গানের পাশাপাশি অভিনয়েও অভিষেক হয়েছে সংগীতশিল্পী সাবরিনা পড়শীর। চলচ্চিত্র ও টিভি নাটক— দুই মাধ্যমে অভিনয় করছেন। জুটি বেঁধেছেন তারকা অভিনেতাদের সঙ্গে।
ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে একটি একক নাটকে অভিনয় করছেন পড়শী। এ নাটকে তার নায়ক হিসেবে অভিনয় করছেন তৌসিফ মাহবুব। প্রথমবার জুটি বেঁধে অভিনয় করছেন পড়শী-তৌসিফ। ‘মনেরই রঙে রাঙিয়ে’ শিরোনামের নাটকটি নির্মাণ করছেন কে এম সোহাগ রানা।
বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) থেকে সিলেটের জাফলংয়ে নাটকটির শুটিং শুরু হয়েছে। দৃশ্যধারণের কাজ চলবে ২৭ জানুয়ারি পর্যন্ত। গল্পের প্রয়োজনে জাফলংয়ের প্রাকৃতিক সৌন্দর্যে শুটিং হচ্ছে।
আরো পড়ুন:
চলচ্চিত্রে গাইলেন মোশাররফ করিম
দুই নায়িকাকে নিয়ে জায়েদ খানের ডিগবাজি (ভিডিও)
এ নাটকের গল্প প্রসঙ্গে পরিচালক কে এম সোহাগ রানা বলেন, “যেহেতু ভালোবাসা দিবস উপলক্ষে নাটকটি বানাচ্ছি, সেক্ষেত্রে প্রেমের গল্প তো বটেই। একইসঙ্গে এটি প্রেম জেগে ওঠার গল্প।”
কেবল অভিনয় নয়, ‘মনের রঙে রাঙিয়ে’ নাটকের জন্য একটি গানও গেয়েছেন পড়শী। গানটিতে দ্বৈতভাবে গেয়েছেন আরফিন রুমি ও পড়শী। গানটি রচনা ও সুর করেছেন রুমি।
নাটকটিতে আরো অভিনয় করছেন— এমএনইউ রাজু, মাহমুদুল ইসলাম মিঠু, সাদনিমা প্রমুখ। সবকিছু ঠিক থাকলে আগামী ১৪ ফেব্রুয়ারি সিনেমাওয়ালার ইউটিউব চ্যানেলে নাটকটি মুক্তি পাবে।
ঢাকা/শান্ত
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
কলকাতায় ঈদের নামাজের আগে স্বাধীন ফিলিস্তিনির দাবিতে মিছিল
সারা ভারতসহ পশ্চিমবঙ্গে পালিত হচ্ছে ঈদুল ফিতর। এ উপলক্ষে বিভিন্ন মসজিদ ও ঈদগাহে ঈদের জামাতে সামিল হন ধর্মপ্রাণ মুসলিমরা। সকাল সাড়ে নয়টার দিকে ঈদের সবচেয়ে বড় জামাত অনুষ্ঠিত হয় কলকাতার রেড রোডে। নামাজে ইমামতি করে কাজি ফজলুর রহমান। লাখো মুসল্লি এতে অংশ নেন। এছাড়াও নাখোদা মসজিদ, টিপু সুলতান মসজিদ, পার্ক সার্কাস, ময়দান, খিদিরপুরসহ রাজ্যের অসংখ্য মসজিদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত হয়। নামাজ শেষেই একে অপরকে আলিঙ্গন, কুশল বিনিময় করেন ধর্মপ্রাণ মুসল্লিরা।
তবে ঈদের নামাজ শুরুর আগেই স্বাধীন ফিলিস্তিনি রাষ্ট্রের স্বীকৃতি দাবি করে কলকাতায় সংহতি মিছিলে অংশ নেন মুসল্লিরা। হাতে ব্যানার এবং স্লোগানে স্লোগানে মুখর ছিল মিছিলটি। বিশাল মিছিল নিয়ে কলকাতার রেড রোডে প্রবেশ করেন মুসল্লিরা। বড়দের পাশাপাশি অনেক বাচ্চারাও সেই মিছিলে শামিল হয়।
ওই মিছিলে অংশগ্রহণকারী শেখ আমির নামে এক মুসুল্লি জানান, ‘আজকে আমাদের খুশির দিন, আনন্দের দিন। কিন্তু ফিলিস্তিনে আমাদের ভাই-বোনেদের সঙ্গে যে অন্যায় হচ্ছে তার প্রতিবাদ জানাচ্ছি। তারাও যেন শান্তিতে থাকতে পারেন। আমরা যেভাবে পরিবারের সঙ্গে ঈদ পালন করছি, ঠিক সেভাবে তারাও যেন পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে ঈদ পালন করতে পারেন। আমি যেমন আমার বাচ্চাকে সঙ্গে নিয়ে এসে নামাজ আদায় করছি, ঠিক তারাও যেমন এ রকম করতে পারেন। কিন্তু তাদের সঙ্গে অত্যাচার এবং জুলুম হচ্ছে। নিরপরাধ বাচ্চাদের হত্যা করা হচ্ছে সেটা কি অপরাধ নয়? ইসরায়েলের উচিত ওই বাচ্চাদের সঙ্গে মানবিক আচরণ করা। ইসরায়েলের আক্রমণে যেসব বাচ্চারা প্রাণ হারিয়েছে তাদের প্রতি সংহতি জানিয়ে আমরা আজ রাস্তায় নেমেছি।’
পরে রেড রোডের ঈদের নামাজে অংশ নেন পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জি। সঙ্গে ছিলেন রাজ্যের মন্ত্রী জাভেদ খান, তৃণমূলের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক ও মমতার ভাতিজা অভিষেক ব্যানার্জি, কলকাতার পুলিশ কমিশনার মনোজ ভার্মা প্রমুখ।
পশ্চিমবঙ্গের পাশাপাশি ঈদ পালিত হচ্ছে দিল্লি, লখনৌ, হায়দ্রাবাদ, মুম্বাই, জম্মু-কাশ্মীর, ভোপাল, পাটনাসহ দেশের প্রতিটি শহরে। দিল্লির জামা মসজিদে হাজার হাজার মুসল্লি নামাজে অংশ নেন।
সম্প্রতি মহারাষ্ট্রের নাগপুরে দুইটি গোষ্ঠীর সংঘর্ষের পরিপ্রেক্ষিতে ঈদ উপলক্ষে কড়া নিরাপত্তার ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছিল নাগপুর, মুম্বাইসহ মহারাষ্ট্রের বড় শহরগুলোতে। নাশকতা এড়াতে দিল্লিসহ প্রতিটি গুরুত্বপূর্ণ শহরেই ছিল পুলিশের কড়া নজরদারি।
এছাড়া বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের নেতারাও এই মসজিদে নামাজ আদায় করেন। নেতাকর্মীদের সঙ্গে শুভেচ্ছা বিনিময় করতেও দেখা যায়।