৬ দিন পর হাসপাতাল থেকে ছাড়া পেয়েছেন বলিউড অভিনেতা সাইফ আলি খান। আজ বিকেলে মুম্বাইয়ের লীলাবতী হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হয়েছে তাকে। চিকিৎসকেরা জানিয়েছেন, আপাতত ভালো আছেন অভিনেতা। যেহেতু তার অস্ত্রোপচার হয়েছে, কিছুদিন বিশ্রামে থাকতে হবে বলে জানিয়েছেন।

এর আগে গত বৃহস্পতিবার বান্দ্রায় সাইফের বিলাসবহুল ফ্ল্যাটে ঢুকে ডাকাতির চেষ্টা চালায় আততায়ী। এ সময় সাইফ আলি খান তাকে বাধা দিতে গেলে হামলার শিকার হন। রাত আড়াইটার দিকে জখম সাইফকে অটোতে করে হাসপাতালে নিয়ে যায় তার ছেলেরা।

এরপর হাসপাতালে জরুরি অস্ত্রোপচার করা হয় নায়ককে। তার মেরুদণ্ড থেকে ছুরির ৩ ইঞ্চি লম্বা একটি টুকরো বের করা হয় এবং স্পাইনাল ফ্লুইড লিক বন্ধ করা হয়। হাসপাতাল পরে অস্ত্রোপচারের সময় পাওয়া ওই ধারালো বস্তুটির ছবিও প্রকাশ করে।

এদিকে হামলাকারীকে আটক করেছে পুলিশ। পুলিশি তদন্তে জানা যায়, অভিযুক্তের নাম শরিফুল ইসলাম শেহজাদ। তাকে নিয়ে ২০ জন পুলিশ কর্মকর্তার একটি দল চারটি পুলিশের ভ্যানে করে সাইফের বান্দ্রায় বাসায় পৌঁছায়, অভিযুক্তকে নিয়ে পুরো ঘটনার পুনর্নির্মাণ করে। সূত্র: হিন্দুন্থান টাইমস ও এনডিটিভি।

.

উৎস: Samakal

এছাড়াও পড়ুন:

চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মুত্যু 

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইয়াসিন আলী (২৪) ও মাহির তাজয়ার তাজ (১৫) নামে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

বুধবার (২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে একটি ও গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মাহির তাজওয়ার তাজ আলমডাঙ্গা উপজেলার গড়চাপড়া গ্রামের ইউসুফ আলী মাস্টারের ছেলে ও ইয়াসিন আলী  চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের দিদার আলীর ছেলে। 

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদুর রহমান, জানান, অসাবধানতা ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল ড্রাইভ করতে যেয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহির তাজওয়ার তাজ গুরুতর আহত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। রাতে তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে রাত ৮ টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে মাহির মারা যায়। 

অন্যদিকে গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে ইয়াসিন আলী মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের নিচে পড়ে যায়।  এসময় তার দুই পা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে গুঁড়িয়ে যায়। তাকে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৬ দিনের মাথায় বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ইয়াসিন মারা যায়। 

দুটি দুর্ঘটনায় কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের না করায় সুরতহাল রিপোর্ট শেষে স্ব স্ব পরিবারের কাছে তাদের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। 

ঢাকা/মামুন/টিপু 

সম্পর্কিত নিবন্ধ