প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামনে মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীদের বিক্ষোভ
Published: 22nd, January 2025 GMT
রাজধানীর কারওয়ান বাজার মোড় থেকে সরিয়ে দেওয়ার পর এবার প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সামনে বিক্ষোভ করছেন মালয়েশিয়া যেতে না পারা কর্মীরা।
বুধবার বেলা ১১টা ৪০ মিনিটে তারা কারওরান বাজার থেকে বিক্ষোভ মিছিল নিয়ে প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উদ্দেশে রওনা হন। সেখানে গিয়ে তারা দ্রুত মালয়েশিয়া যাওয়ার দাবি জানান।
এ সময় আন্দোলনকারীরা এক দফা এক দাবি মালয়েশিয়া যেতে চাই, সিন্ডিকেটের কালো হাত বুক ভেঙে দাও স্লোগান দিতে থাকেন।
বিক্ষোভকারীদের একজন মইনুদ্দিন বাবু জানান, তাদের দাবি একটাই দ্রুত মালয়েশিয়া যাওয়া।
এর আগে সকাল ৯টা থেকে বিক্ষোভকারীরা কারওয়ান বাজার গোলচত্বরে জড়ো হতে থাকেন এবং সাড়ে ৯টার দিকে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ শুরু করেন।
বিক্ষোভের কারণে সড়কে তীব্র যানজট দেখা দিলে পুলিশ তাদের সড়ক থেকে সরিয়ে দেয়। পরে তারা সোনারগাঁও হোটেলের পাশের ফুটপাতে অবস্থান নেন। এসময় পুলিশ তাদের সেখানে ঘিরে রাখে।
ঢাকা মেট্রোপলিটন পুলিশের তেজগাঁও বিভাগের ডেপুটি কমিশনার মোহাম্মদ ইবনে মিজান বলেন, মালয়েশিয়া যেতে ইচ্ছুক কর্মীরা সকাল ৯টা থেকে কারওয়ান বাজার গোলচত্বরে অবস্থান নেন। আমরা তাদের রাস্তা ছেড়ে যাওয়ার অনুরোধ করি, কারণ কাছাকাছি হাসপাতাল-ক্লিনিক আছে এবং রোগীদের যাতায়াতের ক্ষেত্রে অসুবিধা হচ্ছিল।
মালয়েশিয়াগামী এই শ্রমিকদের দাবি, টাকা দিয়েও নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তারা মালয়েশিয়া যেতে না পারেনি। এমনকি তারা এখনও রিক্রুটিং এজেন্টদের কাছ থেকে অর্থও ফেরত পাননি। তাই মালয়েশিয়া যেতে না পারলেও অন্তত তারা তাদের অর্থ ফেরতের দাবি জানিয়েছেন।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
ভিডিও কলে রেখে প্রেমিকের আত্মহত্যা, গৃহবধূকে গাছে বেঁধে রাখলেন এলাকাবাসী
টাঙ্গাইলে প্রেমিকাকে ভিডিও কলে রেখে রাসেল নামে এক কিশোর ফাঁস দিয়ে আত্মহত্যা করেছে। গতকাল বুধবার দুপুরে সদর উপজেলার ঘারিন্দা ইউনিয়নের দরুন এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
রাসেল (১৫) সদর উপজেলার দরুন এলাকার চান মিয়ার ছেলে। এ ঘটনায় ক্ষুব্ধ হয়ে প্রেমিকা গৃহবধূকে গাছে বেঁধে রাখেন স্থানীয়রা।
স্বর্ণালী নামে স্থানীয় এক নারী জানান, রাসেলের সঙ্গে প্রেমের সম্পর্ক ছিল এক নারীর। এই নারীর কয়েক বছর আগে বিয়ে হয়েছে। তাঁর স্বামী কলেজের শিক্ষক। তাদের ঘরে একটি ছেলে সন্তান রয়েছে। বুধবার হঠাৎ খবর পাওয়া যায় রাসেল আত্মহত্যা করেছে। তখন মোবাইল ফোন হাতে নিয়ে ওই নারীর সঙ্গে তার কথোপকথনের বিষয়টি জানা যায়। রাসেলের সঙ্গে ওই নারীর ঝগড়া চলছিল মনে হয়। রাসেল আত্মহত্যা করার সময় ওই গৃহবধূর সঙ্গে কথাও বলেছে। আত্মহত্যার বিষয়টি জানাজানি হলে ঘটনাস্থলে পুলিশ এসে লাশ উদ্ধার করে টাঙ্গাইল জেনারেল হাসপাতালের মর্গে নিয়ে যায়। অপরদিকে প্রেমিকা গৃহবধূকে এলাকাবাসী আটক করে গাছের সঙ্গে বেঁধে রাখেন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করেছে পুলিশ।
টাঙ্গাইল সদর থানার ওসি তানবীর আহমেদ বলেন, ময়নাতদন্ত শেষে লাশটি পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে। এ ঘটনায় অপমৃত্যু মামলা হয়েছে।