যুক্তরাষ্ট্র ভারতসহ চার দেশের পররাষ্ট্রমন্ত্রীর বৈঠক
Published: 23rd, January 2025 GMT
যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট হিসেবে দ্বিতীয় মেয়াদে ডোনাল্ড ট্রাম্প শপথ নেওয়ার পর প্রথমবারের মতো বৈঠক করেছেন দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও, ভারতের পররাষ্ট্রমন্ত্রী এস জয়শঙ্কর, অস্ট্রেলিয়ার পররাষ্ট্রমন্ত্রী পেনি ওং এবং জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আইওয়া তাকেশি।
মঙ্গলবার ওয়াশিংটনে মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরে কোয়াড পররাষ্ট্রমন্ত্রীর এ বৈঠক হয়। খবর রয়টার্সের।
বৈঠক শেষে এক যৌথ বিবৃতিতে তারা বলেন, একটি অবাধ ও মুক্ত ভারত-প্রশান্ত মহাসাগরীয় অঞ্চল জোরদারে নিজেদের অভিন্ন প্রতিশ্রুতি পুনর্ব্যক্ত করতে ওয়াশিংটন ডিসিতে যুক্তরাষ্ট্র, অস্ট্রেলিয়া, ভারত ও জাপানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী বৈঠক করেছেন। এ অবাধ ও মুক্ত অঞ্চলে আইনের শাসন, গণতান্ত্রিক মূল্যবোধ, সার্বভৌমত্ব, ভৌগোলিক অখণ্ডতা সমুন্নত ও সুরক্ষিত থাকবে।
বিবৃতিতে আরও বলা হয়, ক্রমবর্ধমান হুমকির প্রেক্ষাপটে আঞ্চলিক সমুদ্রসীমা, অর্থনীতি ও প্রযুক্তি খাতের নিরাপত্তা জোরদার করতে আমরা প্রতিশ্রুতিবদ্ধ। পাশাপাশি এতদঞ্চলে গ্রহণযোগ্য ও স্থিতিস্থাপক সরবরাহ শৃঙ্খল ব্যবস্থাকে ত্বরান্বিত করতেও প্রতিশ্রুতিবদ্ধ আমরা। এ ছাড়া আগামী মাসগুলোতে কোয়াডের কর্মকাণ্ড এগিয়ে নেওয়ার ব্যাপারে নিজেদের আগ্রহ প্রকাশ করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রীরা। তারা বলেন, ভারতের আয়োজনে কোয়াড নেতাদের পরবর্তী শীর্ষ বৈঠকের প্রস্তুতি চলার প্রেক্ষাপটে তারা নিয়মিতভাবে সাক্ষাৎ করবেন।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: পরর ষ ট রমন ত র র পরর ষ ট রমন ত র
এছাড়াও পড়ুন:
বাংলাদেশি ভেবে বিএসএফের গুলি, ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত
কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে এক ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত হয়েছেন।
বৃহস্পতিবার ভোরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গোরকমন্ডল সীমান্তের ৯২৯ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের ৩ নম্বর সাব পিলারের পাশে এ ঘটনা ঘটে।
কাঁটাতারের বেড়ার বাইরে ভারতের ভূখণ্ডে মরাকুটি (ভোরাম পয়োস্তি) এলাকায় ওই চোরাকারবারীর মরদেহ দেখেন বাংলাদেশিরা। ৪ ঘণ্টা ধরে সেখানে পড়েছিল ভারতীয় ওই চোরাকারবারীর মরদেহ। পরে বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে ওই সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়।
নিহত যুবকের নাম জাহানুর আলম (২৪)। তিনি ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার গিদালদহ এলাকার মরাকুটি ভোরাম পয়োস্তি গ্রামের কবিদুল ইসলামের ছেলে।
সীমান্তবাসীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসাসহ গরু পারাপারে জড়িত ছিলেন তিনি।
সীমান্তে বসবাসকারী সায়েদ আলী ও হয়রত আলী জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে উভয় দেশের একদল চোরাকারবারী ওই সীমান্ত দিয়ে গাঁজা ও গরু নিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করে। এ সময় ভারতীয় ভারবান্দা ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে ভারতীয় চোরাকারবারী জাহানুর গুলিবৃদ্ধ হয়। সেখানে পড়ে থাকা অবস্থায় অনেকবার চিৎকার করলেও সহযোগীরা তাকে উদ্ধার না করায় ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি। গুলির শব্দ পেয়ে বাকি চোরাকারবারীরা পালিয়ে যান।
এ দিকে নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবির পক্ষে গোরকমন্ডল ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফিরোজ এবং বিএসএফের পক্ষে ৩ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের অধীন ভারবান্দা গিদালদহ ক্যাম্পের কমান্ডার গিরিশ চন্দ্র নেতৃত্ব দেন। পতাকা বৈঠকের পর সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ।
এ প্রসঙ্গে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী ইমাম জানান, বিএসএফের কাছে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়- ভোরের দিকে একদল ভারতীয় নাগরিক টহলরত বিএসএফ পোস্টে হামলা চালায়। তখন আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে এক ভারতীয় হামলাকারী নিহত হয়। বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীন। এর সঙ্গে বাংলাদেশ বা বিজিবির কোনও সমৃক্ততা নেই। তারপরও সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।