সাভারে বেতারকেন্দ্রের টেন্ডার বাক্স ভাঙচুরের অভিযোগ
Published: 19th, January 2025 GMT
সাভারে বাংলাদেশ বেতারের উচ্চ শক্তি প্রেরণকেন্দ্র-১ এ টেন্ডার বাক্স ভাঙচুরসহ বক্সে জমা হওয়া দরপত্র লুটের ঘটনা ঘটেছে। স্থানীয় বিএনপির নেতা-কর্মীরা এ ঘটনার সঙ্গে জড়িত বলে অভিযোগ উঠেছে।
এছাড়া প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক প্রকৌশলীর কক্ষে থাকা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ছবিও ভাঙচুর করা হয়েছে।
বাংলাদেশ বেতারের উচ্চ শক্তি প্রেরণকেন্দ্র-১ এর কর্মকর্তা ও সাভার মডেল থানা পুলিশ জানায়, সাভারে অবস্থিত বাংলাদেশ বেতারের উচ্চ শক্তি প্রেরণকেন্দ্র-১ এ সংরক্ষিত যন্ত্রপাতির অকেজো বা অব্যবহৃত পুরাতন মালামাল নিলামে বিক্রির জন্য প্রতিষ্ঠানটির পক্ষ থেকে কোটেশন জমা দেওয়ার আজ ছিল শেষ দিন।
সকাল থেকে দরপত্র ক্রয়কারীরা টেন্ডার বাক্সে তাদের দরপত্র জমা দেওয়া শুরু করেন। সকাল ১০টার দিকে ৩০-৪০ জন প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক প্রকৌশলী মো.
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধিক প্রত্যক্ষদর্শী জানান, দরপত্র ছিনিয়ে নেওয়ার সময় ঢাকা জেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক খোরশেদ আলমের রাজনীতির সঙ্গে জড়িত চম্পক, হিরন, আবুল ও রুবেল উপস্থিত ছিলেন।
প্রতিষ্ঠানটির আবাসিক প্রকৌশলী মো. মঈনউল হক বলেন, “সকাল ১০টার দিকে ৩০-৪০ জন ব্যক্তি কক্ষে এসে শেখ মুজিবুর রহমানের ছবি নামিয়ে ফেলেন। এরপর টেন্ডার বাক্স নিয়ে সেটি ভেঙে ফেলে শিডিউল নিয়ে যান। আমার জানা মতে বক্সে ৫-৬টি সিডিউল ছিল।”
সাভার মডেল থানা পুলিশের উপ-পরিদর্শক (এসআই) মিরাজুল ইসলাম বলেন, “বেতার কর্তৃপক্ষের নির্দেশনা অনুসারে যাদের কাছে স্লিপ (মানি রিসিপট) আছে তাদের শিডিউল জমা দেওয়ার জন্য ভেতরে যেতে দিয়েছি। সকাল সাড়ে ৯টার একটু পর মঈনুল হক কল করে তার অফিসে যেতে বললে অফিসে গিয়ে দেখি টেন্ডার বাক্স ভাঙা, কিছু কাচ ভাঙা। কী হয়েছিলো স্যার (মঈনুল হক) ভালো বলতে পারবেন।”
সাভার মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. জুয়েল মিয়া বলেন, “এ ঘটনায় থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি হয়েছে (জিডি)।’’
ঢাকা/সাব্বির/এস
উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
চুয়াডাঙ্গায় মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় দুইজনের মুত্যু
চুয়াডাঙ্গায় পৃথক দুটি সড়ক দুর্ঘটনায় আহত ইয়াসিন আলী (২৪) ও মাহির তাজয়ার তাজ (১৫) নামে দুইজন চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছে।
বুধবার (২ এপ্রিল) চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে একটি ও গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে অপর দুর্ঘটনাটি ঘটে।
নিহত মাহির তাজওয়ার তাজ আলমডাঙ্গা উপজেলার গড়চাপড়া গ্রামের ইউসুফ আলী মাস্টারের ছেলে ও ইয়াসিন আলী চুয়াডাঙ্গা পৌর এলাকার তালতলা গ্রামের দিদার আলীর ছেলে।
চুয়াডাঙ্গা সদর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) খালিদুর রহমান, জানান, অসাবধানতা ও বেপরোয়া মোটরসাইকেল ড্রাইভ করতে যেয়ে দুর্ঘটনায় গুরুতর আহত হয়ে চিকিৎসাধীন অবস্থায় এই দুইজনের মৃত্যু হয়েছে।
বুধবার বিকালে চুয়াডাঙ্গা-ঝিনাইদহ সড়কের নবিননগরে দুটি মোটর সাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষে মাহির তাজওয়ার তাজ গুরুতর আহত হয়ে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে চিকিৎসাধীন ছিল। রাতে তার শারিরিক অবস্থার অবনতি হলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে রাজশাহী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে রেফার্ড করে। পরিবারের পক্ষ থেকে তাকে রাজশাহী নিয়ে যাওয়ার পথে রাত ৮ টার দিকে অ্যাম্বুলেন্সে মাহির মারা যায়।
অন্যদিকে গত ২৭ মার্চ চুয়াডাঙ্গা শহরের টাউন ফুটবল মাঠের সামনে ইয়াসিন আলী মোটরসাইকেলের নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে দ্রুতগামী ট্রাকের নিচে পড়ে যায়। এসময় তার দুই পা ট্রাকের চাকায় পিষ্ট হয়ে গুঁড়িয়ে যায়। তাকে প্রথমে চুয়াডাঙ্গা সদর হাসপাতালে এবং পরে ঢাকা পঙ্গু হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। গত ৬ দিনের মাথায় বুধবার (২ এপ্রিল) রাত ১১টার দিকে ইয়াসিন মারা যায়।
দুটি দুর্ঘটনায় কোনো পরিবারের পক্ষ থেকে অভিযোগ দায়ের না করায় সুরতহাল রিপোর্ট শেষে স্ব স্ব পরিবারের কাছে তাদের মৃতদেহ হস্তান্তর করা হয়েছে।
ঢাকা/মামুন/টিপু