কুড়িগ্রামের নাগেশ্বরী উপজেলার কচাকাটা থানার বলদিয়া ইউনিয়নের তালতলা বেইলি ব্রিজের নিচ থেকে দুই নবজাতকের মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। 

মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) দুপুরে মরদেহ দুটি উদ্ধার হয় বলে জানিয়েছেন কচাকাটা থানার এসআই কার্তিক চন্দ্র রায়।

এলাকাবাসী জানান, আজ দুপুরে ব্রিজের নিচের খালে কয়েকজন গ্রামবাসী গোসল করতে যান। এসময় তারা পলিথিনে মোড়ানো একটি নবজাতকের লাশ ভাসতে দেখেন। অদূরে খালের কিনারায় শুকনো জায়গায় আরো একটি নবজাতকের মরদেহ দেখত পান তারা। দুই নবজাতকের মরদেহ পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়লে শত শত মানুষ ব্রিজের নিচে জড়ো হন। পরে বলদিয়া ইউনিয়ন পরিষদের সদস্য সিদ্দিক আলীর কাছ থেকে খবর পেয়ে বিকেলে কচাকাটা থানার পুলিশ সদস্যরা মরদেহ দুটি উদ্ধার ও সুরুতহাল করে।

আরো পড়ুন:

নিখোঁজ শিক্ষকের মরদেহ মিলল পুকুরে

নদী থেকে পাওয়া মৃত শিশুর পোশাক দেখে নিজের সন্তান দাবি

বলদিয়া ইউনিয়নের পূর্ব কেদার গ্রামের বাসিন্দা সুজন মিয়া বলেন, “দুপুরে খবর পেয়ে ব্রিজের নিচে এসে দেখি দুই নবজাতকের মরদেহ পানিতে ভাসছে।”

ইউপি সদস্য সিদ্দিক আলী বলেন, “নবজাতকদের মরদেহ দেখে বয়স অনুমান করা সম্ভব হয়নি। দুটি নবজাতক কন্য। হয়তো জমজ। কে বা কারা ফেলে গেছে এ তথ্য পাওয়া যায়নি।”

কচাকাটা থানার এসআই কার্তিক চন্দ্র রায় বলেন, “মরদেহ দুটির সুরতহাল শেষে ইউনিয়ন চেয়াম্যানের নিকট হস্তান্তর করা হয়েছে। চেয়ারম্যান মরদেহগুলো দাফন করবেন। ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তার নির্দেশনা অনুযায়ী আইনি ব্যবস্থা নেওয়া হবে।”

ঢাকা/কুড়িগ্রাম/মাসুদ

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর মরদ হ মরদ হ দ

এছাড়াও পড়ুন:

নীলফামারীতে পুলিশ-সেনা সদস্যদের যৌথ টহল অব্যাহত

নীলফামারীতে সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এবং ঈদের পরও সড়কে শৃঙ্খলা বজায় রাখতে বাংলাদেশ সেনাবাহিনী এবং পুলিশের যৌথ টহল ও চেকপোস্ট কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে। 

আজ মঙ্গলবার (১ এপ্রিল) ঈদের পরের দিনে সেনাবাহিনী ও পুলিশ যৌথভাবে নীলফামারী সদরের উত্তরা ইপিজেড, সৈয়দপুর বাসটার্মিনাল, শুটকির মোড় ও পাঁচ মাথা মোড়ে চেকপোস্ট বসিয়ে সন্দেহভাজন ব্যক্তি, হেলমেট ও লাইসেন্সবিহিন মোটরসাইকেল আরোহী, নছিমন, ভটভটি, প্রাইভেটকার ও বাসে তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে।

নীলফামারীতে সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফাহিম এহসান ও সিনিয়র ওয়ারেন্ট অফিসার ওমর ফারুক এবং সৈয়দপুরে সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার মোস্তফা মজুমদারের নেতৃত্বে এই কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়। 

আরো পড়ুন:

প্রধান উপদেষ্টাকে ঈদ-নিরাপত্তার বিষয়ে জানিয়েছেন সেনাপ্রধান

সেনাবাহিনীকে বিতর্কিত করার চেষ্টা করা হচ্ছে: তারেক রহমান

এ সময় নীলফামারীর ইপিজেড পয়েন্টে পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) প্রশান্ত রায় ও সৈয়দপুর পয়েন্টে এসআই সুজন উপস্থিত ছিলেন।  

সেনাবাহিনীর ক্যাপ্টেন মোহাম্মদ ফাহিম এহসান জানান, ঈদুল ফিতর উপলক্ষে নীলফামারীতে জনগণের সার্বিক নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সেনা সদস্যরা ঈদের পরও নিরলসভাবে কার্যক্রম পরিচালনা করে যাচ্ছে। যৌথ বাহিনীর চেকপোস্ট পরিচালনার মুল উদ্দেশ্য হলো সচেতনতা বৃদ্ধিসহ মানুষ যেন নিশ্চিন্তে ও নিরাপদে চলাফেরা করতে পারে এবং দুষ্কৃতিকারীদের তৎপরতা সীমিত রাখা যায়।   

সেনাবাহিনী সুত্র জানায়, গত ২ মার্চ থেকে সেনাবাহিনী ও পুলিশ বিভিন্ন ধরনের চেকপোস্ট ও তল্লাশি কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। এ পর্যন্ত দুই উপজেলায় ২৫২টি মামলায় ৮ লাখ ৩৬ হাজার ৫০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়েছে। এরমধ্যে নীলফামারীতে ১৪২টি মামলায় ৪ লাখ ৭০ হাজার ৬০০ টাকা এবং সৈয়দপুরে ১১০টি মামলায় ৩ লাখ ৬৫ হাজার ৯০০ টাকা জরিমানা আদায় করা হয়। 

সেনাবাহিনীর ওয়ারেন্ট অফিসার মোস্তফা মজুমদার জানান, কার্যক্রমের ফলে জনগণের মাঝে আরো তৎপরতা ও সচেতনতা বৃদ্ধি পেয়েছে। চেকপোস্টের মাধ্যমে যানবাহনে লাইসেন্স না থাকায় ব্যবস্থা নেওয়া এবং হেলমেটবিহীন মোটরসাইকেল আরোহীদের সতর্ক করা হয়। 

এছাড়াও বাস, প্রাইভেটকার, মাইক্রোবাস এবং সন্দেহভাজন ব্যক্তিদের তল্লাশি করা হয়। 

ঢাকা/সিথুন/বকুল

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • আসামি ছিনিয়ে নিতে পুলিশের উপর হামলা, গ্রেপ্তার ১৬
  • নীলফামারীতে পুলিশ-সেনা সদস্যদের যৌথ টহল অব্যাহত