পাঁচ শতাধিক শিল্পী, সংস্কৃতিকর্মী ও সংগঠকের অংশগ্রহণে জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের ৪৩তম বার্ষিক অধিবেশন শুরু হচ্ছে বৃহস্পতিবার। রাজধানীর ধানমন্ডির ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে অধিবেশনের পর্দা উঠছে। তিন দিনের সান্ধ্য অধিবেশন সাজানো হয়েছে গুণীজনের সুবচন রবিরশ্মি, গীতি আলেখ্য, আবৃত্তি, পাঠ, নৃত্য ও গান দিয়ে।

বৃহস্পতিবার বিকেল সাড়ে ৪টায় বোধনসংগীত ‘এই কথাটা ধরে রাখিস, মুক্তি তোরে পেতেই হবে’ গাওয়ার মধ্য দিয়ে অধিবেশনের উদ্বোধন হবে। প্রথমদিন রবীন্দ্রপদক দিয়ে গুণী সম্মাননা জানানো হবে রবীন্দ্রসংগীতের প্রয়াত শিল্পী পাপিয়া সারোয়ারকে।

আজ মঙ্গলবার ছায়ানট সংস্কৃতি ভবন মিলনায়তনে এক সংবাদ সম্মেলনে জাতীয় রবীন্দ্রসংগীত সম্মিলন পরিষদের সহ-সভাপতি সারওয়ার আলীর সভাপতিত্বে আয়োজনের বিস্তারিত তুলে ধরেন সম্পাদকমণ্ডলীর সদস্য তানিয়া মান্নান। সংবাদ সম্মেলনে আরও বক্তব্য দেন সহসভাপতি বুলবুল ইসলাম, আমিনুল হক বাবুল এবং লাইসা আহমদ লিসা।

তানিয়া মান্নান জানান, আয়োজন উদ্বোধন করবেন সংগীতগুণী সিপিডির নির্বাহী পরিচালক ফাহমিদা খাতুন। সেখানে প্রধান অতিথি থাকবেন চিত্রশিল্পী রফিকুন নবী। এ আয়োজনে রবীন্দ্রপদক দিয়ে গুণী সম্মাননা জানানো হবে রবীন্দ্রসংগীতের প্রয়াত শিল্পী পাপিয়া সারোয়ারকে।

দ্বিতীয় দিন বিকেল ৪টায় আছে সেমিনার। এতে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করবেন অধ্যাপক ফকরুল আলম। আলোচনায় অংশ নেবেন আলম খোরশেদ ও হামীম কামরুল হক।

শেষের দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। প্রকাশ করা হবে সংকলন ‘সংগীত সংস্কৃতি’। আয়োজন শেষ হবে আগামী ২৫ জানুয়ারি।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

মানিকগঞ্জে মাতাল হয়ে থানায় ঢুকে গালিগালাজ, যুবদলের দুই নেতা গ্রেপ্তার

এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। খবর পেয়ে স্থানীয় যুবদলের দুই নেতা মধ্যপ অবস্থায় থানায় গিয়ে ওই আসামিকে ছাড়াতে যান। তাঁরা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ ও গালিগালাজ করেন। পরে পুলিশ ওই দুইজনকে গ্রেপ্তার করে। গতকাল শনিবার রাতে মানিকগঞ্জের সিঙ্গাইর থানায় এ ঘটনা ঘটে।

গ্রেপ্তার দুজন হলেন সিঙ্গাইর পৌর যুবদলের সদস্যসচিব শফিকুল ইসলাম ওরফে জীবন (৪৫) ও পৌরসভার ৭ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সদস্য শফিকুল ইসলাম (২৬)।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, গতকাল একটি মামলায় এজাহারভুক্ত এক আসামিকে গ্রেপ্তার করে সিঙ্গাইর থানার পুলিশ। পরে রাত ৯টার দিকে যুবদলের স্থানীয় ওই দুই নেতা থানায় গিয়ে পুলিশ সদস্যদের আসামি ছাড়তে বলেন। এ সময় তাঁরা পুলিশ সদস্যদের সঙ্গে অসদাচরণ ও গালিগালাজ করতে থাকেন। পরে পুলিশ মদ্যপ অবস্থায় তাঁদের আটক করে। পরে তাঁদের উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়।

সিঙ্গাইর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জে ও এম তৌফিক আজম বলেন, মদ্যপ অবস্থায় ওই দুই ব্যক্তি থানায় আসেন। এরপর তাঁরা এজাহারভুক্ত গ্রেপ্তার এক আসামিকে ছাড়তে বলেন। এ সময় পুলিশ সদস্যদের গালিগালাজ করেন। এ ঘটনায় গতকাল রাতেই মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ আইন ও পুলিশের সঙ্গে অসদাচরণের অভিযোগে তাঁদের বিরুদ্ধে থানায় মামলা হয়েছে। আজ রোববার দুপুরে ওই দুজনকে আদালতে পাঠানো হবে।

এ ব্যাপারে জেলা যুবদলের আহ্বায়ক কাজী মোস্তাক হোসেন বলেন, বিষয়টি তিনি জেনেছেন। দলের পক্ষ থেকে ঘটনাটি তদন্ত করা হবে। অভিযোগের সত্যতা পাওয়া গেলে যুবদলের ওই দুই নেতার বিরুদ্ধে সাংগঠনিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। সংগঠনবিরোধী ও দেশের প্রচলিত আইনবিরোধী কোনো কর্মকাণ্ডে সংগঠনের কেউ জড়িত থাকলে কাউকে কোনো ছাড় দেওয়া হবে না।

সম্পর্কিত নিবন্ধ