রোহিঙ্গা সংকট সমাধানে বাংলাদেশের সঙ্গে কাজ করবে ইউএনএইচসিআর
Published: 22nd, January 2025 GMT
জাতিসংঘের শরণার্থী বিষয়ক হাইকমিশনার ফিলিপ্পো গ্র্যান্ডি জানিয়েছেন, তার সংস্থা রোহিঙ্গা সংকটের একটি টেকসই সমাধান খুঁজতে বাংলাদেশকে সহায়তা করবে।
মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) সুইজারল্যান্ডের দাভোসে বিশ্ব অর্থনৈতিক ফোরামের বৈঠকের ফাঁকে বাংলাদেশের প্রধান উপদেষ্টা অধ্যাপক মুহাম্মদ ইউনূসের সঙ্গে বৈঠকের পর গ্র্যান্ডি এই মন্তব্য করেন।
প্রধান উপদেষ্টা রোহিঙ্গা সংকট নিরসনে বিশেষ করে এই বছরের শেষ দিকে একটি বড় বৈশ্বিক সম্মেলন আয়োজনের জন্য তার সহায়তা চাওয়ার পর গ্র্যান্ডি বলেন, “আমরা আপনাদের সহযোগিতা করতে প্রস্তুত।”
এ সময় অধ্যাপক ইউনূস বলেন, “আপনার কণ্ঠস্বর আরো কঠোর হতে হবে।”
অধ্যাপক ইউনূস রোহিঙ্গা সংকটের ওপর সারা বিশ্বের মনোযোগ ফিরিয়ে আনার আহ্বান জানিয়ে বলেন, “অতিরিক্ত প্রায় ১ লাখ শরণার্থীর আগমন বাংলাদেশের ওপর আরো বোঝা হয়ে উঠেছে।”
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “পরিস্থিতি ক্রমেই জটিল হচ্ছে। তারা আরো রোহিঙ্গাদের বাংলাদেশের দিকে ঠেলে দিচ্ছে।”
রোহিঙ্গাদের আশ্রয়স্থল তৈরির জন্য উন্নত উপকরণ ব্যবহার করার অনুমতি দেওয়ার জন্য গ্র্যান্ডি প্রধান উপদেষ্টাকে ধন্যবাদ জানান।
বৈঠকে তারা মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যের মানবিক পরিস্থিতি নিয়েও আলোচনা করেন। সেখানে এখন বিদ্রোহী গোষ্ঠী আরাকান আর্মি মিয়ানমারের সামরিক বাহিনীর বিরুদ্ধে লড়াই করছে।
প্রধান উপদেষ্টা বলেন, “তিনি রোহিঙ্গা সংকট অবসানে উচ্চ পর্যায়ের একজন প্রতিনিধি নিযুক্ত করেছেন এবং তিনি সব দেশের সরকার এবং আন্তর্জাতিক সংস্থার মধ্যে সমন্বয় করছেন।”
তথ্যসূত্র: বাসস
ঢাকা/ইভা
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
মোদি ভাল বন্ধু, তবে... সঠিক আচরণ করছে না: ট্রাম্প
এই মুহূর্তে সারাবিশ্বের সংবাদমাধ্যমগুলোতে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের আরোপিত পাল্টা শুল্ক নিয়ে আলোচনা চলছে। বিশ্বের এমন কোনো দেশ বাকী নেই যার ওপর ট্রাম্প শুল্ক আরোপ করেননি।
ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদিকে বন্ধু বলে দাবি করলেও শুল্কের বেলায় ট্রাম্প দিল্লিকে ছাড় দেননি। তিনি ভারতের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করেছেন। বুধবার এই শুল্ক ঘোষণার সময় ট্রাম্পের মুখে ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির সঙ্গে তার বন্ধুত্বের বিষয়টিও উঠে আসে।
ট্রাম্প বলেছেন, “প্রধানমন্ত্রী (নরেন্দ্র মোদি) কিছুদিন আগেই এখান থেকে ঘুরে গিয়েছেন। তিনি আমার ভাল বন্ধু। কিন্তু আমি তাকে বলেছি, আপনি আমার বন্ধু, তবে আপনি আমাদের সঙ্গে ঠিকঠাক আচরণ করছেন না।”
তিনি বলেন, “ভারত আমাদের ওপর ৫২ শতাংশ শুল্ক আরোপ করছে, তো আমরা তাদের চার্জ করছি তার অর্ধেক, ২৬ শতাংশ।”
প্রসঙ্গত, ‘পারস্পরিক শুল্ক’ বা পাল্টা শুল্ক মানে, যে দেশ আমেরিকার ওপর যতটা শুল্ক চাপাচ্ছে, সেই দেশের পণ্যে পাল্টা তার উপযুক্ত শুল্ক চাপাচ্ছে আমেরিকা। ২ এপ্রিল থেকে এই শুল্ক কার্যকর হবে।
ঢাকা/শাহেদ