জনজীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার আহ্বান বাম জোট ও বাম মোর্চার
Published: 20th, January 2025 GMT
দ্রব্যমূল্য নিয়ন্ত্রণ, শতাধিক পণ্যে বর্ধিত ভ্যাট প্রত্যাহার এবং জনজীবনের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারকে কার্যকর উদ্যোগ গ্রহণের আহ্বান জানিয়েছে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী বাম মোর্চা।
সোমবার রাজধানীর পুরানা পল্টনে সিপিবি কার্যালয়ে বাম গণতান্ত্রিক জোট ও ফ্যাসিবাদ বিরোধী বাম মোর্চার যৌথ সভায় এই আহ্বান জানানো হয়। সভায় বাম গণতান্ত্রিক জোটের পক্ষে জোটের সমন্বয়ক ইকবাল কবির জাহিদ, রুহিন হোসেন প্রিন্স, বজলুর রশিদ ফিরোজ, মাসুদ রানা, মোশরেফা মিশু, আবদুল আলী, অধ্যাপক আবদুস সাত্তার, নজরুল ইসলাম, মিহির ঘোষ, নিখিল দাস ও রুবেল শিকদার উপস্থিত ছিলেন। ফ্যাসিবাদ বিরোধী বাম মোর্চার পক্ষে মোর্চার সমন্বয়ক নাসিরউদ্দিন আহমেদ নাসু, শুভ্রাংশু চক্রবর্ত্তী, মহিনউদ্দিন চৌধুরী লিটন, শহিদুল ইসলাম, মাসুদ খান, মনজুর আলম মিঠু ও রফিকুল ইসলাম সভায় যোগ দেন।
বাম জোটের নতুন সমন্বয়ক জাহিদ এর আগে একই স্থানে বাম গণতান্ত্রিক জোটের পৃথক সভায় বিপ্লবী কমিউনিস্ট লীগের সাধারণ সম্পাদক ইকবাল কবির জাহিদকে জোটের সমন্বয়ক মনোনীত করা হয়। আগামী তিন মাস এই দায়িত্ব পালন করবেন তিনি। ছয়টি দলের সমন্বয়ে গঠিত এই জোটের সমন্বয়ক হিসেবে দায়িত্ব পালনের মেয়াদকাল তিন মাস।
.উৎস: Samakal
কীওয়ার্ড: ব ম গণত ন ত র ক জ ট র সমন বয়ক
এছাড়াও পড়ুন:
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানের আশা
যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে চলমান আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন প্রধান উপদেষ্টার প্রেস সচিব শফিকুল আলম।
প্রেস সচিব জানান, যুক্তরাষ্ট্র থেকে আমদানিকৃত পণ্যের ওপর আরোপিত শুল্ক পর্যালোচনা করছে বাংলাদেশ।
বৃহস্পতিবার (৩ এপ্রিল) ফেসবুকে দেওয়া এক পোস্টে তিনি লিখেছেন, জাতীয় রাজস্ব বোর্ড (এনবিআর) দ্রুত শুল্কহার যৌক্তিক করার বিভিন্ন বিকল্প খুঁজে বের করবে, যা এই বিষয়টি সমাধানে অত্যন্ত জরুরি।
তিনি আরো লেখেন, যুক্তরাষ্ট্র বাংলাদেশের ঘনিষ্ঠ বন্ধু এবং আমাদের সবচেয়ে বড় রপ্তানি গন্তব্য। ট্রাম্প প্রশাসন ক্ষমতা গ্রহণের পর থেকে আমরা দুই দেশের মধ্যে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ সহযোগিতা বৃদ্ধির জন্য একযোগে কাজ করে আসছি। যুক্তরাষ্ট্র সরকারের সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে শুল্ক ইস্যু সমাধানে ইতিবাচক অগ্রগতি হবে বলে আশা করছি।
এর আগে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প বাংলাদেশি পণ্যে শুল্ক বাড়িয়ে ৩৭ শতাংশ ধার্য করেন। আগে দেশটিতে বাংলাদেশি পণ্যে শুল্কের হার ছিলো গড়ে ১৫ শতাংশ। অতিরিক্ত শুল্কের কারণে দেশের রপ্তানি বাজারে বিশেষ করে পোশাক খাতে নেতিবাচক প্রভাব পড়বে বলে আশঙ্কা করছেন সংশ্লিষ্টরা।
বাংলাদেশ ছাড়াও ভারতের পণ্যের ওপর ২৬ শতাংশ শুল্ক আরোপ করা হয়েছে। পাকিস্তানের পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ২৯ শতাংশ শুল্ক। চীনা পণ্যের ওপর আরোপ করা হয়েছে ৩৪ শতাংশ শুল্ক।
এছাড়া, ইউরোপীয় ইউনিয়নের পণ্যের ওপর ২০ শতাংশ, ভিয়েতনামের পণ্যের ওপর ৪৬ শতাংশ, শ্রীলঙ্কার পণ্যে ৪৪ শতাংশ, তাইওয়ানের পণ্যে ৩২ শতাংশ, জাপানের পণ্যে ২৪ শতাংশ, দক্ষিণ কোরিয়ার পণ্যে ২৫ শতাংশ, থাইল্যান্ডের পণ্যে ৩৬ শতাংশ, সুইজারল্যান্ডের পণ্যে ৩১ শতাংশ, ইন্দোনেশিয়ার পণ্যে ৩২ শতাংশ, মালয়েশিয়ার পণ্যে ২৪ শতাংশ, কম্বোডিয়ার পণ্যে ৪৯ শতাংশ, যুক্তরাজ্যের পণ্যে ১০ শতাংশ, দক্ষিণ আফ্রিকার পণ্যে ৩০ শতাংশ, ব্রাজিলের পণ্যে ১০ শতাংশ, সিঙ্গাপুরের পণ্যে ১০ শতাংশ, ইসরায়েলের পণ্যে ১৭ শতাংশ, ফিলিপাইনের পণ্যে ১৭ শতাংশ, চিলির পণ্যে ১০ শতাংশ, অস্ট্রেলিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ, তুরস্কের পণ্যে ১০ শতাংশ, কলম্বিয়ার পণ্যে ১০ শতাংশ আরোপ করা হয়েছে।
ঢাকা/ইভা