রঙিন ঝলমলে আলোয় মঞ্চে একের পর এক গান গাইছেন শিল্পীরা। সামনে গানের তালে ছন্দ তুলছেন শ্রোতা-দর্শনার্থীরা। এসব আনন্দের আবহের মধ্যেই শিল্পী ও আয়োজকরা আহ্বান জানাচ্ছিলেন, ‘ক্যান্সার আক্রান্ত কৃতির জন্য সহায়তার’। এতে সাড়া দিয়েছেন অনেকেই। এভাবে ওই কনসার্ট থেকে উত্তোলন হয় ১৩ লাখ টাকা।

সাভারে মেধাবী শিক্ষার্থী ক্যান্সার আক্রান্ত কৃতি ফিরোজীর জন্য স্থানীয় সাবেক কমিশনার ও সাভার পৌর মেয়র প্রার্থী মো.

খোরশেদ আলমের পৃষ্ঠপোষকতায় আয়োজিত এটি ছিল দ্বিতীয় চ্যারিটি কনসার্ট। প্রথমটি থেকে উঠে এসেছিল দেড় লাখ টাকা। পুরো টাকাই কৃতির পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

আগামী ২৫ জানুয়ারি আরও একটি চ্যারিটি কনসার্ট আয়োজন করা হবে বলে জানান কনসার্টের উদ্যোক্তা ও শিল্পীরা।

মেডিক্যাল পরীক্ষা-নিরীক্ষার পর ২০২৪ সালের ১৫ সেপ্টেম্বর ব্রেইন টিউমার শনাক্ত হয় সাভারের অধর চন্দ্র সরকারি উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক খোরশেদউজ্জামান ফিরোজীর ছেলে নাশিদুজ্জামান ফিরোজীর (কৃতি ফিরোজী)। এরপর ২৬ সেপ্টেম্বর থেকে ১৩ ডিসেম্বর পর্যন্ত তাকে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ ও উত্তরা হাই কেয়ার হাসপাতালে চিকিৎসা দেওয়া হয়। এরপর তাকে ১৪ ডিসেম্বর নেওয়া হয় ভারতের দিল্লির হারিয়ানার গুরগাঁওয়ের মেডেন্টা হাসপাতালে। সেখানে ডা. ভি পি সিং এর তত্বাবধানে ভর্তি হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আইসিইউতে রাখা হয় তাকে।

গত ১৬ ডিসেম্বর কৃতির প্রথম অস্ত্রোপচারের পর অসংখ্য টিউমারের মধ্যে সবচেয়ে বড় টিউমারটি অপসারণ করা হয়। সেটির বায়োপসি টেস্টের মাধ্যমে কৃতির ক্যান্সার নির্ণয় হয়।

পরিবার জানায়, কৃতির চিকিৎসায় এরইমধ্যে প্রায় ৩০ লাখ টাকার বেশি ব্যয় হয়েছে। চিকিৎসকের প্রত্যাশা তার সুস্থ হতে একটি অপারেশন ও থেরাপির জন্য আরও ৫০-৬০ লাখ টাকা প্রয়োজন। তবে এই অর্থের যোগান দিতে হিমশিম খাচ্ছে সাবেক শিক্ষকের পরিবারটি।

সম্প্রতি এই পরিবারের পাশে দাঁড়ান সাভার পৌর মেয়র প্রার্থী মো. খোরশেদ আলম। তিনি সঙ্গে পান সাভারের কয়েকজন শিল্পী ও মানবিক কাজে এগিয়ে আসা একদল মানুষকে। তাদের উদ্যোগে গত ৭ জানুয়ারি তারাপুর এলাকায় একটি চ্যারিটি কনসার্ট আয়োজন করা হয়। ওই কনসার্টে দর্শক-শ্রোতারা প্রায় দেড় লাখ টাকা সহায়তা দেন। 

এরপর গত ১৮ জানুয়ারি সাভারের ছায়াবীথি এলাকায় আরেকটি কনসার্ট আয়োজন করা হয়। সেই কনসার্টে যোগ দেন সাভারের সাবেক সংসদ সদস্য বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির সহপরিবার বিষয়ক সম্পাদক ডা. দেওয়ান সালাউদ্দিন বাবুসহ সাভারের বিভিন্ন পর্যায়ের মানুষ। ওই কনসার্ট থেকে ১৩ লাখ টাকা সহায়তা উঠে আসে। এই পুরো অর্থ কৃতি ফিরোজীর পরিবারের হাতে তুলে দেওয়া হয়েছে।

কৃতি ফিরোজীর জন্য আয়োজিত কনসার্টে বিনামূল্যে গান করেন- শিল্পী ইমন ইসলাম, নিলয় আহমেদ, সোহেল আনাম, কেনেডি জন, শেকড় লিটন, বোরহান উদ্দিন ও তিমির রয়। 

শিল্পীরা বলেন, “কৃতির শারীরিক অবস্থার অবনতি ঘটেছে। তার পরিবার আর্থিক সঙ্কটে রয়েছে। আমরা তার পরিবারের পাশে দাঁড়িয়েছি। সেজন্য দুটি চ্যারিটি কনসার্ট করেছি। আরেকটি কনসার্ট করা হবে। এই কনসার্টে সবাইকে যোগ দেওয়ার ও সহযোগিতার আহ্বান জানাই।”

সাভার আশুলিয়াসহ সব মানবিক মানুষকে কৃতির পাশে দাঁড়ানোর আহ্বান জানিয়ে সাভার পৌরসভার মেয়র প্রার্থী মো. খোরশেদ আলম বলেন, “ক্যান্সার আক্রান্ত কৃতি ফিরোজীর চিকিৎসা সহযোগিতায় আমরা চ্যারিটি কনসার্ট আয়োজন করেছিলাম। আগামী ২৫ জানুয়ারি আশুলিয়ার জিরাবোতে আরেকটি কনসার্ট করা হবে। সমাজে বসবাস করা সামাজিক মানুষ হিসেবে সবারই সামাজিক কিছু দায়বদ্ধতা রয়েছে। সেই চিন্তা থেকেই এ উদ্যোগ নেওয়া। কৃতি ফিরোজী সুস্থ হয়ে দেশে না ফেরা পর্যন্ত আমরা তার পাশে থাকব।”

কৃতি ফিরোজীর বাবা খোরশেদউজ্জামান ফিরোজী বলেন, “ব্রেইন ক্যান্সারে মৃত্যুর সাথে যুদ্ধ করে অবচেতন অবস্থায় বেঁচে আছে আমার ছেলে। আমরা তার চিকিৎসা ব্যয় বহন করতে হিমসিম খাচ্ছি। এজন্য সমাজের সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানিয়েছি। এই আহ্বানে সাড়া দিয়ে মো. খোরশেদ আলম ভাই এগিয়ে এসেছেন। তারা সহযোগিতা করেছেন। তারা ভবিষ্যতেও আমার পাশে থাকবেন বলে আশ্বাস দিয়েছেন।”

কৃতি ফিরোজীর জন্য সহায়তা পাঠাতে- বিকাশ/নগদ নম্বর +88 01712 679507 ; DBBL Acc no (Savar Branch)- 107103405442, Routing no-090264122. (নাছিমা খানম Nasima Khanam)। যোগাযোগের প্রয়োজনে- মিতু ফিরোজী- 01710-453377.

ঢাকা/সাব্বির/এস

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর ই কনস র ট র পর ব র পর ব র র র জন য স

এছাড়াও পড়ুন:

‘নতুন মেসি’দের কার কী হাল

একটা সময় লিওনেল মেসিকে ভাবা হতো ডিয়েগো ম্যারাডোনার উত্তরসূরি। মেসি তাঁর ফুটবলজাদু দিয়ে সেটা দারুণভাবে প্রমাণও করেছেন। এরপর শুরু উঠতি ফুটবলারদের ‘নতুন মেসি’ তকমা দেওয়া। গত দুই দশকে ‘নতুন মেসি’ তকমা পাওয়া এক ডজন ফুটবলারের পরিচয় হয় ফুটবলপ্রেমীদের সঙ্গে। কেউ খেলার ধরনে, কেউ দেহের গড়নে, আবার কেউ ফুটবলশৈলী দিয়ে ঝলক দেখিয়ে এই তকমা পেয়েছেন; কিন্তু এঁদের সবাই শুরুতে ঝলক দেখিয়ে কেমন যেন নিভে গেছেন! সেই নতুন মেসিদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য আটজনের কার কী হাল, সেটা জানিয়েছে আর্জেন্টিনার সংবাদমাধ্যম টিওয়াইসি স্পোর্টস।

বোইয়ান কিরকিচ

স্পেনের লিনিওলা শহরে জন্ম বোইয়ান কিরকিচের। ১৯৯৯ সালে বার্সার যুব দলে নাম লিখিয়েই চমক দেখান। তাঁর ড্রিবলিংয়ে অনেকটাই মেসির ছাপ ছিল। সে সময় স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলোয় তাঁকে নিয়ে হইচই পড়ে গিয়েছিল। বয়সভিত্তিক দলে গোলের পসরা সাজান তরুণ কিরকিচ। সেখান থেকে বার্সার মূল দলে দ্রুতই জায়গা করে নেন। সময়টা ২০০৭–০৮ মৌসুম। ১৭ বছর ১৯ দিনের কিরকিচ ওসাসুনার বিপক্ষে নেমেই ভাঙেন মেসির রেকর্ড। সর্বকনিষ্ঠ ফুটবলার হিসেবে বার্সার জার্সিতে লা লিগায় অভিষেক হয় তাঁর। চারদিকে কিরকিচের নামডাক ছড়িয়ে পড়ে। স্প্যানিশ সংবাদমাধ্যমগুলো কিরকিচকে নতুন মেসির তকমা দেয়। কিন্তু বেশি দিন তাঁর আলো দেখার সুযোগ পায়নি স্প্যানিশরা। ছন্দহীনতার কারণে ২০১১ সালে বার্সা ছেড়ে এএস রোমাতে যেতে হয়। সেখানেও স্থায়ী হননি। মিলান, আয়াক্স হয়ে বর্তমানে তাঁর ক্লাব জাপানের ভিসেল কোবে, চলে গেছেন পাদপ্রদীপের বাইরে।

হুয়ান আরেভালো

বাঁ পায়ের কারিকুরি আর বল নিয়ন্ত্রণে নিজের মুনশিয়ানার কারণে হুয়ান আরেভালোকে মেসির সঙ্গে তুলনা করতে শুরু করেন খোদ প্যারাগুয়ের ফুটবল সমর্থকেরা। আক্রমণভাগে আলো ছড়ানো এই উইঙ্গারের সোনালি সময় ২০১১ সাল। তখন পর্তুগালের ক্লাব পোর্তোতে নাম লেখান। উইং থেকে গোলের সুযোগ তৈরি করতেই যেন বেশি পছন্দ করতেন তিনি। কিন্তু ঝড়ের বেগে আসা আরেভালো ধূমকেতুর মতোই হারিয়ে গেছেন। বুয়েনস এইরেসে জন্ম নেওয়া এই ফুটবলার প্যারাগুয়ের জার্সিতে খেলেছেন ১২ ম্যাচ; কিন্তু গোলের নাগাল পাওয়া হয়নি তাঁর। এর মধ্যে ক্লাব ক্যারিয়ারও হয়েছে অনেক লম্বা। কিন্তু কোথাও আর স্থায়ী হতে পারেননি। তাঁর বর্তমান ঠিকানা প্যারাগুয়ের ক্লাব সেরো পোর্তেনো।

দিয়েগো লাইনেজ

২০১৭ সালে তাঁকে নিয়ে তুমুল আলোচনা। ব্রিটিশ দৈনিক দ্য গার্ডিয়ান সে বছর বিশ্বের ৬০ সেরা তরুণ ফুটবলারের একটা প্রতিবেদন ছাপায়। যেখানে জায়গা করে নেন লাইনেজ। এরপর ২০১৭ থেকে ২০১৯ পর্যন্ত টানা তিন বছর ফুটবলবিষয়ক জনপ্রিয় ওয়েবসাইট গোলডটকমের সেরা উদীয়মান খেলোয়াড়ের তালিকায়ও ছিলেন তিনি। বাঁ পায়ের দক্ষতার জন্য তাঁকে মেসির উত্তরসূরি ভাবেন অনেকেই। কিন্তু তিনিও বেশি দিন দ্যুতি ছড়াতে পারেননি। লা লিগার ক্লাব বেতিসে ২০২৩ পর্যন্ত খেলার পর বর্তমানে তাঁর ঠিকানা মেক্সিকান ক্লাব টাইগ্রেস। জাতীয় দলেও সেভাবে ধারাবাহিক নন মেক্সিকান ফরোয়ার্ড। বয়সভিত্তিক দল মাতিয়ে ২০১৮ সালে মেক্সিকোর জাতীয় দলে অভিষেক হওয়া এই উইঙ্গারের গোল মাত্র তিনটি।

তাকেফুসা কুবো

২৩ বছর বয়সী তাকেফুসাকে এখনো জাপানি মেসি বলে ডাকেন অনেকে। ডান উইংয়ের পাশাপাশি আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবেও খেলতে পারা এই তরুণের শুরু আর বর্তমান মোটেও এক নয়। ২০১১ সালে বার্সার যুব দলে জায়গা পেয়েছিলেন কুবো। চার বছরের মতো সেখানে ছিলেন। তখনই মূলত তাঁর খেলার ধরণে মেসির সঙ্গে একটা মিল পাওয়া যায়। এতেই তিনি নাম পেয়ে যান জাপানি মেসি; কিন্তু সেই জাপানি মেসি নামের প্রতি সুবিচার করতে পারলে তো! সিনিয়র ক্যারিয়ারে রিয়াল মাদ্রিদ তাঁকে বড় আশা করে দলে টানলেও তাদের আশার গুড়ে বালি পড়ে। এরপর ধারে মধ্যেই পার করেছেন ২০১৯ থেকে ২০২২ সাল। বর্তমানে রিয়াল সোসিয়েদাদে খেলা এই জাপানি ১২৭ ম্যাচে করেছেন মোটে ২৩ গোল।  

জিওভানি দস সান্তোস

বাবা ব্রাজিলিয়ান ফুটবলার জিজিনিও। যদিও মা মেক্সিকান হওয়ায় মেক্সিকোকে বেছে নেন ফুটবলে প্রতিনিধিত্ব করার জন্য। বেশ প্রতিভাবান ফুটবলার ছিলেন জিওভানি দস সান্তোস। বিশেষ করে মাঝমাঠ থেকে ফরোয়ার্ডদের দারুণ সহযোগিতা করে সবার নজরে এসেছিলেন। পাশাপাশি ড্রিবলিংয়েও মুগ্ধতা ছড়িয়েছিলেন। ২০১০ সালে স্প্যানিশ সাপ্তাহিক ডন ব্যালনের সেরা ১০০ তরুণ ফুটবলারের তালিকায় জায়গা করে নেন। তাঁরও চমক দেখানো বার্সার যুব দল দিয়ে। সময়টা ২০০২ থেকে ২০০৬। এই বছরগুলোয় বার্সার যুবদলে ভালো ফুটবল খেলে বার্সার ‘বি’ দলে ডাক পেয়ে যান। এর পরই শুরু হয় তাঁকে নিয়ে আলোচনা। কেউ দস সান্তোসকে মেসির উত্তরসূরি, কেউ তাঁর মধ্যেই মেসির ছায়া খুঁজে পান। কিন্তু যাঁকে নিয়ে একটা সময় এত আলোচনা ছিল, তিনি এখন অনেকটাই নিজেকে হারিয়ে খুঁজছেন।

আলেন হালিলোভিচ

১৯৯৬ সালে জন্ম নেওয়া এই ক্রোয়াট মিডফিল্ডারের নামের পাশে মেসির নামটা যুক্ত হয় ২০১৪ সালের দিকে। তখন দিনামো জাগরেভ ছেড়ে মাত্রই বার্সার ‘বি’ দলে যোগ দিয়েছেন। যদিও মূল দলে নিয়মিত হওয়ার সুযোগই হয়নি তাঁর। এরপর এসি মিলান, বার্মিংহাম সিটিসহ ১০টির বেশি ক্লাবে ঘুরেছেন। কিন্তু কোথাও সেভাবে জ্বলে উঠতে পারেননি। ক্রোয়েশিয়ার জাতীয় দলেও বেশি দিন নিয়মিত হতে পারেননি। ২০১৩ সালে দেশের জার্সিতে মাঠে নামা এই মিডফিল্ডার এখন আর কোনো আলোচনায়ই নেই।

লি সিউং–উ

২০১১ সালে বার্সার যুব দলে জায়গা করে নেওয়া এই উইঙ্গারকে কিছুদিন মেসির সঙ্গে তুলনা করেন কাতালানরা। এর পেছনে বড় কারণ ছিল প্রতিপক্ষের গোলমুখে তাঁর ড্রিবলিংয়ের নজরকাড়া দক্ষতার কারণে। সেই দক্ষতার বলে ২০১৬ সালে বার্সার ‘বি’ দলেও জায়গা করে নেন। কিন্তু ‘বি’ দলে আর সেভাবে স্থায়ী হতে পারেননি। এক ম্যাচ খেলেই তাকে নতুন ঠিকানা হেল্লাস ভেরোনাতে নাম লেখাতে হয়। এর পরই মূলত হারিয়ে যাওয়া! দক্ষিণ কোরিয়ার বয়সভিত্তিক দলে খেলে ২০১৮ সালে জাতীয় দলের জার্সি গায়ে জড়িয়েছিলেন। কিন্তু পুরোনো সেই জৌলুস যে আর দেখাতে পারছেন না। বর্তমানে কোরিয়ান ক্লাব জিওনবুক হুন্ডাই মোটরসই তাঁর ঠিকানা।

লুয়ান ভিয়েরা

শুরুটা ব্রাজিলের ক্লাব তানাবি দিয়ে। আক্রমণাত্মক মিডফিল্ডার হিসেবে খেলা এই ব্রাজিলিয়ান ২০১৪ সালেই প্রথম আলোচনায় আসেন। স্বদেশি ক্লাব গ্রেমিওতে নাম লেখানোর পরই তাঁকে নিয়ে শোরগোল শুরু হয়। প্রথম মৌসুমে বল পায়ে নৈপুণ্য দেখানোর পর তাঁকে মেসির সঙ্গে তুলনা করা শুরু করেন অনেকেই। এই গ্রেমিওতে দুই শতাধিক ম্যাচ খেলা ভিয়েরা ধীরে ধীরে নিজের শুরুর ঝলকটা হারিয়ে ফেলেন। ২০১৯ সালে তাঁকে ছেড়ে দেয় গ্রেমিও। এরপর সান্তোস হয়ে আবার ২০২৩ সালে গ্রেমিওতে ফেরেন; কিন্তু সেখানে আর বেশি দিন থাকা হয়নি। ২০২৪ সালে ব্রাজিলের আরেক ক্লাব ভিতোরিয়ায় যোগ দিলেও আগের মতো মাঠে পারফর্ম করতে পারছেন না তিনি। এর মধ্যে ২০১৭ সালে ব্রাজিলের জার্সিতে অভিষেক হওয়ার পরও একাদশে নিয়মিত হতে পারেননি।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • মাইক্রোবাসে গান বাজাতে বাজাতে প্রকৌশলীকে হত্যা 
  • মাইক্রোবাসে গান শুনতে শুনতে প্রকৌশলীকে হত্যা 
  • বন্দরে পঞ্চায়েত কমিটির দ্বন্দ্বে ঈদগায় হলনা ঈদ জামাত  
  • চলন্ত গাড়ি থামিয়ে নারী শিক্ষককে গ্রেপ্তার করল পুলিশ, অভিযোগ শুনে কান্নায় ভেঙে পড়লেন
  • শুধু মা-বাবার নামটুকু বলতে পারছে আহত শিশু আরাধ্য
  • ঈদের রাতে নৈশ প্রহরীকে গুলি করে হত্যা
  • অভিষিক্ত অশ্বিনীর বলে, রায়ানের ব্যাটে মুম্বাইর প্রথম জয়
  • ‘নতুন মেসি’দের কার কী হাল
  • ঘোরাঘুরি শেষে বাসায় ফিরে ত্বকের যত্নে করণীয়
  • হল্যান্ডের ইনজুরিতে ম্লান সিটির সেমিতে ওঠার আনন্দ