Samakal:
2025-04-03@02:20:17 GMT

বিসিবির সংস্কার কমিটি স্থগিত

Published: 26th, January 2025 GMT

বিসিবির সংস্কার কমিটি স্থগিত

ঢাকার ক্রিকেট ক্লাবের চাওয়া ছিল গঠনতন্ত্র সংস্কার কমিটির আহ্বায়ক নাজমুল আবেদীন ফাহিমের পদত্যাগ। ক্লাবের দাবি মেনে তাঁকে আর পদত্যাগ করতে হচ্ছে না সংস্কার কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করায়। গতকাল পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেদিক থেকে দেখলে ক্লাব কর্মকর্তারা নিজেদের বিজয়ী দাবি করতেই পারেন। গঠনতন্ত্র সংস্কার কমিটির কার্যক্রম স্থগিত হওয়ায় ঢাকা প্রথম বিভাগ ক্রিকেট লিগ মাঠে গড়াতেও বাধা থাকছে না। বিসিবি পরিচালক মাহাবুবুল আনাম জানান, ক্রিকেট কমিটি অব ঢাকা মেট্রোপলিশ (সিসিডিএম) শিগগির ক্লাবগুলোর সঙ্গে কথা বলে লিগের খেলা শুরু করবে। নৈতিকভাবে নিজেদের জয় হওয়ায় ক্লাবগুলোরও লিগ খেলতে আপত্তি নেই বলে জানা গেছে।

আঞ্চলিক ক্রিকেট সংস্থাকে প্রাধান্য দিতে গিয়ে ঢাকার ক্লাব ক্যাটেগরিতে পরিচালকের সংখ্যা ১২ থেকে কমিয়ে চারে নামানোর সুপারিশ করেছিল নাজমুল আবেদীন ফাহিমের কমিটি। বিষয়টি ফাঁস হয়ে যাওয়ায় ৭৬টি ক্লাব একাট্টা হয়ে লিগ বয়কটের সিদ্ধান্ত নেয়। ঢাকা প্রথম বিভাগ লিগও বয়কট করে ২০টি ক্লাব। ক্লাব প্রতিনিধিরা সভাপতি ফারুক আহমেদকে স্মারকলিপিসহকারে আলটিমেটাম দেন কয়েক দিন আগে। এক সপ্তাহ সময় নিয়ে সমাধানের পথ খোঁজার প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলেন সভাপতি ফারুক। 

সে প্রেক্ষাপটে গতকাল বোর্ড সভায় গঠনতন্ত্র সংস্কার কার্যক্রম স্থগিত করা হয়। এ ব্যাপারে বিসিবি সভাপতি মাহাবুবুল আনাম বলেন, ‘কমিটির কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। পরবর্তী সময়ে পরিবর্তন, পরিবর্ধন করে কমিটি কার্যকর করা হবে। তারা সব স্টেকহোল্ডারের সঙ্গে আলোচনা করে সংস্কারের সিদ্ধান্ত নেবেন।’ বিসিবি পরিচালনা পর্ষদের সভায় এ ছাড়া বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। ওয়ার্কিং ও নিরাপত্তা কমিটি বাদে বাকি সব স্ট্যান্ডিং কমিটি বণ্টন করা হয়েছে পরিচালকদের মধ্যে।

ক্রিকেট অপারেশন্সই পেলেন ফাহিম

জাতীয় ক্রীড়া পরিষদ থেকে মনোনীত পরিচালক নাজমুল আবেদীন ফাহিমের চাওয়া ছিল ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগ। বিসিবি সভাপতি ফারুক আহমেদকে নিজের পছন্দের কথা জানিয়েও ছিলেন তিনি। কিন্তু তাঁর চাওয়া পূরণ হচ্ছিল না বোর্ড সভাপতি নিজের হাতে রেখেছিলেন বিভাগটি। এ নিয়ে সভাপতি ফারুক ও ফাহিমের বিবাদ প্রকাশ্যে রূপ নেয়। যুব ও ক্রীড়া মন্ত্রণালয় পর্যন্ত গড়ায় বিষয়টি। বিসিবির একজন কর্মকর্তা জানান, বিশেষ নির্দেশনায় ফাহিমকে শেষ পর্যন্ত ক্রিকেট পরিচালনা বিভাগের চেয়ারম্যান করা হয়। নারী বিভাগেরও চেয়ারম্যান তিনি। ফলে জাতীয় দল-সংক্রান্ত সব সিদ্ধান্ত নেওয়ার গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব ফাহিমের। বাকি স্ট্যান্ডিং কমিটি ভাগাভাগিতে মাহাবুবুল আনাম গ্র্যান্ডসের পাশাপাশি টেন্ডার অ্যান্ড পারচেজ ও হাই পারফরম্যান্স কমিটির চেয়ারম্যান হয়েছেন। 

ক্রিকেটের অবকাঠামোগত উন্নয়নে এ তিনটি বিভাগই গুরুত্বপূর্ণ। দেশের সবচেয়ে অভিজ্ঞ পরিচালকের হাতেই পড়েছে কার্যকর দুটি বিভাগ। ইফতেখার রহমান মিঠুকে আম্পায়ার্স কমিটির পাশাপাশি মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। আকরাম খানকে ফ্যাসিলিটি ম্যানেজমেন্ট, টুর্নামেন্ট কমিটি ও ফিজিক্যালি চ্যালেঞ্জড বিভাগের চেয়ারম্যান। ফাহিম সিনহাকে ফিন্যান্স, লজিস্টিক অ্যান্ড প্রটোকল, গেম ডেভেলপমেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান করা হয়েছে। শৃঙ্খলা কমিটি ও এইজ গ্রুপ টুর্নামেন্ট কমিটির চেয়ারম্যান সাইফুল আলম স্বপন চৌধুরী। মঞ্জুরুল আলম মেডিকেল এবং ওয়েলফেয়ার কমিটির চেয়ারম্যান। মোহাম্মদ সালাউদ্দিনকে সিসিডিএমের পাশাপাশি অডিট কমিটির চেয়ারম্যান করা  হয়েছে। কাজী ইনামকে বাংলাদেশ টাইগার্সেই রাখা হয়েছে। সভাপতি ফারুক নিজের হাতে রেখেছেন মার্কেটিং কমিটি।

বিপিএলের সমাধান ৪৮ ঘণ্টায়

পরিচালক মাহাবুবুল আনাম জানান, বিপিএলের সম্মানী নিয়ে এক-দুটি ফ্র্যাঞ্চাইজি যে গড়িমসি করছে, ৪৮ ঘণ্টার মধ্যে তাঁর সমাধান করা হবে। ক্রিকেটারদের বকেয়া পরিশোধে উদ্যোগ নেওয়া হবে বলে জানান তিনি। ভালো খবরের সঙ্গে একটি খারাপ খবরও আছে। অঙ্কুরেই শেষ নারী বিপিএল। মিডিয়া কমিটির চেয়ারম্যান মিঠু বলেন, ‘তাড়াহুড়ো না করার সিদ্ধান্ত হয়েছে।’ এ ছাড়া চারজন ট্রেনিং কিউরেটর নিয়োগ দেওয়া হয়েছে। নারী আম্পায়ার ও ম্যাচ অফিসিয়াল বেতনভুক্ত করা হয়েছে। আম্পায়ার্স বিভাগে বেতন কাঠামো পুনর্বিন্যাস করা হয়েছে গ্রেডিং অনুযায়ী।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: স স ক র কম ট র কম ট র ট কম ট

এছাড়াও পড়ুন:

সারাদিন কাঠফাটা রোদ, রাতে কাঁথামোড়া শীত

চৈত্র মাসে কাঠফাটা রোদই স্বাভাবিক। দিনের বেলায় হচ্ছেও তাই। কিন্তু রাত নামছে ভিন্ন আয়োজনে। যেন পৌষের শীত! সকালে তার রেশ থাকে কুয়াশা হয়ে। এই চিত্র কেবল উত্তরের জেলা দিনাজপুর, ঠাকুরগাঁও, পঞ্চগড়, নীলফামারীতে নয়; দক্ষিণের খুলনা, দক্ষিণ-পশ্চিমের জেলা কুষ্টিয়া, চূয়াডাঙ্গা; সিলেটের সুনামগঞ্জ জেলার হাওরবেষ্টিত উপজেলাগুলোর চিত্রও তাই।

বিভিন্ন স্থান থেকে আমাদের প্রতিনিধিদের পাঠানো তথ্যে দেখা যায়, এক সপ্তাহের বেশি সময় ধরে এসব এলাকায় রাতে শীতের আবহ বিরাজ করছে। সকাল ঢেকে থাকছে কুয়াশায়। গতকাল বুধবার ঠাকুরগাঁওয়ে সকাল সাড়ে ৬টা পর্যন্ত সূর্যের মুখ দেখা যায়নি।

ঈদের ছুটিতে ঢাকা থেকে  ঠাকুরগাঁও বেড়াতে গেছেন ব্যাংক কর্মকর্তা আবুল কালাম আজাদ। তিনি সমকালকে বলেন, ঢাকায় ফ্যান ছাড়া ঘুমাতে পারি না। আর গ্রামে এসে কাঁথা গায়ে দিয়ে ঘুমাতে হচ্ছে। ফজরের নামাজের পর কুয়াশা পড়ে। এর আগে এই সময়ে এমন ঘন কুয়াশা খুব একটা দেখা যায়নি। দিনে আবার উল্টো চিত্র; কাঠফাটা গরম।

ঠাকুরগাঁও জেনারেল হাসপাতালের চিকিৎসক আব্দুস সালাম  বলেন, দুই সপ্তাহ ধরে উত্তরাঞ্চলে কুয়াশার প্রভাব বেশি যাচ্ছে। এর প্রভাবে ঠাকুরগাঁও ও  পঞ্চগড় জেলায় রাতে কনকনে শীতের ভাব থাকে। তবে দিনে তাপমাত্রা বেশি থাকে। এ অঞ্চলে প্রথমবারের মতো বসন্তে শীতের কুয়াশা পড়ছে।

বিশেষজ্ঞদের কেউ কেউ বলছেন, গত কয়েক বছর ধরে চৈত্রের এই রূপ। কোথাও বেশি, কোথাও কম। আবার অসময়ে তাপপ্রবাহও শুরু হচ্ছে। এটিকে তারা ঋতু পরিবর্তনের ধারায় পরিবর্তন বলছেন। তাদের ভাষ্য, জলবায়ু বদলের কারণেই এমনটি হচ্ছে। এই বিরূপ প্রকৃতি উদ্বেগেরও। কারণ এতে সবচেয়ে বেশি ক্ষতি হবে গাছগাছালির। বাড়বে ফসলের রোগবালাই।

গতকাল সকালে পঞ্চগড়ের পথঘাটও ঘন কুয়াশায় ঢাকা ছিল। স্থানীয়রা জানান, গত কয়েক বছরে এমন কুয়াশা তারা দেখেননি। এলাকায় জ্বর, সর্দিসহ নানা রোগের কথাও জানালেন কেউ কেউ। 

আবহাওয়া অফিস জানায়, পঞ্চগড়ে গতকাল সকাল ৯টায় সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয় ১৬ দশমিক ৬ ডিগ্রি সেলসিয়াস। এর আগে মঙ্গলবার দিনে সর্বোচ্চ তাপমাত্রা ছিল ৩৫ ডিগ্রি সেলসিয়াস। তেঁতুলিয়া আবহাওয়া অফিসের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা জিতেন্দ্রনাথ বলেন, মৌসুমি বায়ুর প্রভাবে আকাশে জমা মেঘ কুয়াশা হয়ে ঝরছে। আবার বাতাসে ধূলিকণা বেশি ও আর্দ্রতা কম থাকছে। আরও কয়েক দিন এমন অবস্থা চলতে পারে বলে জানান তিনি।

দিনাজপুরে কয়েক দিন ধরে দিনের বেলায় রোদে গা পুড়ে যাচ্ছে। গভীর রাতে বাড়ে ঠান্ডা। নীলফামারীতে দিনের আবহাওয়া অনেকটা স্বাভাবিক থাকলেও শেষ রাতে তাপমাত্রা অর্ধেকে নেমে আসে। 

রাজশাহীর গ্রামাঞ্চল কুয়াশার চাদরে ঢাকা পড়ছে। রাজশাহী কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের উপপরিচালক উম্মে ছালমা বলেন, এমন কুয়াশা রাজশাহীর আমের মুকুল ও গুটির জন্য ক্ষতিকর। আমের মুকুলে ‘পাউডারি মিলডিউ’ নামে এক ধরনের রোগ দেখা দিচ্ছে। এতে মুকুল ঝরে পড়ছে।

গত সোমবার নোয়াখালীর সুবর্ণচর হঠাৎ কুয়াশায় ঢাকা পড়ে বলে জানান স্থানীয় লোকজন। মাঝারি ও ঘন কুয়াশায় সামান্য দূরের জিনিসও দেখা যাচ্ছিল না। চৈত্র মাসে এমন ঘন কুয়াশায় ক্ষতির আশঙ্কা করছেন বোরো চাষিরা। নোয়াখালীর সুবর্ণচরের চাষি মাহফুজুল হক বলেন, এবার চার একর জমিতে বোরো ধান চাষ করেছি। বেশির ভাগ গাছে শীষ বের হয়েছে। হঠাৎ ঘন কুয়াশার কারণে চিন্তায় পড়েছি।

স্থানীয় কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তরের মহাপরিচালক ছাইফুল আলম জানান, বিভিন্ন এলাকায় এক সপ্তাহ ধরে কুয়াশা পড়ার খবর পাচ্ছি। কুয়াশা দীর্ঘ সময় ধরে পড়লে বোরো ফসল ব্লাস্টে আক্রান্তের আশঙ্কা আছে।

কুয়াশা দেখে আতঙ্কিত না হওয়ার পরামর্শ দিচ্ছে আবহাওয়া অধিদপ্তর। তারা বলছে, বায়ুমণ্ডলে তাপ বৃদ্ধি পাওয়ায় দিনে ভূপৃষ্ঠ উত্তপ্ত থাকে, ভোরের দিকে শীতল হয়। ওই সময়টায় বাতাস জলীয় বাষ্প ধারণ করতে না পারায় তা কুয়াশা আকারে ভেসে বেড়ায়।

আবহাওয়াবিদরা জানান, কেবল চলতি বছর নয়, গত ১০-১২ বছর মার্চ মাসজুড়েই এমন কুয়াশা থাকছে এবং অসময়ে তাপপ্রবাহ শুরু হচ্ছে। এটিকে তারা ‘সিজনাল প্যাটার্ন চেঞ্জ’ (ঋতু পরিবর্তনের ধারায় পরিবর্তন) বলছেন। এই পরিবর্তনটাকে তারা ‘অস্বাভাবিক আচরণ’ বলে মনে করছেন।

চলতি বছরের ফেব্রুয়ারিতে ‘বাংলাদেশের পরিবর্তনশীল জলবায়ু : আবহাওয়ার পর্যবেক্ষণে ১৯৮০ থেকে ২০২৩ সালের প্রবণতা এবং পরিবর্তন’ শীর্ষক একটি গবেষণা প্রতিবেদন প্রকাশিত হয়। আবহাওয়াবিদ মো. বজলুর রশীদের নেতৃত্বে বাংলাদেশ ও নরওয়ের পাঁচজন আবহাওয়া বিশেষজ্ঞ গত ৪৩ বছরের তথ্য-উপাত্ত বিশ্লেষণের ভিত্তিতে গবেষণাটি করেন। এতে দেখা যায়, প্রতি ঋতুতে তাপমাত্রা আগের তুলনায় বাড়ছে। পাশাপাশি মৌসুমি বায়ু দেরিতে প্রবেশ করায় স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে বর্ষাকাল পিছিয়ে যাচ্ছে। তারই ধারাবাহিকতায় মার্চের শেষ সপ্তাহেও দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কুয়াশা দেখা যাচ্ছে, শীত অনুভূত হচ্ছে। এর মূল কারণ হিসেবে দূষণকে চিহ্নিত করেন আবহাওয়াবিদ বজলুর রশীদ।

আবহাওয়া অধিদপ্তরের পরিচালক মমিনুল ইসলাম বলেন, এই কুয়াশা তৈরির পেছনে বাতাসের আর্দ্রতা ও তাপমাত্রার পার্থক্য দায়ী। এবার রাতে তাপমাত্রা কমে যাওয়ার আগেই কুয়াশা তৈরি হয়ে যাচ্ছে। আর বাতাস কম থাকায় কুয়াশা সরে যেতে পারছে না। তিনি জানান, এ সময় ভারতের বিস্তীর্ণ এলাকা এবং চীনেও কুয়াশা তৈরি হচ্ছে।

কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ে আবহাওয়া ও জলবায়ুবিষয়ক পিএইচডি গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ বলেন, এক সপ্তাহ আগে রাজশাহী, রংপুর ও ময়মনসিংহ বিভাগের বিভিন্ন জেলায় বৃষ্টি হয়েছিল। ফলে ওইসব জেলার মাটিতে কিছুটা আর্দ্রতার সৃষ্টি হয়েছে। বৃষ্টি হওয়ায় ভূপৃষ্ঠ কয়েক ডিগ্রি সেলসিয়াস ঠান্ডা হয়েছে। এর মধ্যে হঠাৎ এসব জেলার ঊর্ধ্ব আকাশ দিয়ে গরম বাতাস প্রবাহিত হচ্ছে। শীতকালে যেমন মানুষের মুখ ও নাক থেকে বের হওয়া গরম বাতাস বাইরের শীতল বাতাসের সঙ্গে মিশে ধোঁয়ার সৃষ্টি করে, ঠিক একইভাবে এখন শীতকালের মতো কুয়াশা সৃষ্টি হচ্ছে।

(প্রতিবেদন তৈরিতে তথ্য দিয়েছেন দিনাজপুর, পঞ্চগড় ও নীলফামারী প্রতিনিধি)

সম্পর্কিত নিবন্ধ