গত বছরের জুনে আজমান নাসিরের সঙ্গে বিয়ের খবর প্রকাশ্যে আনেন মডেল-অভিনেত্রী রুকাইয়া জাহান চমক। ৯ টাকা দেনমোহরে বিয়ে করে চমক দিয়েছিলেন চমক। সোমবার (২০ জানুয়ারি) চমকের স্বামীর জন্মদিন। বিয়ের পর প্রথম জন্মদিন তার।

বিশেষ এই দিনে স্বামীর প্রতি গভীর ভালোবাসা প্রকাশ করেছেন চমক। নিজের অভিব্যক্তি প্রকাশ করতে ফেসবুককে বেছে নিয়েছেন। দীর্ঘ এক স্ট্যাটাসে স্বামীর হাত ধরে হাজার বছর কাটিয়ে দেওয়ার ইচ্ছা প্রকাশ করেছেন এই অভিনেত্রী।

স্বামীর সঙ্গে চমক

আরো পড়ুন:

বিয়ের ইঙ্গিত দিলেন তমালিকা!

বিতর্ক মাথায় নিয়েই বিগ বসের বিজয়ী করন

রুকাইয়া জাহান চমক লেখেন, “প্রিয় স্বামী, আজ তোমার জন্মদিন। এই পৃথিবীতে তোমার উপস্থিতি আমার জন্য আনন্দের, যা ভাষায় প্রকাশ করার মতো নয়। শুধু তোমাকে বলতে চাই, চা হাতে হাজারো সূর্যাস্ত আমরা উপভোগ করতে চাই। হাজারো সকালের উষ্ণ আলিঙ্গনে মেতে থাকতে চাই। মধ্যরাতে আমাদের পাগলামি আর খুবই সাধারণ ও অর্থহীন বার্তা চালাচালি চলুক। হাজারো কফি ডেটে যেতে চাই।”

হাজারো চাঁদনি রাত স্বামীর হাত ধরে কাটানোর অভিপ্রায় ব্যক্ত করে চমক লেখেন, “কে তোমার ছবি পছন্দ করল, তা নিয়ে ঝগড়া চলুক। উদ্দেশ্যহীনভাবে গাড়ি চালিয়ে ঘুরে বেড়ানো। আমাদের পছন্দের গান শোনা। একসঙ্গে আমাদের ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা করা। তোমার সঙ্গে মিলে অদ্ভুত সব রান্না করা। কারণ ছাড়াই তোমাকে বিরক্ত করা। হাজারো চাঁদনি রাত তোমার হাত ধরে কাটাতে চাই। এভাবেই আমার জীবনটা তোমার সঙ্গে কাটিয়ে দিতে চাই। তুমি জানো না আমি তোমাকে কতটা ভালোবাসি। অনেক অনেক অনেক শুভকামনা। শুভ জন্মদিন।”

২০১৭ সালে ‘মিস ওয়ার্ল্ড বাংলাদেশ ২০১৭’ প্রতিযোগিতায় দ্বিতীয় রানারআপ নির্বাচিত হন চমক। কিন্তু এ আসরে তথ্য গোপন করার অভিযোগ উঠেছিল চমকের বিরুদ্ধে। গুঞ্জন শোনা যায়, চমক বিবাহিত। ২০১৪ সালের নভেম্বরে বিয়ে করেছেন তিনি। তার স্বামীর নাম খান এইচ কবির। তাদের কয়েকটি ছবিও নেটদুনিয়ায় ছড়িয়ে পড়েছিল।

চমক

পরবর্তীতে চমক দাবি করেছিলেন— ‘ছবির ছেলেটি তার প্রেমিক।’ এসব বিষয় নিয়ে সমালোচনার মুখে পড়েছিলেন চমক। তবে অতীত ভুলে বিবাহিত জীবনে দারুণ সময় উদযাপন করছেন এই অভিনেত্রী।

ঢাকা/শান্ত

.

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর

এছাড়াও পড়ুন:

বাংলাদেশি ভেবে বিএসএফের গুলি, ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী সীমান্তে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)-এর গুলিতে এক ভারতীয় চোরাকারবারি নিহত হয়েছেন। 

বৃহস্পতিবার ভোরে কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ী উপজেলার গোরকমন্ডল সীমান্তের ৯২৯ নম্বর আন্তর্জাতিক সীমানা পিলারের ৩ নম্বর সাব পিলারের পাশে এ ঘটনা ঘটে।

কাঁটাতারের বেড়ার বাইরে ভারতের ভূখণ্ডে মরাকুটি (ভোরাম পয়োস্তি) এলাকায় ওই চোরাকারবারীর মরদেহ দেখেন বাংলাদেশিরা। ৪ ঘণ্টা ধরে সেখানে পড়েছিল ভারতীয় ওই চোরাকারবারীর মরদেহ। পরে বিএসএফের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে নিহতের মরদেহ উদ্ধার করে। এ নিয়ে ওই সীমান্তে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। 

নিহত যুবকের নাম জাহানুর আলম (২৪)। তিনি ভারতের কোচবিহার জেলার দিনহাটা থানার গিদালদহ এলাকার মরাকুটি ভোরাম পয়োস্তি গ্রামের কবিদুল ইসলামের ছেলে।

সীমান্তবাসীরা জানিয়েছেন, দীর্ঘদিন ধরে মাদকের ব্যবসাসহ গরু পারাপারে জড়িত ছিলেন তিনি।

সীমান্তে বসবাসকারী সায়েদ আলী ও হয়রত আলী জানান, বৃহস্পতিবার ভোরে উভয় দেশের একদল চোরাকারবারী ওই সীমান্ত দিয়ে গাঁজা ও গরু নিয়ে বাংলাদেশে আসার চেষ্টা করে। এ সময় ভারতীয় ভারবান্দা ক্যাম্পের টহলরত বিএসএফ সদস্যরা তাদের লক্ষ্য করে ৬ রাউন্ড গুলি ছোড়েন। এতে ভারতীয় চোরাকারবারী জাহানুর গুলিবৃদ্ধ হয়। সেখানে পড়ে থাকা অবস্থায় অনেকবার চিৎকার করলেও সহযোগীরা তাকে উদ্ধার না করায় ঘটনাস্থলে মারা যান তিনি। গুলির শব্দ পেয়ে বাকি চোরাকারবারীরা পালিয়ে যান।

এ দিকে নিহতের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিজিবি-বিএসএফের মধ্যে পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বিজিবির পক্ষে গোরকমন্ডল ক্যাম্পের কমান্ডার নায়েক সুবেদার ফিরোজ এবং বিএসএফের পক্ষে ৩ বিএসএফ ব্যাটলিয়নের অধীন ভারবান্দা গিদালদহ ক্যাম্পের কমান্ডার গিরিশ চন্দ্র নেতৃত্ব দেন। পতাকা বৈঠকের পর সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থল থেকে নিহতের মরদেহ নিয়ে যায় বিএসএফ।

এ প্রসঙ্গে লালমনিরহাট ১৫ বিজিবি ব্যাটলিয়নের অধিনায়ক লে. কর্নেল মেহেদী ইমাম জানান, বিএসএফের কাছে প্রাপ্ত তথ্যে জানা যায়- ভোরের দিকে একদল ভারতীয় নাগরিক টহলরত বিএসএফ পোস্টে হামলা চালায়। তখন আত্মরক্ষার্থে বিএসএফ রাবার বুলেট নিক্ষেপ করলে এক ভারতীয় হামলাকারী নিহত হয়। বিষয়টি ভারতের অভ্যন্তরীন। এর সঙ্গে বাংলাদেশ বা বিজিবির কোনও সমৃক্ততা নেই। তারপরও সীমান্তে বিজিবি সতর্ক অবস্থানে রয়েছে।

সম্পর্কিত নিবন্ধ