হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন সাইফ আলী খান
Published: 21st, January 2025 GMT
ছয়দিন চিকিৎসা নেওয়ার পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেলেন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলী খান। মঙ্গলবার (২১ জানুয়ারি) বিকালে লীলাবতী হাসপাতাল থেকে ‘রেস’ তারকাকে ছাড়পত্র দেওয়া হয়। খবর এনডিটিভির।
এ প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, ৫৪ বছরের সাইফ আলী খান এখনো হাসপাতাল থেকে বের হননি। কারণ তার মা-প্রবীণ অভিনেত্রী শর্মিলা ঠাকুর আনুষ্ঠানিকতা সম্পন্ন করতে তাকে সাহায্য করছেন। সাইফ আলী খানের স্ত্রী অভিনেত্রী কারিনা কাপুর খান হাসপাতালে ছিলেন। কিন্তু কিছুক্ষণ আগে তিনি বাড়ি চলে গেছেন।
গত ১৫ জানুয়ারি দিবাগত মধ্যরাতে সাইফ আলী খানের মুম্বাইয়ের বান্দ্রার বাড়িতে এক দুর্বৃত্ত ঢুকে পড়ে। সে সময় বাড়ির সবাই ঘুমাচ্ছিলেন। স্টাফ নার্স লিমার চিৎকারে ঘুম ভাঙে সাইফের। এরপর ওই দুর্বৃত্তের সঙ্গে ধস্তাধস্তি হয় তার।
আরো পড়ুন:
আহত সাইফ আলী খানকে দেখতে মুম্বাইয়ে শাকিব?
সাইফের হামলাকারী বাংলাদেশি, পুলিশের এই অভিযোগ মিথ্যা: আইনজীবী
একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র দিয়ে একাধিকবার সাইফকে আঘাত করে পালিয়ে যায়। রক্তাক্ত অবস্থায় অভিনেতাকে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেদিন সকালে অস্ত্রোপচার শেষে আইসিইউতে রাখা হয়। এরপর সাধারণ বেডে স্থানান্তর করা হয় সাইফকে।
এ ঘটনায় বান্দ্রা থানায় মামলা দায়ের হয়েছে। সাইফ আলী খানের ওপরে হামলার অভিযোগে মোহাম্মদ শরীফুল ইসলাম শেহজাদ ওরফে বিজয় দাস নামে একজনকে গ্রেপ্তার করেছে মুম্বাই পুলিশ। গত ১৯ জানুয়ারি ভোরে গ্রেপ্তার করা হয় তাকে। আদালত তাকে পাঁচদিন পুলিশি হেফাজতে রাখার নির্দেশ দেন। বর্তমানে পুলিশি হেফাজতে রয়েছেন শেহজাদ।
গ্রেপ্তারের পরই মুম্বাই পুলিশ দাবি করে, “শেহজাদ বাংলাদেশের নাগরিক।” কিন্তু শেহজাদের আইনজীবীর দাবি, “এ তথ্য সত্য নয়, মামলাটিকে পরিবর্তন করে ‘আন্তর্জাতিক ষড়যন্ত্র’ হিসেবে দেখছে পুলিশ।” তবে পুরো ঘটনা নিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।
ঢাকা/শান্ত
.উৎস: Risingbd
কীওয়ার্ড: চ কর চ কর চলচ চ ত র
এছাড়াও পড়ুন:
বিরল কাস্তে হাঁসের সন্ধানে
বিরল হাঁসটি প্রথম দেখি ২০২০ সালের ডিসেম্বরে রাজশাহীতে; কিন্তু তখন ঘন কুয়াশার কারণে ভালো ছবি তোলা যায়নি। এরপর বহুদিন হাঁসটি দেখিনি। দুই বছর আগে সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে অনেক খুঁজেও ওটির সন্ধান পাইনি। অবশেষে গত ৬ ফেব্রুয়ারি রাতে আবারও টাঙ্গুয়ায় গেলাম। সকালে সুনামগঞ্জে পৌঁছে দ্রুত তাহিরপুর গিয়ে ‘জলসঙ্গী‘ নামের বজরায় উঠলাম। বেলা সাড়ে ১১টায় বজরা ‘গোলাবাড়ি’ নোঙর করল। সময় নষ্ট না করে বজরা থেকে কোষানৌকায় উঠে হাওরের দিকে রওনা হলাম। দুপুর ১২টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত হাওরের রৌয়া বিল, চটাইন্না বিল, চটাইন্না খাল, লেইছমারা বিল ঘুরেও হাঁসটির দেখা মিলল না।
পরদিন সকালে রৌয়া, চটাইন্না ও রূপাভূঁই বিল হয়ে লেইছমারা বিলে গেলাম। লেইছমারা বিশাল বিল। শেষ পর্যন্ত বিলের হাতিরগাতা কান্দার কাছাকাছি হাঁসটির দেখা পেলাম। তবে বেশ দূর থেকে; কোনোভাবেই কাছে যেতে পরছিলাম না। এরপর আবারও রৌয়া বিলে ফিরে এলাম। দুপুর ১২টা ২৩ মিনিটে আরও তিনটি একই প্রজাতির হাঁসের দেখা পেলাম। এবার কিছু চোখজুড়ানো ছবি তোলা গেল। পাশাপাশি স্ত্রী পাখিটিরও ছবি তুলতে পারলাম।
টাঙ্গুয়ার হাওরের রৌয়া বিলে ওড়ার মুহূর্তে একটি কাস্তে হাঁসা