বিরামপুরে ১২টি স্বর্ণের বারসহ একজন আটক
Published: 21st, January 2025 GMT
দিনাজপুরের বিরামপুর থানা পুলিশ গোপন সংবাদের ভিত্তিতে অভিযান চালিয়ে ১২টি স্বর্ণের বারসহ একজনকে আটক করেছে। আটক ব্যক্তিকে মঙ্গলবার দিনাজপুর আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, সোমবার রাত ৮টায় গোপন সংবাদের ভিত্তিতে মুকুন্দপুর এলাকায় অবস্থান নেয় পুলিশ। এসময় বিরামপুর থেকে ভারতে যাওয়ার পথে সন্দেহজনকভাবে জয়দেব মহন্ত নামে একজনকে আটক করা হয়। তার শরীর তল্লাশি করে ১২টি স্বর্ণের বার উদ্ধার করা হয়।
আটক জয়দেব মহন্ত বগুড়ার আদমদীঘি থানার কাঞ্চনপুর গ্রামের গিরেন মহন্তের ছেলে।
বিরামপুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মমতাজুল হক জানান, এ ঘটনায় থানায় বিশেষ ক্ষমতা আইনে মামলা দায়ের করা হয়েছে এবং আটক ব্যক্তিকে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: স বর ণ র ব র
এছাড়াও পড়ুন:
কটিয়াদীতে ডাকাতি শেষে গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ
কিশোরগঞ্জের কটিয়াদীতে ডাকাতি শেষে এক গৃহবধূকে ধর্ষণের অভিযোগ পাওয়া গেছে। গতকাল সোমবার ঈদের দিন রাতে পৌর শহরের একটি এলাকায় এ ঘটনা ঘটে বলে অভিযোগ করেছেন ভুক্তভোগীরা।
এ ঘটনায় ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী থানায় মামলার প্রস্তুতি নিচ্ছেন। এদিকে ধর্ষণের অভিযোগ পেয়ে ঘটনাস্থলে যান কটিয়াদী-হোসেনপুর সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মো. তোফাজ্জল হোসেন। তিনি গৃহবধূ ও পরিবারের সদস্যদের সঙ্গে কথা বলেন।
পরিবারের সদস্যরা জানান, স্বামী ও দুই সন্তান নিয়ে গৃহবধূর সংসার। স্বামী দিনে চা বিক্রি করেন। রাতে নৈশপ্রহরী হিসেবে কাজ করেন। ঈদের দিন সন্ধ্যার পর পাহারা দিতে যথারীতি স্বামী ঘর থেকে বের হয়ে যান। রাত ১০টার পর গৃহবধূ তাঁর তিন ও আট বছর বয়সী দুই সন্তান নিয়ে ঘুমিয়ে পড়েন। গৃহবধূর ঘরের ভিটে পাকা হলেও বেড়া ও চাল টিনের। রাত পৌনে দুইটার দিকে জানালা কেটে ডাকাতেরা ঘর থেকে নগদ ৪০ হাজার টাকা ও স্বর্ণালংকার নিয়ে যান। যাওয়ার আগে অস্ত্রের মুখে গৃহবধূকে জিম্মি করে একজন ধর্ষণ করেন।
গৃহবধূর স্বামী প্রথম আলোকে বলেন, ‘ডাকাতেরা রাত তিনটার মধ্যে চলে যায়। ভোর ছয়টায় আমি বাড়িতে ফিরলে স্ত্রীর কাছ থেকে ডাকাতি ও ধর্ষণের ঘটনা জানতে পারি।’
গৃহবধূ জানান, ডাকাত দলে পাঁচ থেকে ছয়জন ছিলেন। তাঁদের একজন তাঁকে ধর্ষণ করেন। ধর্ষণের ঘটনা কাউকে জানালে পরে এসে প্রাণে মেরে ফেলবেন বলে হুমকি দিয়ে যান। এ কারণে মনে ভয় জাগে। এ জন্য ডাকাত দলে যাওয়ার পর কাউকে কিছু জানাননি। ভোরে স্বামী ফিরলে তাঁকে ঘটনা জানান।
এ বিষয়ে অতিরিক্ত পুলিশ সুপার তোফাজ্জল হোসেন এখনই কিছু বলতে রাজি হননি। পরে বিস্তারিত জানানো হবে বলে জানান।
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে কটিয়াদী থানার এক উপপরিদর্শক জানান, আনুষ্ঠানিকতা শেষ করার পর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য গৃহবধূকে কিশোরগঞ্জ হাসপাতালে পাঠানো হবে।