বাইডেনের আটকে দেওয়া বোমা ইসরায়েলকে দিতে চলেছেন ট্রাম্প
Published: 26th, January 2025 GMT
ইসরায়েলকে ২০০০ পাউন্ডের বোমা সরবরাহে স্থগিতাদেশ তুলে নিতে নির্দেশ দিয়েছে প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের আরোপ করা স্থগিতাদেশ তুলে নিতে সামরিক বাহিনীকে নির্দেশনা দিয়েছেন ট্রাম্প। যুক্তরাষ্ট্রে নিযুক্ত ইসরায়েলি দূতের বরাতে মঙ্গলবার এ তথ্য জানিয়েছে সংবাদমাধ্যম ওয়াল্লা নিউজ।
এছাড়াও হোয়াইট হাউসের একটি সূত্র শনিবার রয়টার্সকে এ তথ্য জানান।
এর আগে নিজের ট্রুথ সোশ্যালে কোনো বিস্তারিত উল্লেখ না করে ট্রাম্প লেখেন, ‘এমন অনেক জিনিস, যা ইসরায়েল চেয়েছিল, অর্থও দিয়েছিল; কিন্তু বাইডেন সরবরাহ করেননি। সেগুলো এখন পথে রয়েছে।’
তবে ট্রাম্প যে এমন উদ্যোগ নেবেন, সেটা আগে থেকেই ধারণা করা হয়েছিল। ইসরায়েল সরকার বেসামরিক মানুষজনের ওপর, বিশেষ করে চলমান যুদ্ধে ফিলিস্তিনের গাজার রাফা শহরের মানুষের ওপর ব্যবহার করতে পারে, এমন আশঙ্কা থেকে বাইডেন এ বোমা সরবরাহ করেননি।
বাইডেন ও ট্রাম্প দুজনই ইসরায়েলকে সমর্থন করেছে। এদিকে শপথ গ্রহণের পর ট্রাম্প জানিয়েছেন, তিনি বিশ্বে শান্তি আনা ও সব যুদ্ধ বন্ধের জন্য কাজ করবেন। তবে এরমধ্যেই জানা গেল, ইসরায়েলকে বিধ্বংসী এসব বোমা দিতে যাচ্ছেন তিনি। গাজার খান ইউনিসের আল-মাওয়াসি ক্যাম্পে গত সেপ্টেম্বরে ‘২০০০ পাউন্ডের’ একটি বোমা ফেলেছিল ইসরায়েলি সেনারা। এতে সেখানে ৩৩/৫০ ফুট গভীর গর্তের সৃষ্টি হয়েছিল।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ইসর য় ল
এছাড়াও পড়ুন:
ত্রাণবাহী গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ছে মিয়ামারের সেনারা
ত্রাণবাহী গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ছে মিয়ামারের সেনারা। বিষয়টি ভূমিকম্পের পর বিধ্বস্ত এলাকাগুলোতে ত্রাণ সরবরাহকে চ্যালেঞ্জের মুখে ফেলে দিয়েছে বলে বুধবার জানিয়েছে রয়টার্স।
২০২১ সালে নোবেল বিজয়ী অং সান সু চির নির্বাচিত বেসামরিক সরকারের বিরুদ্ধে অভ্যুত্থানের পর থেকে মিয়ানমার পরিচালনা করতে সেনাবাহিনীকে হিমশিম খেতে হচ্ছে। গৃহযুদ্ধ শুরু হওয়ার পর অর্থনীতি এবং স্বাস্থ্যসেবা সহ মৌলিক পরিষেবাগুলো ভেঙে গেছে।
জান্তার মুখপাত্র জাও মিন তুন জানিয়েছেন, মঙ্গলবার রাতে চীনা রেড ক্রস জানায়নি যে তারা একটি সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে রয়েছে। স্থানীয় যানবাহনসহ কনভয়টি থামাতে ব্যর্থ হওয়ার পরে একটি নিরাপত্তা দল ফাঁকা গুলি চালায়।
চীনা পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একজন মুখপাত্র জানিযেছেন, ত্রাণবাহী দল ও সরবরাহ নিরাপদে রয়েছে এবং উদ্ধারকারীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার জন্য মিয়ানমারের সকল পক্ষের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তিনি।
গুও জিয়াকুন এক সংবাদ সম্মেলনে বলেন, “ত্রাণ তৎপরতার জন্য পরিবহন রুট খোলা ও বাধাহীন রাখা জরুরি।”
মিয়ানমারের রাষ্ট্রীয় সংবাদমাধ্যম জানিয়েছে, শুক্রবারের ৭ দশমিক ৭ মাত্রার ভূমিকম্পে মৃতের সংখ্যা বেড়ে ২ হাজার ৮৮৬ জনে দাঁড়িয়েছে এবং ৪ হাজার ৬৩৯ জন আহত হয়েছে।
ইন্টারন্যাশনাল ক্রাইসিস গ্রুপ জানিয়েছে, সাগাইং অঞ্চলের গ্রামীণ অংশগুলো বেশিরভাগই সামরিক সরকারের বিরুদ্ধে লড়াইরত সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলির নিয়ন্ত্রণে।
গ্রুপটি এক বিবৃতিতে বলেছে, “সরকারি বিধিনিষেধ, স্থানীয় প্রশাসনের জটিল বিন্যাস ও সশস্ত্র প্রতিরোধ গোষ্ঠীগুলোর নিয়ন্ত্রণ এবং ক্রমাগত সংঘাতের কারণে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর জন্য ত্রাণ পৌঁছানো সবচেয়ে চ্যালেঞ্জিং হবে।”
সাগাইং ভ্রমণকারী একজন ব্যক্তি রয়টার্সকে বলেছেন, “শহরের সর্বত্র সেনা রয়েছে। তারা নিরাপত্তার জন্য আছে, উদ্ধারের জন্য নয়। তারা প্রতিটি যানবাহন তল্লাশি করে।”
নিউইয়র্কভিত্তিক হিউম্যান রাইটস ওয়াচ জান্তা সরকারকে মানবিক সাহায্যের জন্য অবাধ প্রবেশাধিকার দেওয়ার এবং সাহায্য সংস্থাগুলোকে বাধা প্রদানের বিধিনিষেধ তুলে নেওয়ার আহ্বান জানিয়েছে।
ঢাকা/শাহেদ