যুক্তরাষ্ট্রের নবনিযুক্ত প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ইয়েমেনের হুতিদের ‘বিদেশি সন্ত্রাসী সংগঠন’ হিসেবে চিহ্নিত করে একটি নির্বাহী আদেশে সই করেছেন। বুধবার এই আদেশে সই করেন তিনি। 

ইয়েমেনের উত্তর-পশ্চিমাঞ্চল হুতিদের দখলে রয়েছে। এরা মূলত ইরান-সমর্থিত সশস্ত্র গোষ্ঠী। ওই অঞ্চলের জলসীমায় যুক্তরাষ্ট্রের নৌযানে মাঝেমধ্যেই হামলা চালায় হুতিরা।

নির্বাহী আদেশে সই করার পর ট্রাম্প বলেন, শুধু ইয়েমেন নয়, বিভিন্ন সময় সৌদি আরব ও সংযুক্ত আরব আমিরাতে প্রাণঘাতী হামলার জন্যও হুতিরা দায়ী।

ট্রাম্পের নির্বাহী আদেশে বলা হয়েছে, হুতিদের কর্মকাণ্ড মধ্যপ্রাচ্যে বেসামরিক নাগরিকদের নিরাপত্তার জন্য হুমকি তৈরি করেছে। সেই সঙ্গে হুতিরা যুক্তরাষ্ট্রের ঘনিষ্ঠ আঞ্চলিক অংশীদারদের নিরাপত্তা এবং সমুদ্রপথে বৈশ্বিক বাণিজ্যের স্থিতিশীলতার জন্যও হুমকি।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

মোদি ভাল বন্ধু, তবে... সঠিক আচরণ করছে না: ট্রাম্প

এই মুহূর্তে সারাবিশ্বের সংবাদমাধ্যমগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত পাল্টা শুল্ক নিয়ে আলোচনা চলছে। বিশ্বের এমন কোনো দেশ বাকী নেই যার ওপর ট্রাম্প শুল্ক আরোপ করেননি। 

ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বন্ধু বলে দাবি করলেও শুল্কের বেলায় ট্রাম্প দিল্লিকে ছাড় দেননি। তিনি ভারতের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। বুধবার এই শুল্ক ঘোষণার সময় ট্রাম্পের মুখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার বন্ধুত্বের বিষয়টিও উঠে আসে। 

ট্রাম্প বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র মোদি) কিছুদিন আগেই এখান থেকে ঘুরে গিয়েছেন। তিনি আমার ভাল বন্ধু। কিন্তু আমি তাকে বলেছি, আপনি আমার বন্ধু, তবে আপনি আমাদের সঙ্গে ঠিকঠাক আচরণ করছেন না।”

তিনি বলেন, “ভারত আমাদের ওপর ৫২ শতাংশ শুল্ক আরোপ করছে, তো আমরা তাদের চার্জ করছি তার অর্ধেক, ২৬ শতাংশ।”

প্রসঙ্গত, ‘পারস্পরিক শুল্ক’ বা পাল্টা শুল্ক মানে, যে দেশ আমেরিকার ওপর যতটা শুল্ক চাপাচ্ছে, সেই দেশের পণ্যে পাল্টা তার উপযুক্ত শুল্ক চাপাচ্ছে আমেরিকা। ২ এপ্রিল থেকে এই শুল্ক কার্যকর হবে।

ঢাকা/শাহেদ

সম্পর্কিত নিবন্ধ