ঢাবির ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থীদের পিঠা উৎসব
Published: 20th, January 2025 GMT
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী এবং সামাজিক সংগঠন ম্যানেজমেন্ট এফবিএস ক্লাব লিমিটেডের আয়োজনে পিঠা উৎসব হয়েছে।
সোমবার (২০ জানুয়ারি) রাজধানীর পূর্বাচলের মনোরম লেকপুরি মাঠে পিঠা উৎসব অনুষ্ঠিত হয়। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ম্যানেজমেন্ট বিভাগের সাবেক শিক্ষার্থী ও তাদের পরিবারের সদস্যরা এতে অংশ নেন।৪০০ বেশি অংশগ্রহণকারী এই উৎসবে উপস্থিত ছিলেন।
ক্লাবের সভাপতি মুকলেসুর রহমান বলেন, “পিঠা উৎসব শুধুমাত্র একটি অনুষ্ঠান নয়, এটি আমাদের সাংস্কৃতিক শিকড়ের উদযাপন এবং ঐতিহ্যের সঙ্গে সংযোগ স্থাপনের একটি পথ। আমরা আন্তরিকভাবে ধন্যবাদ জানাই স্পন্সর, স্বেচ্ছাসেবক এবং সকল অংশগ্রহণকারীকে, যারা এই উৎসবকে সফল করতে সহযোগিতা করেছেন।”
আরো পড়ুন:
তোফাজ্জলকে পিটিয়ে হত্যা: ঢাবির ২১ শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে চার্জশিট
ঢাবি শিক্ষক সমিতির কার্যালয়ে দুর্বৃত্তের হামলা
ঢাকা/এএএম/এসবি
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
সেই সুযোগ এখন আর হয় নেই: ন্যান্সি
ঈদ এলেই উৎসবের রং ছড়িয়ে পড়ে চারপাশে। সাধারণ মানুষের মতো পর্দার মানুষগুলোও এই দিনটিকে ঘিরে সাজিয়ে রাখেন বিশেষ পরিকল্পনা। পরিবারের সঙ্গে সময় কাটানো, বন্ধুবান্ধবের সঙ্গে আড্ডা, ঘুরে বেড়ানো-সব মিলিয়ে ঈদ মানেই বাড়তি আনন্দ। তবে আগের মত ঈদের আনন্দ এখন নেই বলে জানালেন দেশের জনপ্রিয় সংগীতশিল্পী নাজমুন মুনিরা ন্যান্সি।
ন্যান্সি সমকালকে বলেন, ‘এবার ঈদ ঢাকায় করছি। বাবা-মা মারা যাওয়ার পর থেকেই ঢাকায় ঈদ করি। আমরা যারা ঢাকার বাইরে থেকে আসি, ঈদে তারা নিশ্চয় গ্রামের বাড়িতে যান। আমাদের কিন্তু সেই সুযোগ নেই। আমরা কিন্তু চাইলেই যেতে পারি না।’
ছোটবেলা ও এখনকার ঈদের মধ্যে পার্থক্য বলতে গিয়ে তিনি বলেন, ‘ছোট-বড়বেলা ঈদের মধ্যে অনেক পার্থক্য। আমি একটা জিনিস বুঝেছি, বাবা-মাকে ছাড়া ঈদ করা কঠিন। আমার বাবা-মা তো বেঁচে নেই আমি কোথায় যাবো। যেকোনো উৎসবে অনেক বেশি খারাপ লাগে। তবে এখন সন্তানরাই আমার সব। সন্তান ও পরিবার নিয়েই এখন আমার ঈদ।’
ন্যান্সির কথায়, ‘একটা সময় আমার মা-বাবাই সব ধরনের খোঁজ-খবর নিতেন। ঈদের দিন বা পরের দিন আমি তাদের বাড়ি যেতাম, নয়তো তারা আমার বাড়ি আসতেন। অনেক হইহুল্লো করে দিন যেতো। কিন্তু এখন তো আর সেটা নেই।’
ন্যান্সি বলেন, ‘শুধু তাই নয়, আমিসহ আমার বাচ্চাদের টেনশন ছিল তাদেরই। এই যে একটা ঈদ আসলো, মা যে কত কিছু করতেন তা বলে বোঝানো যাবে না। আমার টিভি অনুষ্ঠানসহ সব কিছু মা খেয়াল রাখতেন। একটা গান আসলে আমার মায়ের যে উচ্ছ্বাস আমি দেখেছি তার আর কারও মধ্যে দেখিনি।’