জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানের মর্যাদায় উন্নীত করার সুপারিশ অত্যন্ত  গুরুত্বপুর্ণ ও সময়োপযোগী বলে মনে করে জাতীয় মানবাধিকার কমিশন অফিসার্স অ্যাসোসিয়েশন। 

আজ বৃহস্পতিবার সংগঠনের সভাপতি কাজী আরফান আশিক ও মহাসচিব এম রবিউল ইসলাম স্বাক্ষরিত এক বিজ্ঞপ্তিতে এ কথা জানানো হয়।

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, সাংবিধানিক সংস্থায় পরিণত হলে সরকারের বিভিন্ন দপ্তর বা সংস্থাসহ সব মহলে জাতীয় মানবাধিকার কমিশনের সুপারিশের গুরুত্ব আরও বৃদ্ধি পাবে। ফলে মানবাধিকার সুরক্ষায় জনমানুষের প্রত্যাশা পুরণে কমিশন আরও কার্যকর ভুমিকা পালনে সক্ষম হবে। 

এতে বলা হয়, জাতীয় মানবাধিকার কমিশনকে সাংবিধানিক প্রতিষ্ঠানে রুপান্তরের মাধ্যমে রাষ্ট্রের মানবাধিকার সুরক্ষার অংগীকার বাস্তবায়নে পুর্ণ সদিচ্ছার প্রতিফলন ঘটবে। 

সংবিধান সংস্কার কমিশনকে সাধুবাদ জানিয়ে অফিসার্স অ্যসোসিয়েশন থেকে বলা হয়, মানবাধিকার লঙ্ঘনের বিভীষিকাময় চর্চা বন্ধে ও মানবাধিকার সংস্কৃতি গড়ে তোলার লক্ষ্যে কমিশনকে শক্তিশালী করা অত্যাবশ্যকীয়। সংবিধান সংস্কার কমিশনের সুপারিশ বাস্তবায়নে সব মহল সচেষ্ট হবেন বলে প্রত্যাশা করে সংগঠনটি।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

আমাদের আত্মা শুদ্ধ করতে হবে, ঈমান ঠিক করতে হবে : মাজেদুল 

সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির সভাপতি মাজেদুল ইসলাম বলেছেন, আমরা অনেকেই নামাজ পড়ি, কিন্তুু সুদখাই, আমরা নামাজ পড়ি ঘুষখাই, আমরা নামাজ পড়ি নেশার সাথে জড়িত, আমরা নামাজ পড়ি মাদক ব্যবসা করি, আমরা নামাজ পড়ি আবার অন্যেও হক মেরে খাই, আমরা দুর্বল মানুষের উপর জুলুম করি, আমি মনে করি আমাদের এই নামাজ কোন কাজে আসবে না।

আগে আমাদের আত্মাশুদ্ধ করতে হবে, ঈমান ঠিক করতে হবে। আমার মনের ভিতরে এমন বাসনা আনতে হবে যে আমি নামাজ পড়বো মানুষের হক মেরে খাবোনা, আমি নামাজ পড়বো সুদ খাবোনা, আমি নামাজ পড়বো ঘুষ খাবোনা, আমি দুর্বলের উপর জুলুম করবোনা।

বৃহস্পতিবার (৩০ জানুয়ারি) রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের জালকুড়ি দক্ষিনপাড়া যুব ও কিশোর সংঘের উদ্যোগে কবরবাসীদের রুহের মাগফেরাত কামনায় ১৫তম বার্ষিক ওয়াজ ও দোয়া মাহফিল অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি একথা বলেন।

এসময় তিনি আরো বলেন, আজকে আমারা এখান থেকে ওয়াজ শুনে গেলাম জামাতের সাথে ফজর নামাজ পড়লাম না, তাহলে এই ওয়াজ শুনে আমাদের কোন ফয়দা হবে না। আমরা এখানে এসেছি শিখতে, আমরা এখান থেকে শিখবো এবং তা পালন করবো। আমি জানি এই এলাকায় অনেকেই অসহায়দের উপর জুলুম করে, অনেকেই মাদক ব্যবসা করে।

আল্লাহতালা যদি আমাকে কোনদিন সুযোগদেন আমি কিন্তুু আপনাদের ছাড়বো না, নেশার সাথে আমি কোন আপোষ করবোনা। নেশার ব্যবসা যারা করে তাদের সাথে আমি কোন আপোষ করবোনা, তাদের কোন ছাড় দেওয়া হবে না। আমি যতোদিন বেচে থাকবো আপনাদের সেবা করে যাবো, আপনারা আমার জন্য দোয়া করবেন আমি যতোদিন বেচে থাকবো এলাকার উন্নয়নে কাজ করবো।

বাইতুল আমান জামে মসজিদের সভাপতি হাজী বিল্লাল হোসেনের সভাপতিত্বে উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান বক্তা হিসেবে ওয়াজ করেন মাওলানা গাজী সোলাইমান আল-কাদরী। বিশেষ বক্তা হিসেবে ওয়াজ করেন হযরত মাওলানা মুফতি বেলাল আহমদ ও হাফেজ মাওলানা মুফতি মোঃ আমানুল্লাহ।

এতে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন বাইতুল আতিক জামে মসজিদের সভাপতি মোঃ ওমর আলী, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি এড্যাঃ মাসুদুজ্জামান মন্টু, সিদ্ধিরগঞ্জ থানা বিএনপির যুগ্ম-সম্পাদক কামরুল হাসান শরীফ, ৯নং ওয়ার্ড বিএনপির সহ-সভাপতি শাহজাহান, হাজী নুরুল ইসলাম ও লোকমান হোসেন প্রমূখ। মাহফিল পরিচালনা করেন মাওলানা মিজানুর রহমান।
 

সম্পর্কিত নিবন্ধ