জামালপুরের বকশীগঞ্জে নাশকতার মামলায় স্বেচ্ছাসেবক লীগের নেতাসহ দুজনকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। 

গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন- উপজেলার মেরুরচর ইউনিয়নের আওয়ামী স্বেচ্ছাসেবক লীগের সহ সভাপতি এরশাদ মিয়া ও জাকির মাস্টার। 

বুধবার (২২ জানুয়ারি) রাতে এরশাদকে জব্বারগঞ্জ বাজার ও জাকির মাস্টারকে পৌর এলাকার সরদার পাড়া থেকে গ্রেপ্তার করা হয়।

বকশীগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খন্দকার শাকের আহমেদ বলেন, “নাশকতার মামলায় গতকাল বুধবার রাতে গোপন সংবাদের ভিত্তিতে এরশাদ মিয়া ও জাকির মাস্টারকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। পরে দুজনকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।”

ঢাকা/শোভন/ইমন

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

খুলনায় বিদেশি পিস্তল, শটগান ও গুলিসহ আটক ২

খুলনা নগরীতে দুটি বিদেশি পিস্তল, একটি শটগান, আট রাউন্ড পিস্তলের গুলি ও সাত রাউন্ড শটগানের গুলিসহ ফারুক হোসেন ও খাইরুল সরদার নামে দুই যুবককে আটক করেছে পুলিশ।

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ভোররাতে নগরীর রায়েল মহল এলাকা থেকে এগুলো উদ্ধার করা হয়। সেসময় ফারুক হোসেন নামে এক ব্যক্তিকে আটক করে পুলিশ। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন হরিণটানা থানার ওসি খায়রুল বাশার।

কেএমপির অতিরিক্ত উপ কমিশনার (মিডিয়া) মো. আহসান হাবীব জানান, হরিণটানা থানা পুলিশ বুধবার (২ এপ্রিল) দিবাগত রাতে জানতে পারে যে, দুই সন্ত্রাসী গ্রুপের মধ্য গোলা-গুলি হয়। এতে একজন গুলিবিদ্ধ হয়ে খুলনা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে চিকিৎসাধীন আছে। হরিণটানা থানা পুলিশ হাসপাতালে গিয়ে জনৈক খাইরুল সরদারকে (২৭) সনাক্ত করে।

তাকে জিজ্ঞাসাবাদ করে জানা যায়, হরিণটানা থানাধীন বাঙ্গালবাড়ি এলাকায় তাদের দুই গ্রুপের মধ্য গোলা-গুলি হয় এবং অস্ত্র পরীক্ষা-নিরীক্ষা করার সময় তার হাতে থাকা পিস্তলের গুলি অসর্তকতার কারণে ফায়ার হয়ে তার বাম হাতের তালুতে লেগে জখম হয়। সে সন্ত্রাসী ফারুক হোসেনের গ্রুপে ছিল। তখন তাকে নিয়ে পুলিশ ৩ এপ্রিল সকাল থেকে বাঙ্গালীবাড়ি এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে। 

গুলিবিদ্ধ খাইরুল অস্ত্র বিক্রেতা ফারুক হোসেনের বাড়ি দেখিয়ে দিলে ফারুক হোসেনের বাড়ি তল্লাশী করা হয়। এ সময় ফারুককে জিজ্ঞাসাবাদ করলে তার কাছে অস্ত্র আছে বলে স্বীকার করে। এক পর্যায়ে তার নির্দেশনায় রান্না ঘরে থাকা জ্বালানি কাঠের স্তুপের মধ্য থেকে দুটি বিদেশি পিস্তল, তার বসত ঘরের মধ্য থাকা টিনের বাক্সে রাখা একটি শটগান এবং শটগানের সাত রাউন্ড কার্তুজ, ঘরের ভেতরের দেয়ালের উপর থেকে পিস্তলের আট রাউন্ড তাজা গুলি এবং এক রাউন্ড এমটি কার্তুজ ও তার বসত ঘরের খাটের নিচ থেকে একটি বড় রামদা উদ্ধার করা হয়। 

সেইসাথে অবৈধ অস্ত্র বেচাকেনার কাজে ব্যবহৃত একটি মোটরসাইকেল এবং একটি মোবাইল সেট উদ্ধার করা হয়। উদ্ধারকৃত শটগান পুলিশের লুণ্ঠিত অস্ত্র বলে প্রাথমিকভাবে ধারণা করছে পুলিশ।

প্রাথমিক জিজ্ঞাসাবাদে সে বিভিন্ন সন্ত্রাসী চাঁদাবাজ এবং দুস্কৃতকারীদের কাছে অবৈধ অস্ত্র কেনাবেচা করে বলে স্বীকার করে। খাইরুলের বিরুদ্ধে একটি মামলার তথ্য পাওয়া গেছে। অভিযান অব্যহত রয়েছে।

ঢাকা/নুরুজ্জামান/এস

সম্পর্কিত নিবন্ধ