‘কর্নেল অব দ্য রেজিমেন্ট’ হলেন সেনাবাহিনী প্রধান
Published: 24th, January 2025 GMT
সেনাবাহিনীর সামরিক রীতি অনুযায়ী ঐতিহ্যবাহী ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ১৭তম ‘কর্নেল অব দ্য রেজিমেন্ট’ হিসেবে অভিষিক্ত হলেন সেনাবাহিনী প্রধান জেনারেল ওয়াকার-উজ-জামান। বৃহস্পতিবার আন্তঃবাহিনী জনসংযোগ পরিদপ্তরের (আইএসপিআর) সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।
এতে বলা হয়, চট্টগ্রাম ‘দি ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টাল সেন্টারের’ (ইবিআরসি) শহীদ এম আর চৌধুরী প্যারেড গ্রাউন্ডে অভিষেক অনুষ্ঠানে সামরিক রীতি অনুযায়ী ঐতিহ্যবাহী ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের অভিভাবকত্ব গ্রহণ করেন সেনাপ্রধান।
সেনাবাহিনী প্রধান শহীদ এম আর চৌধুরী প্যারেড গ্রাউন্ডে পৌঁছলে তাঁকে প্রচলিত সামরিক রীতি অনুযায়ী আনুষ্ঠানিকভাবে অভিবাদন জানানো হয়। ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের একটি চৌকস দল তাঁকে গার্ড অব অনার প্রদান করে। এর পর ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের জ্যেষ্ঠতম অধিনায়ক এবং জ্যেষ্ঠতম মাস্টার ওয়ারেন্ট অফিসার সেনাপ্রধানকে ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ‘কর্নেল র্যাংক ব্যাজ’ পরিয়ে দেন। এ সময় সেনাপ্রধান উপস্থিত সবার উদ্দেশে তাঁর দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন। পরে তিনি ইবিআরসির কোয়ার্টার গার্ড পরিদর্শন করেন এবং স্মৃতি কানন প্রাঙ্গণে বৃক্ষরোপণ করেন।
অনুষ্ঠান শেষে সেনাপ্রধান ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ৩৭তম বাৎসরিক অধিনায়ক সম্মেলনে স্বাগত বক্তব্য দেন। এই রেজিমেন্টের উন্নয়ন, পেশাগত দক্ষতা বৃদ্ধি ও দেশ-বিদেশে পরিচালিত কার্যক্রমের বিষয়ে মতবিনিময় করেন।
অনুষ্ঠানে সেনাসদর, আর্মি ট্রেনিং অ্যান্ড ডকট্রিন কমান্ড, স্থানীয় ফরমেশন এবং ইস্ট বেঙ্গল রেজিমেন্টের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাসহ বিভিন্ন পদবির সদস্য এবং গণমাধ্যম ব্যক্তিরা উপস্থিত ছিলেন।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
ঈদের শাড়ি পরে রান্নার সময় আগুন লেগে গৃহবধূর মৃত্যু
চট্টগ্রামের আনোয়ারায় ঈদের দিন নতুন শাড়ি পরে রান্না করার সময় আগুন লেগে ঊর্মি আক্তার নামে এক গৃহবধূর মৃত্যু হয়েছে। গত সোমবার সকালে আগুনে দগ্ধ হন ঊর্মি। ওইদিন রাতে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তাঁর মৃত্যু হয়।
ঊর্মি (২৫) উপজেলার হাইলধর ইউনিয়নের খাসখামা গ্রামের দেয়াঙ আলী চৌধুরীবাড়ির নঈম উদ্দিন ওরফে বাঁচা মিয়ার স্ত্রী।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, ঈদের দিন নতুন শাড়ি পরা অবস্থায় ঊর্মি রান্না করছিলেন। তখন অসাবধানতাবশত চুলা থেকে শাড়িতে আগুন ধরে যায়। এক পর্যায়ে তিনি রান্নাঘর থেকে বের হয়ে চিৎকার করেন। পরে পরিবারের সদস্য ও প্রতিবেশীরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁকে উদ্ধার করে চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেন। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রাত ১১টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়।
বিষয়টি নিশ্চিত করে স্থানীয় ইউপি সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম জানান, শাড়িতে আগুন লেগে গৃহবধূ ঊর্মির শরীরের প্রায় ৮০ শতাংশ পুড়ে যায়।
আনোয়ারা থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মো. তৈয়্যবুর রহমান জানান, ওই গৃহবধূর মরদেহ ময়নাতদন্তের জন্য চট্টগ্রাম মেডিকেল কলেজ মর্গে রাখা হয়েছে।