প্রেসিডেন্ট হিসেবে দায়িত্ব নেওয়ার পর টিকটককে ছাড় দিতে নির্বাহী আদেশ জারি করবেন বলে ডোনাল্ড ট্রাম্প ঘোষণা দেওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রে টিকটকের ১৭ কোটি ব্যবহারকারীর জন্য অ্যাপটির সেবা চালু হয়েছে।

আজ সোমবার প্রেসিডেন্ট হিসেবে শপথ নেবেন ট্রাম্প। এর আগে ট্রাম্প বলেছেন, দায়িত্ব নেওয়ার পর তিনি টিকটক নিষিদ্ধ করার আইন কার্যকর বিলম্বিত করতে নির্বাহী আদেশ জারির মাধ্যমে উদ্যোগ নেবেন।

গত শনিবার সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্রের ব্যবহারকারীদের জন্য বন্ধ হয়ে যায় টিকটক। এর আগে গত বছরের এপ্রিলে মার্কিন কংগ্রেসে পাস হওয়া চীনা কোম্পানি বাইটড্যান্সের মালিকানাধীন টিকটক নিষিদ্ধ করার আইনটির বিষয়ে টিকটক, বাইটড্যান্স ও কিছুসংখ্যক ব্যবহারকারী চ্যালেঞ্জ করেন।

কিন্তু টিকটক নিষিদ্ধ করার একটি আইন গত শুক্রবার সুপ্রিম কোর্ট বহাল রাখেন। এরপর চরম অনিশ্চয়তা দেখা দেয়। কেননা, আইন অনুযায়ী, যুক্তরাষ্ট্রে ১৯ জানুয়ারির মধ্যে টিকটকের মালিকানা বিক্রি না করলে কোম্পানিটির ওপর নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

ট্রাম্প আগে টিকটক নিষিদ্ধের পক্ষে ছিলেন। গতকাল রোববার নিজের সোশ্যাল ট্রুথে তিনি বলেন, ‘আমি কোম্পানিগুলোকে অনুরোধ করছি যেন টিকটক বন্ধ না হয়। আইনি বাধ্যবাধকতায় নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হওয়ার আগে সময়সীমা বাড়ানোর জন্য আমি সোমবার (আজ) একটি নির্বাহী আদেশ জারি করব, যাতে আমরা আমাদের জাতীয় নিরাপত্তা রক্ষার জন্য একটি চুক্তি করতে পারি।’

.

উৎস: Samakal

কীওয়ার্ড: ট কটক ট কটক ন ষ দ ধ র জন য

এছাড়াও পড়ুন:

চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মুত্যু 

চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইয়াসিন আলী (২৪) ও মাহির তাজয়ার তাজ (১৫) নামে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।

বুধবার (২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে একটি ও গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে।

নিহত মাহির তাজওয়ার তাজ আলমডাঙ্গা উপজেলার গড়চাপড়া গ্রামের ইউসুফ আলী মাস্টারের ছেলে ও ইয়াসিন আলী  চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের দিদার আলীর ছেলে। 

চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদুর রহমান, জানান, অসাবধানতা ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল ড্রাইভ করতে যেয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।

বুধবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহির তাজওয়ার তাজ গুরুতর আহত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। রাতে তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে রাত ৮ টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে মাহির মারা যায়। 

অন্যদিকে গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে ইয়াসিন আলী মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের নিচে পড়ে যায়।  এসময় তার দুই পা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে গুঁড়িয়ে যায়। তাকে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৬ দিনের মাথায় বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ইয়াসিন মারা যায়। 

দুটি দুর্ঘটনায় কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের না করায় সুরতহাল রিপোর্ট শেষে স্ব স্ব পরিবারের কাছে তাদের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে। 

ঢাকা/মামুন/টিপু 

সম্পর্কিত নিবন্ধ