জনগণ দ্রুত সংস্কার শেষে নির্বাচন প্রত্যাশা করে: গোলাম পরওয়ার
Published: 22nd, January 2025 GMT
দেশের জনগণ দ্রুত সংস্কার শেষে স্বল্প সময়ের মধ্যে সাধারণ নির্বাচন প্রত্যাশা করে বলে মন্তব্য করেছেন বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামির জেনারেল সেক্রেটারি অধ্যাপক মিয়া গোলাম পরওয়ার।
জায়ামাতের সেক্রেটারি জেনারেল বলেন, ‘‘জামায়াত দেশ ও মানুষের স্বার্থে সংস্কার প্রত্যাশী। দ্রুত সংস্কার শেষে স্বল্প সময়ের মধ্যে নির্বাচনের প্রত্যাশা করে দেশের জনগণ।’’
বুধবার (২২ জানুয়ারি) সকালে দারুল আমান ট্রাস্ট ময়দানে পাবনা জেলা জামায়াতের বার্ষিক রুকন সম্মেলনে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আরো পড়ুন:
প্রস্তাবিত বিধানে ‘গুম-খুনে জড়িতরা’ নির্বাচনে অযোগ্য
চিকিৎসককে ধর্ষণ-খুন: আদালতের রায়ে ক্ষুব্ধ তারকারা
মিয়া গোলাম পরওয়ার বলেন, ‘‘আমরা নির্বাচনি ব্যবস্থা সংস্কার চাই, এ জন্য জামায়াতে ইসলামির প্রতিনিধি দল নির্বাচন কমিশন সংস্কারের প্রস্তাব দিয়েছে। আমরা সংখ্যানুপাতিক হারে নির্বাচনের প্রস্তাব দিয়েছি। এ বিষয়ে ব্যাপক আলোচনা পর্যালোচনা থেকে সিদ্ধান্ত গ্রহণ করা যেতে পারে।’’
তিনি আরো বলেন, ‘‘দেশে ইসলামি সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলে সমাজ থেকে অর্থনৈতিক, রাজনৈতিক, সামাজিক বিশৃঙ্খলা দূর হবে, সাংস্কৃতিক আগ্রাসন রোধ করা হবে। প্রকৃত ইসলামি সমাজ ব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হলে মানুষের মন থেকে ইসলামিক ভীতি দূর হবে। মানুষ শৃঙ্খলবদ্ধভাবে জীবন পরিচালনা করে সকল কাজ সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করতে পারবে। কারো মনে সংশয় বা দ্বিধা থাকবে না।’’
জেলা জামায়াতের আমির অধ্যাপক আবু তালেব মণ্ডলের সভাপতিত্বে এবং সেক্রেটারি অধ্যাপক মাওলানা আব্দুল গাফফার খানের পরিচালনায় বক্তব্য দেন, সংগঠনের কেন্দ্রীয় সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মাওলানা রফিকুল ইসলাম খান, জেলা জামায়াতের সাবেক আমির ও বগুড়া অঞ্চলের টিম সদস্য মাওলানা আব্দুর রহিম, অধ্যাপক নজরুল ইসলাম, জেলা জামায়াতের নায়েবে আমির প্রিন্সিপাল ইকবাল হোসাইন প্রমুখ।
ঢাকা/শাহীন/বকুল
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
কখনো বলিনি, আগে নির্বাচন, পরে সংস্কার: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আমরা কখনো এ কথা বলিনি যে, আগে নির্বাচন, তার পরে সংস্কার। এটা যদি কেউ বলে, তাহলে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। নির্বাচনের জন্য ন্যূনতম যে সংস্থার দরকার, সেটা করতে হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “যারা সংস্কার করতে এসেছেন, তারা জনগণের বাইরে গিয়ে কিছু করলে বিএনপি তা সমর্থন করবে না। জনগণ যেটা চাইবে, আমরা সেটাকেই সমর্থন করব।”
বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব।
মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্রই শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা সুশাসনের জন্য ও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্যে। এটাই একমাত্র ব্যবস্থা, যেখানে মানুষের বক্তব্য বিবেচনায় নেওয়া হয়, নির্বাচিত সরকার দেশ চালায়। এই যে আমরা একটা ভয়ে থাকি যে, রাজনৈতিক দলগুলো স্বৈরাচার হয়ে যায়। স্বৈরাচার হলে আওয়ামী লীগের মতো অবস্থা হবে। সুতরাং, এখানে গণতন্ত্রের কোনো দোষ নেই। গণতন্ত্রই শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা, তা না হলে আওয়ামী লীগের মতোই অবস্থা হবে, ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে। বিএনপির সময়ে কখনো ফ্যাসিবাদের উত্থান হয়নি বা কর্তৃত্ববাদের উত্থান হয়নি।
সংস্কার বিষয়ে বিএনপির অবস্থান নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশজুড়ে একটা প্রচারণা চালানো হচ্ছে যে, বিএনপি আগে নির্বাচন চায়। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। আমরাই সংস্কারের প্রবক্তা, আমরাই সংস্কার চেয়েছি।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ জেলা, উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা/হিমেল/রফিক