শুটিং সেটে প্রেম, অবশেষে এক হলো চার হাত
Published: 20th, January 2025 GMT
শ্বেতা ভট্টাচার্য এবং রুবেল দাসকে বর-কনের সাজে আগে পর্দায় বহুবার দেখেছেন দর্শক। তবে পর্দা আর বাস্তব তো এক নয়। তাই পর্দার জনপ্রিয় জুটিকে বাস্তবে বিয়ের সাজে দেখার জন্য মুখিয়ে ছিলেন দর্শক। অবশেষে অপেক্ষার অবসান। রবিবার সন্ধ্যায় পরিণতি পেল পশ্চিমবঙ্গের ছোটপর্দার এই দুই তারকার প্রেম।
শ্বেতার সিঁথিতে সিঁদুর পরিয়ে জীবনসঙ্গী করে নিলেন রুবেল। সন্ধ্যা ৭টায় ছিল তাদের বিয়ের লগ্ন। বিয়ে হয়েছে বৈদিক মতে
জনপ্রিয় ধারাবাহিক ‘যমুনা ঢাকি’র সেটে প্রথম আলাপ শ্বেতা ভট্টাচার্য এবং দাসের। সেই ধারাবাহিকে জুটি বেঁধেছিলেন দু'জনে। কিন্তু ধারাবাহিকে নায়ক-নায়িকার চরিত্রে অভিনয় করতে গিয়ে পরস্পরকে মন দিয়ে ফেলেছেন। সেটা অনেক দিন পর্যন্ত আড়ালেই রেখেছিলেন রুবেল-শ্বেতা।
শুরুর দিকে প্রেমের কথা প্রকাশ্যে আনেননি দু'জনের কেউই। এমনকি জিজ্ঞেস করলেও এড়িয়ে যেতেন তারা। তবে ইন্ডাস্ট্রিতে প্রেমের খবর যে চাপা থাকে না। শ্বেতা এবং রুবেল মুখে কিছু না বললেও, অনুমান যে ভুল নয় তা প্রমাণ হয়ে যায় কয়েক মাস পরেই।
গত বছর মাঝামাঝি সময় থেকেই বিয়ের জল্পনা শুরু হয়েছিল। কিন্তু বিয়ের তারিখ নিয়ে দু'জনের মুখ খোলেননি কেউই। তবে সমস্ত গুঞ্জনে জল ঢেলে বিয়ে করলেন দু'জনে। রীতি মেনে শ্বেতার সিঁথি রাঙালেন রুবেল।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
প্রথম লেগে রোমাঞ্চকর এক লড়াই উপহার দিয়েছিল বার্সেলোনা ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। তবে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে খুব একটা জমেনি লড়াই। ফেরান তোরেসের কল্যাণে প্রথম আধা ঘন্টায় পাওয়া গোল বাকি সময়ে আগলে রাখল বার্সেলোনা। তাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে তিন মৌসুম পর কোপা দেল রের ফাইনালে উঠল কাতালান দলটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সেলোনার অপরাজেয় যাত্রা পৌঁছে গেল টানা ২১ ম্যাচে। লা লিগার শীর্ষে থাকা দলটি এই বছরে এখনও কোনো ম্যাচ হারেনি।
বুধবার রাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। তাতে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ ব্যবধানের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বার্সা। আগামী ২৬ এপ্রিলের শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম স্পেনের দ্বিতীয় সেরা প্রতিযোগিতাটির ফাইনালে দেখা যাবে এল-ক্লাসিকো মহারণ।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। লামিন ইয়ামাল ও মার্কোস ইয়োরেন্তে দুই প্রান্ত দিয়ে চাপ তৈরি করছিলেন। তবে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সেলোনা। মিডফিল্ডে পেদ্রি ও ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ছন্দময় ফুটবল খেলছিলেন, সঙ্গে ফেরমিন লোপেজও আক্রমণে ছিলেন কার্যকর।
প্রথমার্ধে লামিন ইয়ামালের পাস থেকে বল পেয়ে ফেরান তোরেস গোল করে বার্সাকে এগিয়ে নেন। অ্যাটলেটিকোর গোলরক্ষক হুয়ান মুসোকে পরাস্ত করে দলকে লিড এনে দেন তিনি। এরপর রাফিনহা একাধিক সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি।
দ্বিতীয়ার্ধে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ আক্রমণ বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু পরিবর্তন আনে। গ্রিজমানের শট পোস্টের বাইরে চলে যায়, আর আলেক্সান্দার সরলথ সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন। বার্সেলোনা এরপর রক্ষণ সামলে খেলতে শুরু করে এবং প্রতিপক্ষকে গোলের সুযোগ দিতে চায়নি।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সরলথ গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। অ্যাটলেটিকো শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেও সমতা ফেরাতে পারেনি, বার্সেলোনা তাদের লিড ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করে।