অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন: ব্রিটিশ আইনজীবীর পরামর্শ চেয়েছিল শেখ হাসিনা সরকার
Published: 19th, January 2025 GMT
কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্য আল জাজিরা ২০২১ সালে ‘অল দ্য প্রাইম মিনিস্টারস মেন’ শিরোনামে একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। তথ্যচিত্রটি প্রচারের পর এর সঙ্গে যুক্ত যুক্ত সাংবাদিকদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নিতে একজন ব্রিটিশ আইনজীবীর পরামর্শ চেয়েছিল শেখ হাসিনা সরকার।
আজ রোববার এক প্রতিবেদনে এ তথ্য জানিয়েছে ব্রিটিশ সংবাদমাধ্যম দ্য সানডে টাইমস।
ব্রিটিশ আইনজীবী ডেসমন্ড ব্রাউনি কেসি একজন মানহানি বিশেষজ্ঞ। যিনি স্যার এলটন জন ও ভিক্টোরিয়া ব্যাকহামের জন্য কাজ করেছেন। ২০২১ সালের ফেব্রুয়ারিতে লন্ডনের বাংলাদেশ হাইকমিশন তার সঙ্গে যোগাযোগ করে।
গত ৫ আগস্ট ক্ষমতাচ্যুত প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার ভাঙচুর করা শোবার ঘরে টুকরো টুকরো করা নথি খুঁজে পায় সানডে টাইমস।
.উৎস: Samakal
এছাড়াও পড়ুন:
ইটভাটায় শ্রমিকদের আটকে রেখে নির্যাতন, উদ্ধার করল সেনাবাহিনী
ময়মনসিংহের নান্দাইলে এসআরবি ব্রিকস নামের একটি ইটভাটায় আটকে রাখা ২০ শ্রমিককে উদ্ধার করেছে সেনাবাহিনী। পরে তাদেরকে পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। বুধবার রাতে উপজেলার চন্ডীপাশা ইউনিয়নের এ ইটভাটা থেকে অভিযোগের ভিত্তিতে তাদের উদ্ধার করা হয়। অভিযানে সহযোগিতা করে নান্দাইল মডেল থানা-পুলিশ। এ সময় নির্যাতনের অভিযোগে মালিকপক্ষের দুজনকে আটক করা হয়।
আটক হওয়ারা হচ্ছেন- উপজেলার গাংগাইল ইউনিয়নের অরণ্যপাশা গ্রামের বিল্লাল হোসেন (৪০) ও মুশুল্লী ইউনিয়নের মুশুল্লী গ্রামের জাকারিয়া (৫০)।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন নান্দাইল মডেল থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোহাম্মদ আনোয়ার হোসেন।
পুলিশ জানায়, ইটভাটায় কাজ করা শ্রমিকদের ওপর নির্যাতন চালানো হচ্ছিল। নির্যাতনের শিকার শ্রমিকরা মোবাইল ফোনে কল করে সেনাবাহিনীর কাছে এমন অভিযোগ জানান। তারা অভিযোগ করেন, ন্যায্য পাওনা চাইলে খারাপ আচরণসহ মারধর করা হয়। বিভিন্ন এলাকা থেকে আসা ইটভাটার শ্রমিকদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার পাশাপাশি তাদের জিম্মি করে রাখা হয়। বিষয়টি সেনাবাহিনীকে জানালে বুধবার অভিযান চালিতে তাদের উদ্ধার করা হয়।
উদ্ধারকৃত শ্রমিকদের সরদার মেহেদী হাসান দাবি করেন, তারা বিভিন্নভাবে অন্যায়ের শিকার হচ্ছেন। তাদের প্রায়ই নির্যাতন করা হতো। ছুটি চলে দেওয়া হতো না। কাজের পারিশ্রমিকও পেতেন না তারা। পরে শ্রমিকদের একজন বিষয়টি সেনাবাহিনীকে জানালে তাদের উদ্ধার করা হয়।
ওসি সমকালকে বলেন, যাদেরকে উদ্ধার করা হয়েছে তারা ইটভাটায় একটি ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠানের আওতায় কাজ করতেন। ভাটার মালিকদের কাছ থেকে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান টাকা নিয়ে গেলেও শ্রমিকদের মজুরি পরিশোধ করত না তারা। পরে শ্রমিকরা তাদের পাওনা টাকা চাইতে গেলে তাদের মারধর করত ইটভাটার মালিকপক্ষের লোকজন। পরে ক্ষুব্ধ হয়ে সেনাবাহিনীকে একজন কল করে জানান। তাদের অভিযোগের ভিত্তিতে আমরা অভিযান চালিয়ে ২০ শ্রমিককে উদ্ধার করে পরিবারের হাতে তুলে দিয়েছি। আটক দুজনকে পরবর্তী আইনের প্রক্রিয়ার মাধ্যমে আদালতে পাঠানো হবে।