ঘন কুয়াশা কেটে যাওয়ায় প্রায় ৮ ঘণ্টা পর শরীয়তপুর-চাঁদপুর নৌরুটে ফেরি চলাচল শুরু হয়েছে। বৃহস্পতিবার (২৩ জানুয়ারি) সকাল ১০টা থেকে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করে বিআইডব্লিউটিসি ঘাট কর্তৃপক্ষ।

এর আগে, গত রাত ২টায় এই রুটে ফেরি চলাচল বন্ধ করে দেওয়া হয়। বিআইডব্লিউটিসি নরসিংহপুর ফেরিঘাটের উপ-ব্যবস্থাপক মো. ইকবাল হোসেন বিষয়টি নিশ্চত করেছেন।

তিনি বলেন, ‘‘বুধবার মধ্যরাত থেকে প্রচণ্ড কুয়াশা দেখা দেয়। কুয়াশায় দুর্ঘটনা এড়াতে রাত ২টা থেকে ফেরি চলাচল বন্ধ রাখা হয়েছিল। পরে ঘন কুয়াশা কেটে গেলে বৃহস্পতিবার সকাল ১০টার পর ফেরি চলাচল স্বাভাবিক করে দেওয়া হয়। বর্তমানে এই নৌরুটে ছোট-বড় মিলিয়ে ৫টি ফেরি চলাচল করছে।’’

ঢাকা/আকাশ/রাজীব

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

সদরঘাটে আজও ঘরে ফেরা মানুষের ভিড় 

কাটেনি এখনও ঈদের আমেজ। ঈদের তৃতীয় দিনেও অনেকে ঢাকা ছেড়ে গ্রামের বাড়ি যাচ্ছেন।  

বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) সকাল থেকেই ঢাকার সদরঘাটে ঘরে ফেরা মানুষের ভিড় দেখা গেছে। 

সদরঘাট লঞ্চ টার্মিনালে দেখা গেছে, প্রতিটি লঞ্চ ধারণক্ষমতা অনুযায়ী যাত্রী নিচ্ছে। পাশাপাশি সরকার নির্ধারিত ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। 
 
দোয়েল পাখী-১০ এর যাত্রী আমানুর রহমান বলেন, “আমি ভোলা যাব। ঢাকায় আমার মুদি দোকান রয়েছে। পরিবার আগেই পাঠিয়ে দিয়েছি। আজ বাড়ি যাচ্ছি। আশা করি, আগামী সপ্তাহে ঢাকা ফিরব।”

দোয়েল পাখী -১০  ম্যানেজার মো. সাত্তার  বলেন, “আজকে স্বাভাবিক সময়ের চেয়ে যাত্রী বেশি আছে। আমাদের ৮০টি কেবিনের মধ্যে ৭০টি কেবিন বুকিং হয়েছে। আমরা অতিরিক্ত কোনো ভাড়া নিচ্ছিনা।” 

বাংলাদেশ অভ্যন্তরীণ নৌ পরিবহন সংস্থা (বিআইডব্লিটিসি)  জানায়, পদ্মা সেতু উদ্বোধনের আগে ঈদে ঘরমুখো যাত্রীর প্রায় ৩৫ শতাংশ নৌপথে যেতেন। এখন সেটি প্রায় ১৫ শতাংশে নেমে এসেছে। তখন ঢাকা থেকে ৪২টি নৌপথে ২২৫টির মতো লঞ্চ চলাচল করত। এখন প্রতিদিন গড়ে ৬০ থেকে ৬৫টি লঞ্চ চলে বিভিন্ন পথে।

ঈদে ঘরমুখো মানুষের নিরাপত্তা দিতে পুলিশ, র‌্যাব, আনসার, নৌ-পুলিশ ও বিএনসিসিসহ বিভিন্ন সংস্থার সদস্যরা দায়িত্ব পালন করছেন। এবার ঈদের আগে বেশ কয়েকদিন ছুটি থাকায় যাত্রীরা ধীরে ধীরে ঢাকা ছাড়েন। আশা করছি, নিরাপদে ও নির্বিঘ্নে গন্তব্যে পৌঁছাতে পারবেন যাত্রীরা।

এমভি অভিযান লঞ্চের মালিক হামজা লাল শেখ বলেন, “আজ (বৃহস্পতিবার) যাত্রীর চাপ মোটামুটি। ঈদযাত্রা নির্বিঘ্ন করতে পর্যাপ্ত লঞ্চ প্রস্তুত রাখা হয়েছে।” 

বিআইডব্লিউটিএর নৌ নিরাপত্তা ও ট্রাফিক ব্যবস্থাপনা বিভাগের ঢাকা নদীবন্দরের যুগ্ম পরিচালক মোবারক হোসেন বলেন, “নৌপথে চলাচলকারী যাত্রীদের সেবা ও নিরাপত্তার জন্য বিআইডব্লিউটিএর কর্মকর্তা–কর্মচারীসহ আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দিনরাত কাজ করছেন। নির্ধারিত সময়ে পন্টুন থেকে লঞ্চ ছাড়ছে। এ ব্যাপারে সার্বক্ষণিক তদারকি করা হচ্ছে।” 

ঢাকা/এএএম/ইভা 

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • ঈদের ছুটি শেষে ফিরছে মানুষ, দৌলতদিয়া ঘাটে মানুষের ঢল
  • সদরঘাটে আজও ঘরে ফেরা মানুষের ভিড়