শোবিজে ১৫ বছর পূর্ণ করলেন অভিনেত্রী মেহজাবীন চৌধুরী। ২০০৯ সালে এই দিনে সুন্দরী প্রতিযোগিতামূলক অনুষ্ঠান লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টারে সেরা সুন্দরী নির্বাচিত হন তিনি। তার কাছে দিনটি আজও স্বরণীয়।

সামাজিক মাধ্যমেও দেড় দশকের আগের সেই মুহূর্তটি স্মরণ করেছেন মেহজাবীন। নিজের ফেসুবকে প্রকাশ করেছেন লাক্স চ্যানেল আই সুপারস্টার ২০০৯ নির্বাচিত হওয়ার মুহূর্তটি।

শেয়ার করা ভিডিওতে দেখা গেছে, মঞ্চে দাঁড়িয়ে মেহজাবীন, তাহসিন ও নাজিয়া হক অর্ষা। বিজয়ী ঘোষণার আগমুহূর্তে উপস্থাপিকা রুমানা মালিক মুনমুন তাদের অনুভূতি জানতে চান। মেহজাবীন জানান, তিনি নার্ভাস। কিছুক্ষণ পর সেরা সুন্দরীর ঘোষণায় নিজের নাম শুনে আনন্দে আত্মহারা হয়ে ওঠেন তিনি। বাকি দুই প্রতিযোগীকে জড়িয়ে ধরেন উৎফুল্ল মেহজাবীন।

 

ভিডিওটি প্রকাশ করে মেহজাবীন লিখেছেন, ‘ঠিক ১৫ বছর আগে আজকের এই দিনে আমার জীবন একেবারেই পাল্টে গিয়েছিল।’ মন্তব্যের ঘরে মেহজাবীনকে ভালোবাসায় সিক্ত করেছেন তার অনুসারীরা। 

সম্প্রতি মেহজাবীনকে শেষ দেখা গেছে ‘প্রিয় মালতী’ সিনেমায়। এ ছবি দিয়ে ঢালিউডে প্রথমবার নিজেকে সিনেমা হলে মেলে ধরেছেন তিনি। এছাড়া মুক্তির অপেক্ষায় আছে তার প্রথম চলচ্চিত্র ‘সাবা’। এ ছবি দিয়ে ঢালিউডে নাম লেখান অভিনেত্রী।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা

প্রথম লেগে রোমাঞ্চকর এক লড়াই উপহার দিয়েছিল বার্সেলোনা ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। তবে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে খুব একটা জমেনি লড়াই। ফেরান তোরেসের কল্যাণে প্রথম আধা ঘন্টায় পাওয়া গোল বাকি সময়ে আগলে রাখল বার্সেলোনা। তাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে তিন মৌসুম পর কোপা দেল রের ফাইনালে উঠল কাতালান দলটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সেলোনার অপরাজেয় যাত্রা পৌঁছে গেল টানা ২১ ম্যাচে। লা লিগার শীর্ষে থাকা দলটি এই বছরে এখনও কোনো ম্যাচ হারেনি।

বুধবার রাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। তাতে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ ব্যবধানের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বার্সা। আগামী ২৬ এপ্রিলের শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম স্পেনের দ্বিতীয় সেরা প্রতিযোগিতাটির ফাইনালে দেখা যাবে এল-ক্লাসিকো মহারণ।

ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। লামিন ইয়ামাল ও মার্কোস ইয়োরেন্তে দুই প্রান্ত দিয়ে চাপ তৈরি করছিলেন। তবে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সেলোনা। মিডফিল্ডে পেদ্রি ও ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ছন্দময় ফুটবল খেলছিলেন, সঙ্গে ফেরমিন লোপেজও আক্রমণে ছিলেন কার্যকর।  

প্রথমার্ধে লামিন ইয়ামালের পাস থেকে বল পেয়ে ফেরান তোরেস গোল করে বার্সাকে এগিয়ে নেন। অ্যাটলেটিকোর গোলরক্ষক হুয়ান মুসোকে পরাস্ত করে দলকে লিড এনে দেন তিনি। এরপর রাফিনহা একাধিক সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি।

দ্বিতীয়ার্ধে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ আক্রমণ বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু পরিবর্তন আনে। গ্রিজমানের শট পোস্টের বাইরে চলে যায়, আর আলেক্সান্দার সরলথ সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন। বার্সেলোনা এরপর রক্ষণ সামলে খেলতে শুরু করে এবং প্রতিপক্ষকে গোলের সুযোগ দিতে চায়নি।

ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সরলথ গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। অ্যাটলেটিকো শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেও সমতা ফেরাতে পারেনি, বার্সেলোনা তাদের লিড ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ