যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় (যবিপ্রবি) স্কুল অ্যান্ড কলেজে দিনব্যাপী কোয়ান্টাম সাইন্স ফেস্ট-২০২৫ অনুষ্ঠিত হয়েছে। এতে যশোরের বিভিন্ন স্কুলের শিক্ষার্থীরা বিভিন্ন উদ্ভাবনী প্রকল্প প্রদর্শন করেন।

বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) বেলা ১০টায় যবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজ মাঠে বিশ্ববিদ্যালয়ের সামাজিক সংগঠন ‘উন্নত মম শির’ এর উদ্যোগে এ মেলার আয়োজন করা হয়। মেলায় আটটি স্কুল ও মাদরাসার অন্তত ৩০০ জন শিক্ষার্থী কুইজ ও গেমস প্রতিযোগিতায় অংশ নেন।

এছাড়া মেলা উপলক্ষে ক্যারিয়ার ও স্বাস্থ্য বিষয়ক সেমিনারের আয়োজন করা হয়। সেমিনারে দিকনির্দেশনামূলক বক্তব্য দেন যবিপ্রবির পুষ্টি ও খাদ্য প্রযুক্তি বিভাগের সহকারী অধ্যাপক ড.

মো. তানভীর আহমেদ ও আইসিটি সেলের পরিচালক ড. মো. ফরহাদ বুলবুল। 

এ বিষয়ে যবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজের অধ্যক্ষ ড. মো. মেহেদী হাসান বলেন, “এত সুন্দর বিজ্ঞান মেলার আয়োজন করার জন্য আয়োজক কমিটিকে অনেক ধন্যবাদ জানাই। আমি মনে করি যেভাবে যবিপ্রবি বাংলাদেশের একটি প্রথম সারির প্রতিষ্ঠান হিসেবে জায়গা করে নিয়েছে, তেমনি যবিপ্রবি স্কুল অ্যান্ড কলেজও একদিন দেশের প্রথম সারির একটি প্রতিষ্ঠান হিসেবে জায়গা করে নেবে।”

উন্নত মম শিরের আহ্বায়ক মো: মাসুম বিল্লাহ বলেন, “আমরা এত বেশি সাড়া পাব ভাবিনি। স্কুলের ছোট শিশুরাও এতো সুন্দর বিজ্ঞানমুখী আইডিয়ার প্রকল্প বানাতে পারে, তা অভাবনীয়। যেসব শিক্ষক ও শিক্ষার্থীরা আমাদের সহযোগিতা করেছেন, তাদের প্রতি অনেক কৃতজ্ঞতা। আমরা চাই, গ্রামের শিক্ষার্থীদের মাঝে বিজ্ঞানের আলো ছড়িয়ে দিতে। আমরা খুব শীঘ্রই আরো কিছু সৃজনশীল উদ্যোগ হাতে নিয়েছি, যা শিক্ষার্থীদের বিজ্ঞানচর্চায় আরো আগ্রহী করে তুলবে।”

অনুষ্ঠানে শিক্ষার্থীদের প্রকল্প পরিদর্শন করেন বিশ্ববিদ্যালয়ের বিভিন্ন অনুষদ ও বিভাগের শিক্ষকবৃন্দ। বিকেল ৪টায় সমাপনী অনুষ্ঠানে যশোরের বিভিন্ন প্রান্ত থেকে আগত ক্ষুদে বিজ্ঞানীদের প্রকল্প প্রদর্শনী ও কুইজ প্রতিযোগিতার পুরস্কার প্রদান করা হয়।

ঢাকা/ইমদাদুল/মেহেদী

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর স ক ল অ য ন ড কল জ প রকল প

এছাড়াও পড়ুন:

ভিডিও কলে রেখে প্রেমিকের আত্মহত্যা, গৃহবধূকে গাছে বেঁধে রাখলেন এলাকাবাসী

টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে রাসেল নামে এক কিশোর ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

রাসেল (১৫) সদর উপজেলার দরুন এলাকার চান মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রেমিকা গৃহবধূকে গাছে বেঁধে রাখেন স্থানীয়রা।

স্বর্ণালী নামে স্থানীয় এক নারী জানান, রাসেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এক নারীর। এই নারীর কয়েক বছর আগে বিয়ে হয়েছে। তাঁর স্বামী কলেজের শিক্ষক। তাদের ঘরে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বুধবার হঠাৎ খবর পাওয়া যায় রাসেল আত্মহত্যা করেছে। তখন মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে ওই নারীর সঙ্গে তার কথোপকথনের বিষয়টি জানা যায়। রাসেলের সঙ্গে ওই নারীর ঝগড়া চলছিল মনে হয়। রাসেল আত্মহত্যা করার সময় ওই গৃহবধূর সঙ্গে কথাও বলেছে। আত্মহত্যার বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায়। অপরদিকে প্রেমিকা গৃহবধূকে এলাকাবাসী আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।

টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানবীর আহমেদ বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ