সাইফের সঙ্গে দেখা করে যা বললেন সেই অটোচালক
Published: 22nd, January 2025 GMT
রক্তে ভেজা বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খানের পোশাক। হামলার পর অভিনেতাকে তড়িঘড়ি হাসপাতালে নিয়ে যাওয়াটা ছিল খানিক সমস্যার। আহত সাইফকে নিজের অটোতে বসিয়ে মাত্র কয়েক মিনিটে হাসপাতালে পৌঁছে দেন চালক ভজন সিংহ।
অবশ্য মানবিকতার জন্য এক স্বেচ্ছাসেবী সংস্থার পক্ষ থেকে পুরস্কারও পেয়েছেন ভজন। এবার তার সঙ্গে দেখা করলেন অভিনেতা। কাঁধে হাত রেখে ছবিও তুলেছেন।
ভারতীয় গণমাধ্যম সূত্রে জানা গেছে, সাইফ আলী খান ও ভজন সিংহের সাক্ষাৎ হয়েছে মঙ্গলবারই। সাইফের সঙ্গে দেখা করতে হাসপাতালে গিয়েছিলেন ভজন। হাসপাতালে ঢোকা মাত্রই সোজা তাকে নিয়ে যাওয়া হয় সাইফের কক্ষে। দরজা খুলে দেখেন বিছানায় বসে সাইফ।
ভজনের কথায়, ‘যখন সাইফের ঘরে ঢুকলাম তখন দেখলাম, তার মা-সহ গোটা পরিবার সেখানে উপস্থিত। সকলের চোখে মুখেই চিন্তার ছাপ। কিন্তু আমাকে ভীষণ সম্মান দিয়েছেন তারা সকলে। আমাকে ডেকেছেন, ভাল লেগেছে। তেমন কিছু না একেবারেই সাধারণ সাক্ষাৎ। আমি সাইফের জন্য আগেও প্রার্থনা করেছি এখনও তাই করব।’ সূত্র: আনন্দবাজার।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
‘ম্যাডাম ফুলি’ নির্মাতা শহিদুল ইসলাম খোকনকে হারানোর নয় বছর
আশি ও নব্বই দশকের নির্মাতা শহীদুল ইসলাম খোকনের সিনেমা মানেই হলে উপচেপড়া ভিড়। একের পর এক অ্যাকশনধর্মী সিনেমা দিয়ে দর্শক মনে জায়গা করে নিয়েছেন তিনি। তখন তার সিনেমা মুক্তি পাওয়া মানেই ছিল, প্রেক্ষাগৃহের টিকিট কাউন্টারের সামনে দীর্ঘ লাইন। গুণী চলচ্চিত্র নির্মাতা শহীদুল ইসলাম খোকনের মৃত্যুবার্ষিকী আজ।
দীর্ঘদিন মুখগহ্বরের মোটর নিউরন ডিজিসে (এএলএস) আক্রান্ত হয়ে ভুগছিলেন নির্মাতা খোকন। এরপর ২০১৬ সালের আজকের এই দিনে সকাল সোয়া আটটায় রাজধানীর উত্তরার একটি হাসপাতালে ইন্তেকাল করেন তিনি।
শহীদুল ইসলাম খোকনের জন্ম ১৯৫৭ সালের ১৫ মে। জনপ্রিয় অভিনেতা ও প্রযোজক সোহেল রানার সঙ্গে পরিচয় ও সখ্যের সূত্রে ঢাকার চলচ্চিত্র জগতে পা রাখেন তিনি। শুরুটা হয় সোহেল রানার সহকারী হিসেবে। খোকনের নিজের বানানো প্রথম সিনেমা ছিল ‘রক্তের বন্দী’।
শুরুর দিকে খোকনের সিনেমা ভালো ব্যবসা করতে না পারলেও চিত্রনায়ক রুবেলকে নিয়ে খোকনের ‘লড়াকু’ দারুণ সাফল্য পায়। এরপর ‘পালাবি কোথায়’, ‘ম্যাডাম ফুলি’, ‘ভণ্ড’, ‘ঘাতক’, ‘লড়াকু’, ‘বীরপুরুষ’, ‘লাল সবুজ’, ‘বজ্রমুষ্ঠি’, ‘সতর্ক শয়তান’, ‘বিষদাঁত’, ‘উত্থান পতন’ ও ‘টপ রংবাজ’-এর মতো বহু দর্শকপ্রিয় সিনেমা এসেছে তার হাত দিয়ে। দুটি সিনেমায় অভিনয় ছাড়াও তিনি নির্মাণ করেছেন প্রায় ৪০টির মতো সিনেমা।
ড্যানি সিডাক, ইলিয়াস কোবরার মতো অ্যাকশন সিনেমার অনেক অভিনেতাই ঢাকাই সিনেমায় এসেছেন শহীদুল ইসলাম খোকনের হাত ধরে। তার চলচ্চিত্রে মন্দের বিরুদ্ধে ভালোর, অপরাধীর বিরুদ্ধে সচেতন নাগরিকের লড়াই এসেছে বার বার। বাংলাদেশের মুক্তিযুদ্ধ ও স্বাধীনতার চেতনাও তার চলচ্চিত্রকে ছুঁয়ে গেছে। তিনি তার কাজের মাধ্যমে যুগ যুগ বেঁচে থাকবেন দর্শক মনে।