভ্যানটি উপজেলার চান্দাইকোনা বাসস্ট্যান্ড এলাকায় পৌঁছলে বগুড়াগামী শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি বাস অটোভ্যানটিকে চাপা দিয়ে পালিয়ে যায়। এতে অটোভ্যানে থাকা চালকসহ চার জন গুরুতর আহত হন।
স্থানীয়রা আহতদের উদ্ধার করে বগুড়া শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে পাঠান। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় বিকাল সাড়ে ৫টার দিকে শিক্ষক রইজুল ও অটো ভ্যানচালক সাহেব আলীর মৃত্যু হয়।
ওসি আব্দুর রউফ বলেন, “খবর পেয়ে হাইওয়ে পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে। এদিকে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আহতদের মধ্যে দুজন সন্ধ্যার পর মারা যান। তাদের মরদেহ ময়নাতদন্ত শেষে বগুড়া সদর থানা পুলিশের মাধ্যমে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।”
ঢাকা/রাসেল/এস
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
জমি নিয়ে বিরোধ, চাটমোহরে দুই পক্ষের সংঘর্ষে নারীসহ আহত ৩০
পাবনার চাটমোহরে জমিজমা নিয়ে বিরোধের জের ধরে দুই পক্ষের মধ্যে সংঘর্ষের ঘটনায় নারীসহ কমপক্ষে ৩০ জন আহত হয়েছেন।
ঈদের পরদিন মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে উপজেলার নিমাইচড়া ইউনিয়নের ধানকুনিয়া উত্তরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে আসে।
আহতরা হলেন- কুকড়াগাড়ি গ্রামের রিয়াজ উদ্দিন, ধানকুনিয়া গ্রামের রুমা খাতুন, ইদ্রিস আলী, শাহাদৎ হোসেন, সোলাইমান হোসেন, মুক্তা খাতুন, আখিরুল ইসলাম, উজ্জ্বল হোসেন, জাহিদুল ইসলাম, শিবলু হোসেন, ইতিয়ারা খাতুন, হৃদয় হোসেন, রাসেল হোসেন, সাথী খাতুন, শামসুন্নাহার, আবু হানিফ, আম্বিয়া খাতুন, হাবিবুর রহমান, হাবিল প্রামানিক, সলকী খাতুন। অন্যদের নাম পাওয়া যায়নি।
জানা গেছে, ধানকুনিয়া উত্তরপাড়া গ্রামের ইদ্রিস আলী ও মোন্নাফ প্রামানিকের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে জমি নিয়ে বিরোধ চলছিল। বিষয়টি নিয়ে একাধিকবার স্থানীয়ভাবে সালিশ হয়। কিন্তু কোনো সুরাহা হয়নি। মঙ্গলবার বিকেলে ওই জমি নিয়ে দুইপক্ষের লোকজনের মধ্যে প্রথমে কথা কাটাকাটি হয়। পরে উভয়পক্ষের লোকজনই দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে।
পুলিশ গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে এবং আহতদের উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে। এদের মধ্যে ১১ জনের অবস্থা আশঙ্কাজনক হওয়ায় কর্তব্যরত চিকিৎসক পাবনা জেনারলে হাসপাতালে স্থানান্তর করেন।
এ ব্যাপারে চাটমোহর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মঞ্জুরুল আলম বলেন, জমিজমা নিয়ে দুই পক্ষের মধ্যে পূর্ব বিরোধের জেরে এ ঘটনা। খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে পুলিশ পাঠিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনা হয়। এখন পর্যন্ত কোনো পক্ষই অভিযোগ দেয়নি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।