চাঁপাইনবাবগঞ্জের শিবগঞ্জ সীমান্তে হাবিল আলী (৩০) নামে এক বাংলাদেশি যুবককে গুলি করেছেন ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনীর (বিএসএফ) সদস্যরা। আহত যুবক রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। 

শনিবার (২৫ জানুয়ারি) ভোরে শিবগঞ্জ উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের তেলকুপি সীমান্তে হাবিলকে গুলি করা হয়।

হাবিল আলী ওই উপজেলার শাহবাজপুর ইউনিয়নের তেলকুপি মোল্লাটোলা গ্রামের বেলালের ছেলে। 

আহত হাবিলের ভাবি সুলেখা খাতুন দাবি করেছেন, শনিবার ভোরে জমিতে কাজ করছিলেন হাবিল। এ সময় হঠাৎ করে বিএসএফ সদস্যরা কয়েক রাউন্ড গুলি চালায়। হাবিলের বুকে গুলি লাগে। তাকে রাজশাহীতে চিকিৎসার জন্য নেওয়া হয়েছে। 

চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ইনচার্জ কাউসার হাসান বলেছেন, “সকাল ৭টার দিকে বিএসএফের গুলিতে এক জন আহত হয়ে আমাদের হাসপাতালে এসেছিলেন। তাকে প্রাথমিক চিকিৎসাসেবা দিয়ে রামেক হাসপাতালে রেফার করা হয়েছে। হাবিলের বুকে গুলি লেগেছে।” 

এ বিষয়ে ৫৯ বিজিবি ব্যাটালিয়নের অধিনায়ক লেফটেন্যান্ট কর্নেল গোলাম কিবরিয়া জানিয়েছেন, হাবিল চিহ্নিত মাদক কারবারি। বিএসএফের গুলিতে আহত হয়ে তিনি বর্তমানে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছেন। এ ঘটনায় বিএসএফের সঙ্গে পতাকা বৈঠক করে প্রতিবাদ ও নিন্দা জানানো হয়েছে। 

ঢাকা/শিয়াম/রফিক

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ব এসএফ র বগঞ জ

এছাড়াও পড়ুন:

অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা

প্রথম লেগে রোমাঞ্চকর এক লড়াই উপহার দিয়েছিল বার্সেলোনা ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। তবে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে খুব একটা জমেনি লড়াই। ফেরান তোরেসের কল্যাণে প্রথম আধা ঘন্টায় পাওয়া গোল বাকি সময়ে আগলে রাখল বার্সেলোনা। তাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে তিন মৌসুম পর কোপা দেল রের ফাইনালে উঠল কাতালান দলটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সেলোনার অপরাজেয় যাত্রা পৌঁছে গেল টানা ২১ ম্যাচে। লা লিগার শীর্ষে থাকা দলটি এই বছরে এখনও কোনো ম্যাচ হারেনি।

বুধবার রাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। তাতে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ ব্যবধানের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বার্সা। আগামী ২৬ এপ্রিলের শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম স্পেনের দ্বিতীয় সেরা প্রতিযোগিতাটির ফাইনালে দেখা যাবে এল-ক্লাসিকো মহারণ।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। লামিন ইয়ামাল ও মার্কোস ইয়োরেন্তে দুই প্রান্ত দিয়ে চাপ তৈরি করছিলেন। তবে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সেলোনা। মিডফিল্ডে পেদ্রি ও ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ছন্দময় ফুটবল খেলছিলেন, সঙ্গে ফেরমিন লোপেজও আক্রমণে ছিলেন কার্যকর।  

প্রথমার্ধে লামিন ইয়ামালের পাস থেকে বল পেয়ে ফেরান তোরেস গোল করে বার্সাকে এগিয়ে নেন। অ্যাটলেটিকোর গোলরক্ষক হুয়ান মুসোকে পরাস্ত করে দলকে লিড এনে দেন তিনি। এরপর রাফিনহা একাধিক সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ আক্রমণ বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু পরিবর্তন আনে। গ্রিজমানের শট পোস্টের বাইরে চলে যায়, আর আলেক্সান্দার সরলথ সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন। বার্সেলোনা এরপর রক্ষণ সামলে খেলতে শুরু করে এবং প্রতিপক্ষকে গোলের সুযোগ দিতে চায়নি।

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সরলথ গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। অ্যাটলেটিকো শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেও সমতা ফেরাতে পারেনি, বার্সেলোনা তাদের লিড ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ