নিজের চেহারা বদলে বাংলাদেশে ফিরতে চেয়েছিলেন শরিফুল
Published: 25th, January 2025 GMT
চুরির উদ্দেশ্যেই সাইফ আলি খানের বাড়িতে ঢুকেছিলেন শরিফুল ইসলাম। চুরি করে বাংলাদেশে ফিরে আসার ইচ্ছে ছিল। পুলিশের তদন্তে উঠে আসছে চাঞ্চল্যকর তথ্য।
মুম্বাই পুলিশ জানায়, বাংলাদেশের নাগরিক শরিফুল পাঁচ মাস আগে অবৈধ ভাবে ভারতে ঢুকেছিলেন। তিনি মুম্বাইয়ের এক হোটেলে কাজ নেন। এরপর গত ১৫ ডিসেম্বর তার কাজ চলে যায়। সাইফের বাড়িতে চুরি করে বাংলাদেশে ফিরে আসার পরিকল্পনা ছিল তার।
সাইফের উপরে হামলার পরে বান্দ্রা স্টেশন থেকে চার্চগেটগামী ট্রেনে ওঠেন শরিফুল। তারপর দাদার স্টেশনে গিয়ে নামেন তিনি। ওরলিতে পৌঁছানোর পর জানতে পারেন হামলার ঘটনার খবর সম্প্রচারিত হয়ে গিয়েছে। শরিফুল তখন তার চেহারা বদলানার সিদ্ধান্ত নেন এবং একটি সেলুনে গিয়ে নিজের চুল কাটান।
পুলিশের জেরায় শরিফুল ইসলাম জানিয়েছেন, অভাবের কারণে সাইফের বাড়িতে চুরি করার সিদ্ধান্ত নেন তিনি। তবে তিনি কারও ক্ষতি করতে চাননি। তাই পুলিশকে তিনি বাংলাদেশে পৌঁছে দেওয়ার অনুরোধ জানিয়েছেন।
১৫ জানুয়ারি মধ্যরাতে সাইফ-করিনার বাড়িতে প্রবেশ করেছিলেন শরিফুল। তার উদ্দেশ্য ছিল, এক কোটি টাকা আদায় করা। কিন্তু তিনি ধরা পড়ে যান। বাধা দিতে এলে সাইফের উপর ঝাঁপিয়ে পড়েন তিনি। একের পর এক ছুরিকাঘাত করেন অভিনেতাকে। ঘটনার তিন দিনের মাথায় পুলিশ তাকে গ্রেপ্তার করলে তার কাছে বাংলাদেশি ভোটার কার্ড পাওয়া যায়।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
তাইওয়ান ঘিরে দ্বিতীয় দিনের মতো সামরিক মহড়া চীনের
তাইওয়ানকে ঘিরে গতকাল বুধবার দ্বিতীয় দিনের মতো সামরিক মহড়া করে চীন। তাইওয়ান প্রণালিতে মহড়ার সময় ১০টি চীনা যুদ্ধজাহাজ অংশ নেয়।
প্রথমবারের মতো চীন এ মহড়ার কোড নাম দিয়েছে ‘স্ট্রেইট থান্ডার-২০২৪এ’। তারা বলেছে, দ্বীপটিতে অবরোধ করা এবং নির্ভুলভাবে আঘাত করার ক্ষমতা বাড়াতে মনোনিবেশ করা হয়েছে।
চীনের এ মহড়ার সমালোচনা করেছে তাইওয়ান।
গত মঙ্গলবার তাইওয়ানকে ঘিরে মহড়া শুরু করে চীন। এদিন তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট লাই চিং তেকে ‘পরজীবী’ হিসেবে অভিহিত করেছে চীন।
যুক্তরাষ্ট্রের প্রতিরক্ষামন্ত্রী পিট হেগসেথের এশিয়া সফরের আগে এবং লাইয়ের কথার জবাব দিতে এ মহড়া করে চীন। চীন তাঁর এ সফরের বিরোধিতা করে আসছে। স্বশাসিত তাইওয়ানকে নিজেদের ভূখণ্ড হিসেবে দাবি করে আসছে চীন।
তবে তাইওয়ান বারবার এ দাবি অস্বীকার করেছে। গত বছর গণতান্ত্রিকভাবে তাইওয়ানের প্রেসিডেন্ট নির্বাচিত হন লাই চিং তে। তবে চীন তাঁকে বিচ্ছিন্নতাবাদী বলে অভিহিত করে। তিনি নির্বাচিত হওয়ার পরও চীনের দাবিকে অস্বীকার করেন।