ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় (ঢাবি) এলাকার একটি গাছ থেকে ঝুলন্ত অবস্থায় এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে ফায়ার সার্ভিস।
বুধবার (২২ জানুয়ারি) সকালে মরদেহটি দেখতে পেয়ে ফায়ার সার্ভিসকে খবর দেন এলাকাবাসী। পরে ফায়ার সার্ভিস এসে মরদেহটি উদ্ধার করে।
শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) শেখ হাদিউজ্জামান ও ফায়ার সার্ভিসের নিয়ন্ত্রণ কক্ষের ডিউটি অফিসার লিমা খানম লাশ উদ্ধারের বিষয়টি সংবাদ মাধ্যমকে নিশ্চিত করেছেন।
আরো পড়ুন:
কুড়িগ্রামে ব্রিজের নিচে মিলল ২ নবজাতকের মরদেহ
নিখোঁজ শিক্ষকের মরদেহ মিলল পুকুরে
স্থানীয়রা জানান, ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের গণিত ভবনের উল্টোদিকে জিমনেশিয়ামের কাছের একটি গাছে ঝুলছিল লাশটি। স্থানীয়দের কাছ থেকে খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের টিম ঘটনাস্থলে এসে লাশটি গাছ থেকে নামিয়ে আনে। মরদেহের গায়ে ছিল সবুজ রঙের টিশার্ট ও সাদা রঙের কোট। পরনে নীল রঙের ট্রাউজার।
লিমা খানম জানান, গণিত ভবনের উল্টোদিকরে গাছে ঝুলছিল মরদেহটি। ফায়ার সার্ভিসের হেড কোয়ার্টার থেকে গাড়ি গিয়ে সকাল ৯টা ৪২ মিনিটে মরদেহটি গাছ থেকে নামিয়ে আনে।
ঢাকা/সৌরভ/মাসুদ
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর মরদ হ মরদ হ
এছাড়াও পড়ুন:
ইউক্রেনে জেলেনস্কির বিকল্প নেতা খুঁজছে যুক্তরাষ্ট্র!
ইউক্রেনে শান্তিচুক্তির জন্য দেশটির প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির পদত্যাগ করা লাগতে পারে বলে জানিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের জাতীয় নিরাপত্তা উপদেষ্টা মাইক ওয়ালৎস। তিনি বলেছেন, ‘ইউক্রেনের একজন নেতা প্রয়োজন, তিনি আমাদের সঙ্গে কাজ করতে পারবেন। তিনি শেষ পর্যন্ত রাশিয়ার সঙ্গে কাজ করতে পারবেন এবং এই যুদ্ধ থামাতে পারবেন।’ খবর- সিএনএন
গণমাধ্যমের সামনেই যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ও ইউক্রেনের প্রেসিডেন্ট ভলোদিমির জেলেনস্কির নজিরবিহীন বাগবিতণ্ডার পর এ কথা বললেন তিনি। বাগবিতণ্ডার এ ঘটনাটি নিয়ে নানা আলোচনা চলছে বিশ্বজুড়ে। ওই ঘটনার পর ইউক্রেনের খনিজ সম্পদ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে যে ঐতিহাসিক চুক্তি হওয়ার কথা ছিল, সেটিও বাতিল হয়ে যায়। আর এর পরই ইউক্রেনের ভবিষ্যৎ কোন পথে, তা নিয়ে শুরু হয় আলোচনা।
এই প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্যদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বড় সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে বলে মনে করেন বিশ্লেষকরা। শুক্রবারের ওই ঘটনায় সাবেক ডেমোক্র্যাট প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনের গড়া ওয়াশিংটন-কিয়েভ সম্পর্ক ভেঙে পড়েছে। এই প্রকাশ্য দ্বন্দ্ব ন্যাটোর ইউরোপীয় সদস্যদের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের বড় সংকটের ইঙ্গিত দিচ্ছে।
যদিও ইউক্রেন যুদ্ধ বন্ধের বিষয়ে আবারও এক টেবিলে বসার ইঙ্গিত দিয়েছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও। তিনি বলেছেন, ইউক্রেন ও রাশিয়া-দুই পক্ষই আলোচনায় না বসলে যুদ্ধ থামবে না। হোয়াইট হাউসে শুক্রবার ট্রাম্প-জেলেনস্কি বিতণ্ডার পর থেকে ইউক্রেনের সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রের আর কথা হয়নি। যুদ্ধ থামানোর জন্য রাশিয়াকে আলোচনার টেবিলে আনতে হবে। তবে তাদের প্রতি বৈরী মনোভাব রাখলে, মস্কোকে আলোচনায় যুক্ত করা সম্ভব হবে না। কোনো চুক্তি করার ক্ষেত্রে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প এই মনোভাবই দেখিয়ে আসছেন।
তিনি বলেন, ‘আমি আশা করি, সবকিছু আবার শুরু হতে পারে। আশা করি, তিনি (জেলেনস্কি) এটা বুঝতে পারবেন যে আমরা আসলে আরও হাজার হাজার মানুষের মৃত্যুর আগে, তাঁর দেশকে সাহায্যের চেষ্টা করছি।’