‘ফ্যামিলি প্ল্যানিং সোশ্যাল মার্কেটিং প্রজেক্ট’ হিসেবে এসএমসির যাত্রা শুরু। পথচলার আজ ৫০ বছর পূর্ণ করছে প্রতিষ্ঠানটি। এ উপলক্ষে সমকালকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে এসএমসির ব্যবস্থাপনা পরিচালক ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা তসলিম উদ্দিন খান জানিয়েছেন প্রতিষ্ঠানটির সফলতার নানা দিক। উঠে এসেছে ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথাও। সাক্ষাৎকারটি নিয়েছেন সমকালের স্টাফ রিপোর্টার তবিবুর রহমান।

সমকাল: দেশে প্রথম জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী নিয়ে আসে এসএমসি। এখন এই পণ্যের বাজার কতটুকু এসএমসির দখলে?
তসলিম উদ্দিন খান: দেশের জনসংখ্যা নিয়ন্ত্রণে এসএমসির জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর বড় ভূমিকা আছে। দেশে জনসংখ্যার ৬৪ শতাংশ কোনো না কোনো জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহার করে। তাদের মধ্যে ৯ শতাংশ ব্যবহার করে সনাতন পদ্ধতি। বাকি ৫৫ শতাংশ আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণসামগ্রী বিশেষ করে খাওয়ার বড়ি, কনডম, ইনজেকশন ও ইমপ্ল্যান্ট ব্যবহার করে থাকে। এর অর্ধেকই সরবরাহ করে সোশ্যাল মার্কেটিং কোম্পানি (এসএমসি)। বাংলাদেশে দম্পতি আছে তিন কোটি। দেড় কোটির বেশি দম্পতি আধুনিক জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহার করে। এর মধ্যে ৯০ লাখ দম্পতি এসএমসি সরবরাহ করা সামগ্রী ব্যবহার করে থাকে। ১৯৭৫ সালে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী নিয়ে আমাদের যখন যাত্রা শুরু হয় তখন সরকারি কর্মসূচির মাধ্যমে বিনামূল্যে এসব সামগ্রী বিতরণ করা হতো। বেসরকারিভাবে কোনো প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠেনি। বাংলাদেশে জনসংখ্যা বাড়তে থাকলে সরকারি ও বেসরকারি উদ্যোগে বড় পরিসরে কাজ শুরু হয়। 
সমকাল: শুরুর দিকে জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহারে মানুষের সাড়া কেমন ছিল?
তসলিম উদ্দিন খান: শুরুর দিকে মানুষ এসব সামগ্রী ব্যবহার করত না। মোট জনসংখ্যার মাত্র ১০ শতাংশ মানুষ জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রী ব্যবহার করত। কারণ, সেই সময় মানুষের মধ্যে ট্যাবু ও নেগেটিভ ধারণা ছিল। ধীরে ধীরে পরিবর্তন হয়েছে। গত ৫০ বছরে এসব সামগ্রী ব্যবহার বেড়েছে ৫৪ শতাংশ। বর্তমানে ৬৪ শতাংশ দম্পতি এ পদ্ধতি ব্যবহার করে। এটি সম্ভব হয়েছে সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠান একসঙ্গে এগিয়ে আসার কারণে। জন্মনিয়ন্ত্রণ সামগ্রীর মধ্যে সর্বোচ্চ ব্যবহার হচ্ছে কনডম।
সমকাল: এসএমসির শীর্ষ পণ্য কোনটি?
তসলিম উদ্দিন খান: এসএমসির খাওয়ার স্যালাইন সবচেয়ে জনপ্রিয় পণ্য। বছরে দেশে ১৬০ কোটি প্যাকেট স্যালাইনের চাহিদা রয়েছে। এর প্রায় ৯০ শতাংশ সরবরাহ করে থাকে এসএমসি। বছরে প্রায় ১৫০ কোটি খাওয়ার স্যালাইনের প্যাকেট বিক্রি করি। ৫০ বছরে এসএমসির সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ পণ্য খাওয়ার স্যালাইন। খাওয়ার স্যালাইন ও পরিবার পরিকল্পনা সামগ্রী ছাড়াও এসএমসির অনেক পণ্য বাজারে আছে। এর মধ্যে রয়েছে অপুষ্টি পাউডার, ইলেকট্রোলাইট ড্রিংকস, কৃমিনাশক বড়ি, স্যানিটারি ন্যাপকিন, বেবি ডায়াপার, ফর্টিফায়েড বিস্কুট।
সমকাল: আগামী দিনে আর কী নিয়ে কাজ করতে চান?
তসলিম উদ্দিন খান: আগামী দিনে মাতৃস্বাস্থ্য, কিশোরী স্বাস্থ্য, বাল্যবিয়ে কমানো এসব বিষয়ে জোর দিয়ে কাজ করবে এসএমসি। কারণ, এখনও ১০০ জন মায়ের মধ্যে ১৬ জন অপুষ্টিতে ভোগেন। এটি কমিয়ে আনা আমাদের লক্ষ্য। এর বাইরেও শিশুর পুষ্টির বিষয়ও আছে। দেশে বছরে জন্ম নেয় ১০ লাখের বেশি শিশু। তাদের মধ্যে বড় একটি অংশ অপুষ্টি নিয়ে জন্মগ্রহণ করে। এটি দূর করতেও আমরা কাজ করছি। 
এখন ১২০টি উপজেলায় এসব নিয়ে কাজ চলমান রয়েছে। দেশের প্রায় প্রতিটি 
পরিবারে এসএমসির কোনো না কোনো পণ্য পৌঁছেছে। সারাদেশে আট লাখ স্থান 
(আউটলেট) থেকে এসএমসির পণ্য বিক্রির জন্য বিতরণ করা হয়। 
সমকাল: ব্যবসা পরিচালনায় কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছেন কিনা?
তসলিম উদ্দিন খান: এসএমসি অলাভজনক একটি প্রতিষ্ঠান। ২০১৪ সালে এসএমসি এন্টারপ্রাইজ লিমিটেড নামে একটি লাভজনক প্রতিষ্ঠান গঠন করা হয়। সেখান থেকে যে লাভ আসে, তা জনস্বাস্থ্য কর্মসূচিতে বিনিয়োগ করা হয়। তাই আমরা আগামীতে কোনো চ্যালেঞ্জ দেখছি না। নতুন ব্যবসায়ীরা এলে স্বাস্থ্যখাত উন্নতি হবে। এটি আমাদের প্রত্যাশা।
সমকাল: দেশে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ বাড়ছে– এটি এড়াতে করণীয় কী?
তসলিম উদ্দিন খান: দেশে অনাকাঙ্ক্ষিত গর্ভধারণ বেড়েছে। এটি পরিত্রাণে আমাদের নোরিক্স নামে একটি পিল রয়েছে। এটি ঝুঁকিহীনভাবে কাজ করে। এটি এরইমধ্যে জনপ্রিয়তা পেয়েছে। কারণ, মানুষ এসএমসিকে আস্থার সঙ্গে গ্রহণ করেছে। অন্য কোম্পানির পণ্যের চেয়ে আমাদের পণ্যের দামও অনেক কম।

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: জনস খ য ক জ কর সমক ল সরক র

এছাড়াও পড়ুন:

ফিলিস্তিনিরা হামাসের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবেন?

এ সপ্তাহের শুরুর দিকে যুদ্ধবিধ্বস্ত গাজার সড়কে কয়েক শ ফিলিস্তিনি নেমে এসে ইসরায়েলি বর্বর গণহত্যার বিরুদ্ধে বিক্ষোভ করেন। এ সময় তাঁরা অবরুদ্ধ গাজা থেকে হামাসের নিয়ন্ত্রণ অবসানের দাবি জানান। উত্তর গাজার বেইত লাহিয়ায় অনুষ্ঠিত হওয়া বৃহত্তম একটা প্রতিবাদ, যেখানে ৫০০ জন বিক্ষোভকারী অংশ নেন।

কিছুসংখ্যক মানুষ হামাস ও ফিলিস্তিন প্রতিরোধ আন্দোলনের বিরুদ্ধে স্লোগান দেন। বক্তাদের মধ্যে একজন বলেন, ‘আমরা বেইত লাহিয়ার মানুষেরা শান্তির পক্ষে। আমরা শান্তি ভালোবাসি এবং আমরা চাই এই যুদ্ধের অবসান হোক।’

ইসরায়েলি, ইসরায়েলপন্থী মিডিয়া এবং ফিলিস্তিন প্রতিরোধ আন্দোলনের বিরুদ্ধে থাকা সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের প্রভাবশালী ব্যক্তিত্বরা ফিলিস্তিনিদের এই প্রতিবাদকে ব্যবহার করে। এটিকে ফিলিস্তিন প্রতিরোধ আন্দোলনকে, বিশেষ করে হামাসকে, আক্রমণ করার একটি হাতিয়ার হিসেবে ব্যবহার করে।  

এমনকি ইসরায়েলি প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইসরায়েল কার্টজ এই বিক্ষোভে উল্লাস প্রকাশ করেন। তিনি বলেন যে বর্ণবাদী রাষ্ট্র হামাসকে পরাজিত করার প্রচেষ্টায় তাদেরকে বাজি ধরছে।

পাঁচ মাস আগে ইসরায়েলে একজন সাংবাদিক বলেছিলেন, ইসরায়েলি লোকেরা তাঁদের ইতিহাসের দীর্ঘতম যুদ্ধ নিয়ে বিরক্ত এবং সে কারণে তাঁরা সরকারের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করছেন এবং যুদ্ধ শেষ করার দাবি জানাচ্ছেন। এরপর তিনি আমাকে জিজ্ঞাসা করছিলেন, ‘গাজার লোকেরা কবে হামাসের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবেন?’ তিনি আমাকে বলেছিলেন, ইসরায়েলি নেতারা সেই মুহূর্তের জন্য অপেক্ষা করছেন।

প্রকৃতপক্ষে, গাজায় ইসরায়েলি গণহত্যা চলছে। ইসরায়েলি নেতারা ও তাঁদের মিত্ররা অবরুদ্ধ ছিটমহলে ইসরায়েলি সেনারা যেসব যুদ্ধাপরাধ করে চলেছেন, তার জন্য হামাস এবং ফিলিস্তিন প্রতিরোধ আন্দোলনকে দায়ী করে চলেছেন। গাজাকে ইসরায়েলি রাষ্ট্রের সঙ্গে অন্তর্ভুক্ত করার তাঁদের পূর্বপরিকল্পনায় ন্যায্যতা দেওয়ার জন্য তাঁরা এটা সাজিয়েছেন।

ফিলিস্তিনিরা যদি তাঁদের অস্ত্র ত্যাগ করেন এবং বৈধ প্রতিরোধ বন্ধ করেন, তাহলে সেটা হবে না। প্রতিরোধ আমাদের মর্যাদা, প্রতিরোধ আমাদের সম্মান। আমাদের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের একমাত্র রাস্তা প্রতিরোধ।

একজন ফিলিস্তিনি, আরেকজন ফিলিস্তিনি—ইসরায়েল কখনো এভাবে ভাগ করে না। তারা সব ফিলিস্তিনিকে শত্রু বলে মনে করে এবং সবাইকে নির্মূল করা উচিত বলে মনে করে। কারণ হলো, তাঁদের জোর করে নিজেদের বাড়িঘর থেকে উচ্ছেদ করার পরও, তাঁদের জমি চুরি করার পরও এবং তাঁদের বিরুদ্ধে গণহত্যা চালানোর পরও তাঁরা প্রতিরোধ ছেড়ে দেননি।

একটা বড় অংশের লোকেদের স্মৃতিশক্তি খুবই স্বল্পমেয়াদি। তাঁরা আমাদের বিরুদ্ধ ইসরায়েলি নৃশংসতাগুলো এবং ইসরায়েলি নেতাদের অপমানজনক মন্তবগুলো এবং মিথ্যা দাবিগুলো মনে রাখতে অক্ষম। অতএব তাঁরা সেই ইসরায়েলি নেতাকে জানতে আগ্রহী না–ও হতে পারেন, যিনি বলেছিলেন, ‘ফিলিস্তিনিদের সেরা বন্ধু হলো সেই ফিলিস্তিনি, যিনি মারা গেছেন।’

গণহত্যা শুরুর পর একটি টেলিভিশন ভাষণে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ইহুদি বাইবেল থেকে ধার নিয়ে ফিলিস্তিনিদের ‘আমালেক’ বলেছিলেন। এটি ইঙ্গিত করে যে সেখানে একটি আদেশ ছিল, যা নির্ধারণ করে যে ফিলিস্তিনিদের অবশ্যই ইহুদিদের দ্বারা ধ্বংস করতে হবে।

নেতানিয়াহুর সাবেক প্রতিরক্ষামন্ত্রী ইয়োভ গ্যালান্ত ফিলিস্তিনিদের ‘নরপশু’ বলে বর্ণনা করেছিলেন। এর মাধ্যমে গাজায় বিদ্যুৎ, গ্যাস ও পানি সরবরাহ বন্ধ করে দেওয়ার যৌক্তিকতা দিতে চেয়েছিলেন।

আন্তর্জাতিক আইন অনুযায়ী, একটি দখলকৃত জায়গায় এ সবকিছুর সরবরাহ অবশ্যই জনগণকে বিনা মূল্যে দিতে হবে।

এরপর নেসেটের (ইসরায়েলের আইনসভা) উপ–স্পিকার নিসিম ভাতুরি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে লেখেন, ইসরায়েলের একটি সাধারণ লক্ষ্য হচ্ছে, ‘গাজাকে দুনিয়ার মানচিত্র থেকে মুছে ফেলা।’ গাজার এতিহ্যবিষয়ক মন্ত্রী আমিচায় ইলিয়াহু গাজায় পারমাণবিক বোমা ফেলার পরামর্শ দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন, গাজায় একজনও বেসামরিক নাগরিক নেই।

গাজার বাসিন্দাদের জোর করে উচ্ছেদ করে দেওয়ার যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মন্তব্যের সঙ্গে সুর মিলিয়ে ইসরায়েলের যোগাযোগমন্ত্রী শোহলো কারহি ফিলিস্তিনিদের দ্রুত বের করে দেওয়ার দাবি জানান। তিনি বলেন, বিদ্যুৎ ও পানি সরবরাহ বন্ধ করে দিলে ফিলিস্তিনিরা মিসরে যেতে বাধ্য হবেন।

ইসরায়েলি নেতাদের কাছে ফিলিস্তিনি মানেই শত্রু। তাঁরা ফিলিস্তিনিদের নির্বিচারে হত্যা করছেন। কোনো প্রতিরোধযোদ্ধা নেই, সেটা জানার পরও তাঁরা সেই সব এলাকাকে টার্গেট করছেন।

বিক্ষোভকারীরা শান্তির দাবি জানিয়েছেন। তাঁরা হয়তো ভুলে গেছেন যে ১৯৯৩ সাল থেকে আমাদের শান্তিতে বাস করা উচিত ছিল। কেননা, ফিলিস্তিনি প্রতিরোধ আন্দোলন ফাতাহকে নিরস্ত্রীকরণের মধ্য দিয়ে ১৯৯৩ সালে পিএলও ওসলো শান্তিচুক্তিতে স্বাক্ষর করেছিল। আমাদের তাতে কী হয়েছে? তারা আমাদের খুন করা অব্যাহত রেখেছে।

ফিলিস্তিনিদের প্রমাণ করতে হবে না যে তারা শান্তিপূর্ণ লোক। সেটা প্রমাণ করতে হবে ইসরায়েলিদের। যা–ই হোক, বিশ্বের ভণ্ড পরাশক্তি ও আরব নেতারা যতক্ষণ ইসরায়েলকে সমর্থন করে যাবেন, ততক্ষণ পর্যন্ত সেটা হবে না।

ফিলিস্তিনিরা যদি তাঁদের অস্ত্র ত্যাগ করেন এবং বৈধ প্রতিরোধ বন্ধ করেন, তাহলে সেটা হবে না। প্রতিরোধ আমাদের মর্যাদা, প্রতিরোধ আমাদের সম্মান। আমাদের স্বাধীনতা পুনরুদ্ধারের একমাত্র রাস্তা প্রতিরোধ।

মোতাসেম আ দল্লউল গাজার মিডল ইস্ট মনিটরের সংবাদদাতা
মিডল ইস্ট মনিটর থেকে নেওয়া, ইংরেজি থেকে সংক্ষিপ্তাকারে অনূদিত

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • শরীয়তপুরের এ সমস্যার দ্রুত সমাধান চাই
  • নিহত বেড়ে ৩০০৩, ত্রাণ সরবরাহে যুদ্ধবিরতি ঘোষণা জান্তার  
  • ত্রাণবাহী গাড়ি লক্ষ্য করে গুলি ছুঁড়ছে মিয়ামারের সেনারা
  • আজ যেসব এলাকায় ১২ ঘণ্টা গ্যাস সরবরাহ ব্যাহত হতে পারে
  • ক্রেতা ৭০ টাকায় লেবু খাবেন না, এর কমে বেচলে বিক্রেতার লাভ হবে না
  • ফিলিস্তিনিরা হামাসের বিরুদ্ধে বিদ্রোহ করবেন?
  • বিশ্ববাজারে সোনার দামের নতুন রেকর্ড
  • এপ্রিলেও একই থাকছে জ্বালানি তেলের দাম
  • রামুতে গোলাগুলিতে এক ব্যক্তি নিহত, অস্ত্র উদ্ধার
  • জ্বালানি তেলের দাম অপরিবর্তিত