গ্রেপ্তার এড়াতে কম্বল ও বিছানায় আগুন দিলো অভিবাসীরা
Published: 19th, January 2025 GMT
উত্তর মেক্সিকোর চিহুয়াহুয়া শহরের একটি শিবিরে সরকারি বাহিনীর অভিযানের সময় গ্রেপ্তার এড়াতে অভিবাসীরা কম্বল ও বিছানায় আগুন ধরিয়ে দিয়েছে। শনিবার এ ঘটনা ঘটেছে বলে জানিয়েছে রয়টার্স।
সোমবার যুক্তরাষ্ট্রের নতুন প্রেসিডেন্ট হিসেবে অভিষেক হবে ডোনাল্ড ট্রাম্পের। নির্বাচনী প্রতিশ্রুতিতে তিনি অবৈধ অভিবাসী প্রবেশ বন্ধের কথা বলেছিলেন। ট্রাম্প মেক্সিকো সরকারকে মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রে অভিবাসন রোধে যথেষ্ট পদক্ষেপ না নেওয়ারও অভিযোগ করেছেন। তিনি জানিয়েছেন, অবৈধ অভিবাসীদের যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশ বন্ধে পদক্ষেপ না নিলে মেক্সিকোর ওপর ব্যাপক শুল্ক আরোপ করা হবে।
একজন প্রত্যক্ষদর্শী জানিয়েছেন, মধ্যরাতে দাঙ্গাবিরোধী পোশাকে ন্যাশনাল গার্ড ও সামরিক পুলিশসহ প্রায় ২৫০ জন মেক্সিকান কর্মকর্তা চিহুয়াহুয়া শহরের অভিবাসী ক্যাম্পটি ঘিরে ফেলেন।
অভিবাসীরা এর প্রতিবাদে তাদের কম্বল ও ম্যাট্রেসে আগুন ধরিয়ে দেন এবং শিশু ও জিনিসপত্র নিয়ে ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যাওয়ার চেষ্টা করেন। এক ঘন্টারও কম সময়ের মধ্যে আগুন নেভানো সম্ভব হয়। তবে এই অগ্নিকাণ্ডে কোনো প্রাণহানি বা আহত হওয়ার খবর পাওয়া যায়নি।
ঢাকা/শাহেদ
.উৎস: Risingbd
এছাড়াও পড়ুন:
অ্যাটলেটিকোকে হারিয়ে ফাইনালে রিয়ালের মুখোমুখি বার্সেলোনা
প্রথম লেগে রোমাঞ্চকর এক লড়াই উপহার দিয়েছিল বার্সেলোনা ও অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ। তবে সেমিফাইনালের দ্বিতীয় লেগে খুব একটা জমেনি লড়াই। ফেরান তোরেসের কল্যাণে প্রথম আধা ঘন্টায় পাওয়া গোল বাকি সময়ে আগলে রাখল বার্সেলোনা। তাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে হারিয়ে তিন মৌসুম পর কোপা দেল রের ফাইনালে উঠল কাতালান দলটি। সব প্রতিযোগিতা মিলিয়ে বার্সেলোনার অপরাজেয় যাত্রা পৌঁছে গেল টানা ২১ ম্যাচে। লা লিগার শীর্ষে থাকা দলটি এই বছরে এখনও কোনো ম্যাচ হারেনি।
বুধবার রাতে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদকে ১-০ গোলে হারিয়েছে হ্যান্সি ফ্লিকের শিষ্যরা। তাতে দুই লেগ মিলিয়ে ৫-৪ ব্যবধানের জয়ে ফাইনাল নিশ্চিত করেছে বার্সা। আগামী ২৬ এপ্রিলের শিরোপা নির্ধারণী ফাইনালে তাদের প্রতিপক্ষ রিয়াল মাদ্রিদ। ২০১৪ সালের পর এই প্রথম স্পেনের দ্বিতীয় সেরা প্রতিযোগিতাটির ফাইনালে দেখা যাবে এল-ক্লাসিকো মহারণ।
ম্যাচের শুরু থেকেই দুই দল আক্রমণাত্মক ফুটবল খেলতে থাকে। লামিন ইয়ামাল ও মার্কোস ইয়োরেন্তে দুই প্রান্ত দিয়ে চাপ তৈরি করছিলেন। তবে ধীরে ধীরে ম্যাচের নিয়ন্ত্রণ নেয় বার্সেলোনা। মিডফিল্ডে পেদ্রি ও ফ্রেঙ্কি ডি ইয়ং ছন্দময় ফুটবল খেলছিলেন, সঙ্গে ফেরমিন লোপেজও আক্রমণে ছিলেন কার্যকর।
প্রথমার্ধে লামিন ইয়ামালের পাস থেকে বল পেয়ে ফেরান তোরেস গোল করে বার্সাকে এগিয়ে নেন। অ্যাটলেটিকোর গোলরক্ষক হুয়ান মুসোকে পরাস্ত করে দলকে লিড এনে দেন তিনি। এরপর রাফিনহা একাধিক সুযোগ পেলেও তা কাজে লাগাতে পারেননি।
দ্বিতীয়ার্ধে অ্যাটলেটিকো মাদ্রিদ আক্রমণ বাড়ানোর জন্য বেশ কিছু পরিবর্তন আনে। গ্রিজমানের শট পোস্টের বাইরে চলে যায়, আর আলেক্সান্দার সরলথ সহজ সুযোগ হাতছাড়া করেন। বার্সেলোনা এরপর রক্ষণ সামলে খেলতে শুরু করে এবং প্রতিপক্ষকে গোলের সুযোগ দিতে চায়নি।
ম্যাচের শেষ মুহূর্তে সরলথ গোল করলেও অফসাইডের কারণে তা বাতিল হয়ে যায়। অ্যাটলেটিকো শেষ পর্যন্ত চেষ্টা করেও সমতা ফেরাতে পারেনি, বার্সেলোনা তাদের লিড ধরে রেখে জয় নিশ্চিত করে।