ইউক্রেন ইস্যুতে ট্রাম্পের সঙ্গে আলোচনায় আগ্রহী পুতিন
Published: 21st, January 2025 GMT
ইউক্রেন ইস্যু নিয়ে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে আগ্রহ প্রকাশ করেছেন রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন। সংঘাতপূর্ণ অঞ্চলে ‘স্থায়ী শান্তি’ প্রতিষ্ঠার সমাধান বের করারও দাবি জানিয়েছেন তিনি। খবর এএফপির।
প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সোমবার দ্বিতীয় মেয়াদে ট্রাম্পের শপথগ্রহণের আগে টেলিভিশনে প্রচারিত এক বার্তায় নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টকে অভিনন্দন জানান পুতিন। অভিনন্দন বার্তায় পুতিন বলেন, ইউক্রেন সংঘাত নিয়ে নতুন মার্কিন প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনায় বসতে ইচ্ছুক আমরা। এই পরিস্থিতির সমাধান প্রসঙ্গে বলতে চাই, কেবল একটি স্বল্পমেয়াদী যুদ্ধবিরতি আমাদের লক্ষ্য হওয়া উচিত না। বরং সকল জনগণের বৈধ স্বার্থের প্রতি সম্মান রেখে স্থায়ী শান্তির রাস্তা করা উচিত। বার্তায় রাশিয়ার ও জনগণের স্বার্থ রক্ষার জন্য লড়াই করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন পুতিন।
নির্বাচনী প্রচারণায় ট্রাম্পের সবচেয়ে বড় প্রতিশ্রুতির একটি ছিল ইউক্রেন যুদ্ধ নিয়ে। তিনি বলেছেন, নির্বাচিত হলে ২৪ ঘণ্টার মধ্যে থামিয়ে দেবেন এই যুদ্ধ। ‘তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ’ এড়াতে মস্কো ও কিয়েভের সঙ্গে আলোচনা বসার প্রতিশ্রুতিও দিয়েছেন তিনি।
তৃতীয় বিশ্বযুদ্ধ প্রতিরোধে ট্রাম্পের ইচ্ছাকে ‘স্বাগত’ জানিয়েছেন রুশ প্রেসিডেন্ট। তিনি বলেন, আমরা অবশ্যই এই মনোভাবকে স্বাগত জানাই এবং যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্টকে দায়িত্ব গ্রহণের জন্য অভিনন্দন জানাই।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
কখনো বলিনি, আগে নির্বাচন, পরে সংস্কার: মির্জা ফখরুল
বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর বলেছেন, “আমরা কখনো এ কথা বলিনি যে, আগে নির্বাচন, তার পরে সংস্কার। এটা যদি কেউ বলে, তাহলে ভুল ব্যাখ্যা করা হচ্ছে। জনগণকে বিভ্রান্ত করা হচ্ছে। নির্বাচনের জন্য ন্যূনতম যে সংস্থার দরকার, সেটা করতে হচ্ছে।”
তিনি বলেন, “যারা সংস্কার করতে এসেছেন, তারা জনগণের বাইরে গিয়ে কিছু করলে বিএনপি তা সমর্থন করবে না। জনগণ যেটা চাইবে, আমরা সেটাকেই সমর্থন করব।”
বুধবার (২ এপ্রিল) দুপুরে ঠাকুরগাঁওয়ে নিজ বাসভবনে সাংবাদিকদের সঙ্গে মতবিনিময়কালে এসব কথা বলেন বিএনপির মহাসচিব।
মির্জা ফখরুল বলেন, গণতন্ত্রই শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা সুশাসনের জন্য ও রাষ্ট্র পরিচালনার জন্যে। এটাই একমাত্র ব্যবস্থা, যেখানে মানুষের বক্তব্য বিবেচনায় নেওয়া হয়, নির্বাচিত সরকার দেশ চালায়। এই যে আমরা একটা ভয়ে থাকি যে, রাজনৈতিক দলগুলো স্বৈরাচার হয়ে যায়। স্বৈরাচার হলে আওয়ামী লীগের মতো অবস্থা হবে। সুতরাং, এখানে গণতন্ত্রের কোনো দোষ নেই। গণতন্ত্রই শ্রেষ্ঠ ব্যবস্থা, তা না হলে আওয়ামী লীগের মতোই অবস্থা হবে, ফ্যাসিবাদের জন্ম হবে। বিএনপির সময়ে কখনো ফ্যাসিবাদের উত্থান হয়নি বা কর্তৃত্ববাদের উত্থান হয়নি।
সংস্কার বিষয়ে বিএনপির অবস্থান নিয়ে অপপ্রচার চালানো হচ্ছে, অভিযোগ করে মির্জা ফখরুল বলেন, দেশজুড়ে একটা প্রচারণা চালানো হচ্ছে যে, বিএনপি আগে নির্বাচন চায়। এটা সম্পূর্ণ মিথ্যা কথা। আমরাই সংস্কারের প্রবক্তা, আমরাই সংস্কার চেয়েছি।
এ সময় ঠাকুরগাঁও জেলা বিএনপির সহ-সভাপতি ওবায়দুল্লাহ মাসুদ, যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক পয়গাম আলী, পৌর বিএনপির সভাপতি শরিফুল ইসলাম শরিফসহ জেলা, উপজেলা বিএনপি ও সহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।
ঢাকা/হিমেল/রফিক