জাবি থেকে শাহজাহানপুরের ইউপি চেয়ারম্যান আটক
Published: 22nd, January 2025 GMT
বগুড়ার শাহজাহানপুর থানার ইউপি চেয়ারম্যান নুরুজ্জামানকে জাহাঙ্গীরনগর বিশ্ববিদ্যালয় থেকে আটক করা হয়েছে।
তিনি আওয়ামী সেচ্ছাসেবকলীগের শাহজাহানপুর উপজেলার সাধারণ সম্পাদক সেক্রেটারি। তার নামে হত্যাচেষ্টাসহ ১৭ টি মামলা আছে বলে জানা গেছে।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) বিকেলে বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠ এলাকায় স্থানীয় একজনের সঙ্গে দেখা করতে এসেছিলেন তিনি। পরে স্থানীয় শিক্ষার্থীরা তাকে চিনতে পেরে আটক করে বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা অফিসে নিয়ে আসে। পরে সেখান থেকে সন্ধ্যায় তাকে আশুলিয়া থানা পুলিশের হাতে সোপর্দ করা হয়।
এদিকে নুরুজ্জামানকে আটকের খবর পেয়ে তার স্ত্রী সুমাইয়া আক্তার বিশ্ববিদ্যালয়ে ছুটে আসেন।
তিনি জানান, সরকার পতনের পর তিনি ঢাকা খিলক্ষেত এলাকায় আত্মীয়ের বাসায় থাকতেন। তার ছেলেমেয়েদের ঢাকায় স্কুলে ভর্তির চেষ্টা করছিলেন। পাশাপাশি ঢাকায় তিনি ব্যবসা শুরু করার চেষ্টা করছিলেন। এনআইডি কার্ড পরিবর্তনের জন্য একজনের সঙ্গে দেখা করতে আজ তিনি জাহাঙ্গীরনগরে এসেছিলেন।
বিশ্ববিদ্যালয়ের নিরাপত্তা কর্মকর্তা জেফরুল হাসান চৌধুরী সজল বলেন, “বিকেলে শিক্ষার্থীরা ফোন দিয়ে আটকের খবর জানায়। নিরাপত্তার স্বার্থে তাকে আমরা নিরাপত্তা অফিসে নিয়ে আসি। পরে দ্রুততম সময়ের মধ্যে প্রক্টরের উপস্থিতিতে আমরা আশুলিয়া থানা পুলিশের হাতে তাকে সোপর্দ করি।”
আশুলিয়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আবু বকর সিদ্দিক বলেন, “আমরা তাকে থানায় নিয়ে এসেছি। তার নামে মামলা রয়েছে। আমরা আইনানুগ ব্যবস্থা নেব।”
ঢাকা/আহসান/মেহেদী
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
কটিয়াদীতে ডাকাতি শেষে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ডাকাতি শেষে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার ঈদের দিন রাতে পৌর শহরের একটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদিকে ধর্ষণের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে যান কটিয়াদী-হোসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তোফাজ্জল হোসেন। তিনি গৃহবধূ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে গৃহবধূর সংসার। স্বামী দিনে চা বিক্রি করেন। রাতে নৈশপ্রহরী হিসেবে কাজ করেন। ঈদের দিন সন্ধ্যার পর পাহারা দিতে যথারীতি স্বামী ঘর থেকে বের হয়ে যান। রাত ১০টার পর গৃহবধূ তাঁর তিন ও আট বছর বয়সী দুই সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। গৃহবধূর ঘরের ভিটে পাকা হলেও বেড়া ও চাল টিনের। রাত পৌনে দুইটার দিকে জানালা কেটে ডাকাতেরা ঘর থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যান। যাওয়ার আগে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে জিম্মি করে একজন ধর্ষণ করেন।
গৃহবধূর স্বামী প্রথম আলোকে বলেন, ‘ডাকাতেরা রাত তিনটার মধ্যে চলে যায়। ভোর ছয়টায় আমি বাড়িতে ফিরলে স্ত্রীর কাছ থেকে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনা জানতে পারি।’
গৃহবধূ জানান, ডাকাত দলে পাঁচ থেকে ছয়জন ছিলেন। তাঁদের একজন তাঁকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে পরে এসে প্রাণে মেরে ফেলবেন বলে হুমকি দিয়ে যান। এ কারণে মনে ভয় জাগে। এ জন্য ডাকাত দলে যাওয়ার পর কাউকে কিছু জানাননি। ভোরে স্বামী ফিরলে তাঁকে ঘটনা জানান।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফাজ্জল হোসেন এখনই কিছু বলতে রাজি হননি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কটিয়াদী থানার এক উপপরিদর্শক জানান, আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গৃহবধূকে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হবে।