বেরোবির ৭১ শিক্ষার্থী বহিষ্কার ‘ছেলে ভোলানো’ বলে প্রত্যাখ্যান
Published: 21st, January 2025 GMT
রংপুরে বেগম রোকেয়া বিশ্ববিদ্যালয়ে বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনে হামলা, ভাঙচুর এবং আবু সাঈদ হত্যায় জড়িত অভিযোগে ৭১ শিক্ষার্থীকে বিভিন্ন মেয়াদে বহিষ্কার করেছে কর্তৃপক্ষ। সোমবার বিশ্ববিদ্যালয়ের ১০৯তম সিন্ডিকেট সভার এ সিদ্ধান্ত মঙ্গলবার সংবাদ বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে জানানো হয়েছে। তবে বেশির ভাগকে এক থেকে দুই সেমিস্টার বহিষ্কার করার এ সিদ্ধান্তকে ‘ছেলে ভোলানো’ জানিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। ওই শিক্ষার্থীদের দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি দাবিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া চত্বরে অবস্থান কর্মসূচি করেছেন তারা।
বিশ্ববিদ্যালয়ের উপাচার্য ও শৃঙ্খলা বোর্ডের সভাপতি ড.
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়েছে, পমেল বড়ুয়া, শামীম মাহাফুজ, ধনঞ্জয় কুমার টগর, গ্লোরিয়াস (ফজলে রাব্বি), বাবুল, বিধান, তানভীর, আবদুল্লাহ আল নোমান খান, রিফাত, ফারহাদ হোসেন এলিট, মোমিনুল, আরিফুজ্জামান ইমন, গাজীউর, শাহিদ হাসান ও মামুন নামে ১৫ জনের বিরুদ্ধে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন আইনগত ব্যবস্থা নেবে।
এ ছাড়া দুই সেমিস্টার বহিষ্কার শিক্ষার্থীরা হলেন– সেজান আহমেদ, আরাফাত রহমান আবির, আবু সালেহ নাহিদ, ইমরান চৌধুরী আকাশ, কফি আনান মান্নান, মাসুদুল হাসান, উজ্জ্বল মিয়া, হাবিবুর রহমান, সাখাওয়াত হোসেন, শোয়াইবুল, আব্দুল্লাহ আল রায়হান, বায়েজিদ মোস্তাফী, রাসেল, সিয়াম আল নাহিদ, অমিত, আখতার হোসেন, তানজিল, মুন্না হাসান লিওন, জিহান আলী, সাব্বির হোসেন (রিয়ান), গালিব হাসান, মাহমুদুর রহমান হৃদয়, মোশারফ হোসেন, পিপাস আলী, মোজাম্মেল হক, মৃত্যুঞ্জয় রায়, সাজ্জাদ হোসেন, মানিক চন্দ্র সেন, রবীন্দ্র রায়, সিয়াম আরাফাত, সাব্বির আহমেদ, মুসান্না-বিন-আহমেদ ও শাহীন ইসলাম।
এক সেমিস্টার বহিষ্কৃতরা হলেন– হাসানুজ্জামান সৌমিক, সুদীপ্ত সরকার বাঁধন, জুবায়ের মাহমুদ, কোমল দেবনাথ, রিজন মণ্ডল, আব্দুল্লাহ আল মাহমুদ, ফিলিপ রায়, জিহাদ উল্লাহ, এস এম লাবু ইসলাম, জয়ন্ত চন্দ্র রায়, সবুজ কুমার, সবুজ মহন্ত, মেহেদী হাসান মিরাজ, জামাল মিয়া, তৌফিক কিবরিয়া, মেজবাহুল সরকার জয়, দেবাশীষ কুমার রায়, আতেফ আসহাব দিল মণ্ডল, নাফিউল ইসলাম, তপন চৌধুরী, সাজেদুর রহমান, আমিরুল ইসলাম শুভ ও শফিউল আযম ওরফে (সম্রাট)।
তবে এই শাস্তিমূলক ব্যবস্থা ‘নামমাত্র’ জানিয়ে তা প্রত্যাখ্যান করে অবস্থান কর্মসূচি করেছেন সাধারণ শিক্ষার্থীরা। মঙ্গলবার বিকেল ৪টার দিকে বিশ্ববিদ্যালয়ের মিডিয়া চত্বরে এ কর্মসূচি হয়। এ সময় শিক্ষার্থীদের হাতে ছিল ‘বিচারের নামে প্রহসন, মানি না, মানব না’, ‘ছেলে ভোলানো বিচার মানি না মানব না’, ‘প্রহসনের বিলম্ব অপরাধীর সার্টিফিকেট নিয়ে পালানো’সহ নানা প্ল্যাকার্ড।
কর্মসূচিতে বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী আশিকুর রহমান বলেন, প্রশাসনের ভুলে গেলে চলবে না, তারা যে চেয়ারে বসে আছে তা জুলাই বিপ্লবের ফসল। ছাত্রলীগের নেতাকর্মীকে আগামী তিন কর্মদিবসের মধ্যে স্থায়ী বহিষ্কার করতে হবে এবং সার্টিফিকেট বাজেয়াপ্ত করতে হবে।
সমাজবিজ্ঞান বিভাগের শিক্ষার্থী আহসান হাবিব বলেন, এক-দুই সেমিস্টার বহিষ্কারের এই মুলা ঝুলানো শাস্তি আমরা মেনে নেব না। যাদের অনার্স শেষ হয়েছে, তারা সার্টিফিকেট তুলে নিয়ে গেছে। ওই সার্টিফিকেট তারা কার সাহায্যে তুলে নিয়ে গেছে, তা তদন্ত করে বের করতে হবে।
উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: জ ল ই গণহত য র রহম ন ইসল ম
এছাড়াও পড়ুন:
বাংলা ভিশন ও বৈশাখী টেলিভিশনে আজ যা দেখতে পারেন
সাত দিনব্যাপী ঈদ অনুষ্ঠানমালার আয়োজন করেছে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলো। একক নাটক, চলচ্চিত্র, ধারাবাহিক নাটক, ম্যাগাজিন অনুষ্ঠান, গানের অনুষ্ঠান, নৃত্যানুষ্ঠানসহ নানা বৈচিত্র্যময় আয়োজনে সাজানো হয়েছে চ্যানেলগুলোর অনুষ্ঠান। ঈদের চতুর্থ দিন কী কী আয়োজন থাকছে দেশের টেলিভিশন চ্যানেলগুলোয়, তা নিয়ে বিনোদনের বিশেষ এই আয়োজন।
বৈশাখী টেলিভিশন
সকাল ৮টা ১৫ মিনিটে ‘বৈশাখীর সকালের গান’। অতিথি: কণ্ঠশিল্পী পূজা। বেলা ১১টায় ‘গানে গানে ঈদ আনন্দ’। অতিথি: কণ্ঠশিল্পী আশিক ও আয়শা জেবিন দিপা। বেলা একটায় ‘শুধু সিনেমার গান’। বিকেল ৫টা ১৫ মিনিটে ধারাবাহিক ‘ব্ল্যাক মানি’। অভিনয়ে কাজী হায়াৎ, ওমর সানী, ডন, অমিত হাসান, হাসান জাহাঙ্গীর। বিকেল ৫টা ৪৫ মিনিটে ধারাবাহিক ‘মানি লোকের মান’। অভিনয়ে জাহের আলভী, ফারজানা আহসান মিহি, আবদুল্লাহ রানা। সন্ধ্যা ৬টা ২০ মিনিটে ধারাবাহিক ‘শাশুড়ির বিয়ে’। অভিনয়ে মীর সাব্বির, আ খ ম হাসান, ফারজানা আহসান মিহি, শিল্পী সরকার অপু, মাসুম বাশার, শেলী আহসান।
‘মন খারাপের ঘর’ নাটকে খায়রুল বাসার, তানজিন তিশা