নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জের কদমতলী দক্ষিণপাড়া এলাকায় আদমজী নগর কবরস্থান কমপ্লেক্স মসজিদ নির্মাণের পর এবার আদমজী নগর কবরস্থান কমপ্লেক্স মাদরাসার বহুতল ভবন নির্মাণ কাজের উদ্বোধন করা হয়েছে।

সোমবার (২০ জানুয়ারি) বেলা ১১টায় মিলাদ ও দোয়া মাহফিলের মাধ্যমে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। আদমজীনগর করস্থান কমপ্লেক্সের সাবেক সভাপতি মরহুম হুমায়ুন কবিরের পরিবারের অর্থায়নে এই নির্মাণ কাজ শুরু হয়। এসময় প্রধান অতিথী হিসেবে উপস্থিত ছিলেন নারায়নগঞ্জ প্রেসক্লাবের সহ সভাপতি ও আদমজীনগর কবরস্থান কমপ্লেক্সের উপদেষ্টা বিল্লাল হোসেন রবিন, বিশেষ অতিথি ছিলেন কবরস্থান কমপ্লেক্সের প্রধান উপদেষ্টা কবি ও কলামিষ্ট এম এ মাস্উদ বাদল।


আদমজী কবরস্থান কমপ্লেক্সের খতিব মাওলানা ফজলুল করীম ফারুকীর সঞ্চলনায় আরও উপস্থিত ছিলেন, উপদেষ্টা পরিষদের সদস‍্য নাছির উদ্দিন স্বপন, সিদ্দিকুর রহমান খানঁ, কার্য‍করি কমিটির বর্তমান সভাপতি আলহাজ তানভীর কবির মুন্না, সাধারণ সম্পাদক আলহাজ্ব মাহিল উদ্দিন মাষ্টার, সহ সাধারণ সম্পাদক তৌহিদ কবির, অর্থ সম্পাদক আলহাজ্ব জামাল উদ্দিন,কার্য‍করি সদস‍্য এম এ হাসনাত রাসেল, গাজী মোশারফ হোসেন, মোঃ মোতাহার হোসেন প্রমুখ। 


এসময় আদমজী কবরস্থান কমপ্লেক্স মসজিদের বর্তমান সভাপতি তানভীর কবির মুন্না বলেন, আমরা পরিবারের পক্ষ থেকে আমার বাবার স্বপ্ন বাস্তবায়ন করার উদ্যোগ নিয়েছি। আপনাদের সকলের সহযোগিতায় আশা করি পরিপূর্ণভাবে মাদরাসা ভবনটি নির্মাণ হবে।


সংক্ষিপ্ত আলোচনা সভা শেষে মিলাদ ও দোয়া পরিচালনা করেন নন্দিত মোফাছছেরে কোরআন আলহাজ্ব হযরত মাওলানা কামরুল ইসলাম  আরেফি সাহেব।


এদিকে সভায় সর্ব সম্মতি ক্রমে কদমতলী উত্তপাড়া জামে মসজিদের প্রধান উপদেষ্টা আলহাজ শাহজাহান সাহেবকে আদমজী কবরস্থান কমপ্লেক্স পরিচালনা কমিটির উপদেষ্টা পরিষদের  সদস্য করে নেয়া হয়।


 

.

উৎস: Narayanganj Times

কীওয়ার্ড: স দ ধ রগঞ জ ন র য়ণগঞ জ থ ন কমপ ল ক স র উপদ ষ ট আলহ জ

এছাড়াও পড়ুন:

ঈদের নামাজ শেষে অনেকেই ছুটছেন কবর জিয়ারতে 

যথাযথ মর্যাদায় দেশজুড়ে পালিত হচ্ছে পবিত্র ঈদুল ফিতর। সকাল থেকে দুপুরের মধ্যে শেষ হয়েছে ঈদের জামাত। নামাজ আদায় শেষে প্রয়াত স্বজনদের কবর জিয়ারত করতে কবরস্থানে ছুটছেন অনেকে।

সোমবার (৩১ মার্চ) পুরান ঢাকার ওয়ারী এলাকায় গিয়ে দেখা গেছে, কেউ বাবার সঙ্গে, কেউবা ভাইয়ের সঙ্গে রায়সাহেব বাজার মহল্লার কবরস্থানে জিয়ারত করতে এসেছেন। এ সময় তাদেরকে অশ্রুসিক্ত দেখা গেছে।

আবুল কালাম নামের এক ব্যক্তি এ প্রতিবেদককে বলেছেন, “বাবা-মায়ের কবর এখানে। তারা থাকতে মর্ম বুঝিনি। এখন বুঝতেছি, বাবা-মা কী জিনিস। কাছে তো আর পাব না, তাদের জন্য দোয়া করে যাচ্ছি—আল্লাহ যেন তাদেরকে কবরের আজাব থেকে মুক্তি দেন এবং জান্নাতবাসী করেন।”

নজরুল ইসলাম নামের আরেক ব্যক্তি বলেন, “ছেলেটা গত বছর মারা গেছে। তাকে ছাড়া প্রথম ঈদ পালন করলমা। না জানি কেমন আছে ছেলেটা। ওর কবরটা জিয়ারত করতে এসেছি।”

এদিকে, কবরস্থানের গেটে অনেক ভিক্ষুককে দেখা যায়। যারাই কবর জিয়ারত করতে আসছেন, তাদের প্রায় সবাই দান-খয়রাত করছেন। ঈদের দিনে দান বেশি পাওয়ায়, তাই ভিক্ষুকদের উপস্থিতিও বেশি। 

ঢাকা/মামুন/রফিক

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • ছবি তুলতে গিয়ে ট্রেনের ছাদ থেকে পড়ে নিহত ২
  • সন্তান জন্মের এক ঘণ্টা পর সেই পুলিশ সদস্যের দাফন
  • সন্তান জন্ম নেওয়ার ১ ঘণ্টা পর সেই পুলিশ সদস্যের লাশ দাফন
  • সড়ক দুর্ঘটনায় পুলিশ সদস্যের মৃত্যু: সন্তানের জন্মের এক ঘণ্টা পর তাঁকে দাফন
  • ঈদের দিন নিহত সুমাইয়ার বাসায় তথ্য উপদেষ্টা মাহফুজ আলম
  • আ.লীগ নিষিদ্ধ করা এই মুহূর্তে দেশের মানুষের গণদাবি: নাহিদ
  • ঈদের নামাজ শেষে অনেকেই ছুটছেন কবর জিয়ারতে