Risingbd:
2025-04-03@03:07:44 GMT

নিরাপদ খুলনা গড়তে ৯ চ্যালেঞ্জ

Published: 19th, January 2025 GMT

নিরাপদ খুলনা গড়তে ৯ চ্যালেঞ্জ

খুলনাকে নিরাপদ ও শান্তির শহর গড়তে নয়টি চ্যালেঞ্জ চিহ্নিত করেছে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ। সঙ্গে সঙ্গে এসব চ্যালেঞ্জ মোকাবেলা, পুলিশের মনোবল বৃদ্ধি এবং আইনশৃঙ্খলা রক্ষাসহ ১৭টি পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। একইভাবে পাঁচটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা নির্ধারণ করেছে নগরের নিরাপত্তায় নিয়োজিত এই আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী।

গেল ৫ আগস্ট পরবর্তী বিগত চার মাসের বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে এ চিত্র উপস্থাপন করেন পুলিশ কমিশনার মো.

জুলফিকার আলী হায়দার। উপস্থাপন করেন বিগত চার মাসের আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং পুলিশের তৎপরতার চিত্রও। এসব চিত্র তুলে ধরে রবিবার (১৯ জানুয়ারি) দুপুরে কেএমপি সদর দপ্তরে সংবাদ সম্মেলন করেন তিনি। 

পুলিশ কমিশনার বলেন, “গেল জুলাই-আগস্ট গণঅভ্যুত্থানের পর সারাদেশের ন্যায় খুলনা মহানগরীতেও পুলিশিং ব্যবস্থা প্রায় ভেঙে পড়ে। এই প্রেক্ষাপটে পুলিশিং ব্যবস্থাকে স্থিতিশীল ও কার্যকর করানোর লক্ষ্যে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ (কেএমপি) কর্তৃপক্ষ নানামুখী পদক্ষেপ নেয়।”

নিরাপদ শহর গঠনে তিনি নিম্নরূপ চ্যালেঞ্জ উল্লেখ করেন। যথাক্রমে পুলিশ সদস্যদের সক্রিয়তা ও পেশাদারিত্বে ঘাটতি, নাগরিকদের আইন মান্যতায় ঘাটতি, মহানগরীর বেশ কিছু রাস্তার বেহাল দশা, শহর জুড়ে ড্রেন নির্মাণ কার্যক্রমের কারণে রাস্তা কাটাকাটি ও ব্যবহারযোগ্য রাস্তা সরু হয়ে যাওয়া, ইন্ডাস্ট্রি কম থাকায় বেকার মানুষের সংখ্যা বৃদ্ধি, মাদকাসক্তি ও মাদকদ্রব্যের সহজলভ্যতা, মাদক কারবারি ও অবৈধ দখলদারিত্ব নিয়ে প্রভাব বিস্তারের চেষ্টা, সন্তান মানুষ করার বিষয়ে পিতামাতাদের গাফিলতি ও স্পোর্টস এবং অন্যান্য ইতিবাচক কর্মকাণ্ড কম থাকা। 

পুলিশ সদস্যদের মনোবল ও কর্মউদ্দীপনা বৃদ্ধির লক্ষ্যে গৃহীত বিভিন্ন পদক্ষেপসমূহ। যথাক্রমে থানা, ফাঁড়ি এবং ক্যাম্প ভিজিট করে পুলিশ সদস্যদের সাথে মতবিনিময়, পুলিশ সদস্যদের মধ্যে ক্রিকেট ও ব্যাডমিন্টন প্রতিযোগিতার আয়োজন, কেএমপি’র সকল ইউনিটে পিঠা উৎসবের আয়োজন, পুলিশ লাইন্সের পুকুর হতে মৎস্য আহরণ করে অর্ধেক মূল্যে পুলিশ সদস্যদের মধ্যে বিতরণ ও পেশাগত কাজে উৎকর্ষতা প্রদর্শনের জন্য নগদ অর্থ পুরস্কার ও সার্টিফিকেট প্রদান।

নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির উন্নয়ন ও অপরাধ নিয়ন্ত্রণে চলমান পদক্ষেপসমূহ উল্লেখ করেন পুলিশ কমিশনার জুলফিকার আলী হায়দার বলেন, “জনগণের সাথে পুলিশের সম্পৃক্ততা বাড়াতে থানা এলাকায় সকল শ্রেণি-পেশার মানুষের সাথে মতবিনিময়, ভোরবেলায় চুরি, ডাকাতি এবং ছিনতাই রোধকল্পে সকাল ৬টায় ট্রাফিক ডিউটি নিশ্চিত করা। ট্রাফিক ও ক্রাইম ডিভিশনের সমন্বয়ে যৌথ চেকপোস্ট কার্যক্রম, ক্রাইমের হটস্পটগুলোতে প্রতিদিন বিকাল থেকে শুরু করে রাত ১০টা পর্যন্ত রেইড। মাদক বিক্রেতা এবং মাদকসেবীদের গ্রেপ্তার, মহানগরীর তালিকাভুক্ত শীর্ষ সন্ত্রাসী এবং চাঁদাবাজদের অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করাকে অগ্রাধিকার দিতে হবে।” 

বিগত চার মাসে নগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতির চিত্র তুলে ধরে সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, ২০২৪ সালের সেপ্টেম্বর হতে ১৫ জানুয়ারি পর্যন্ত নানামুখী উদ্যোগ গ্রহণ করার ফলে খুলনা মহানগরীর আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি উন্নয়নের পাশাপাশি নগরীর পুলিশিং কার্যক্রম পুরোদমে অপারেশনাল কাজে ফাংশন করা শুরু হয়। 

এছাড়াও সংবাদ সম্মেলনে ‘নিরাপদ খুলনা’ বিনির্মাণে পাঁচটি ভবিষ্যৎ পরিকল্পনার কথা তুলে ধরেন পুলিশ কমিশনার। তিনি বলেন, নগরবাসীকে একটি নিরাপদ শহর উপহার দিতে খুলনা মেট্রোপলিটন পুলিশ যথাসাধ্য চেষ্টা করে যাচ্ছে। চলমান বিভিন্ন কার্যক্রমের বাইরে কেএমপি আরো কিছু পদক্ষেপ গ্রহণ করেছে।

এগুলো হলো- নগরবাসীর মধ্যে নিরাপত্তা-সচেতনতা বৃদ্ধির লক্ষ্যে একটি ‘অ্যাওয়ারনেস কার্ড’ তৈরি করা হয়েছে। কার্ডটি সকল শ্রেণির মানুষের মধ্যে বিতরণ করার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এগুলো বিতরণের সময় বিভিন্ন শ্রেণির নাগরিকের সাথে মতবিনিময় করা হবে। এই কার্ড নাগরিকদের সচেতনতা বাড়াবে। ফলে নাগরিকেরা নিজে থেকেই নিজের নিরাপত্তা নিশ্চিত করার ব্যাপারে সজাগ থাকবেন, অপরাধ নিয়ন্ত্রণে গোয়েন্দা তৎপরতা বৃদ্ধি, চিহ্নিত অপরাধী এবং অপরাধপ্রবণ এলাকাগুলোতে সার্ভিলেন্স বাড়ানো হচ্ছে। এ লক্ষ্যে বাসা-বাড়ি ও অফিসগুলোতে সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপনের জন্য নাগরিকদেরকে উৎসাহিত করা হবে, খুব শীঘ্রই খুলনা সিটি কর্পোরেশনের সহায়তায় নগরীর ইজিবাইক চালকদের প্রশিক্ষণ প্রদানের ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। 

কেএমপি কতটুকু সফল- এ প্রশ্ন রেখে পুলিশ কমিশনার বলেন, “পুলিশের সাফল্যের মাপকাঠি আইনশৃঙ্খলা ও নিরাপত্তা নিয়ে নাগরিকদের অনুভূতি বা ভাবনা। নিরাপত্তা বোধ বৃদ্ধি পেলে ধারণা করা যায় পুলিশ ভালো করছে। গত ৪ মাসে বেশ কয়েকটি বড় আকারের অনুষ্ঠান সাফল্যের সাথে অনুষ্ঠিত করা গেছে। যেমন- দুর্গাপূজা, ইজতেমা, ২৫ ডিসেম্বর, থার্টিফার্স্ট নাইট, কুয়েট ভর্তি পরীক্ষা, এমবিবিএস ভর্তি পরীক্ষা ইত্যাদি। পুলিশ কতোটুকু ভালো করতে পারছে সেব্যাপারে নাগরিকরাই সবচেয়ে ভালো মূল্যায়ন করতে পারবেন। তার চেয়েও বড় কথা পুলিশ ভালো কাজ করার চেষ্টা করছে কিনা। পুলিশের আচার আচরণ কেমন? সে আগের মতো মানুষকে হয়রানি বা নিপীড়ন করে কিনা? সে সেবা দিতে অযথা ঘুরায় কিনা? ঘুষ বা অনৈতিক কোনো কর্মকাণ্ডে লিপ্ত হয় কিনা? মামলা তদন্তে নিরপেক্ষ থাকে কিনা? পেশাগত দায়িত্ব পালনে নিষ্ঠাবান কিনা ইত্যাদি।”

তিনি বলেন, “পুলিশ যতোই চেষ্টা করুক জনসাধারণের সহযোগিতা ছাড়া আইনশৃঙ্খলার উন্নতি খুব বেশি উন্নতি করা সম্ভব নয়। পুলিশ একা চেষ্টা করে খুব বেশি দূর এগোতে পারবে না। জনগণের সহযোগিতা দরকার। যৌথভাবে একযোগে চেষ্টা চালিয়ে যাওয়া দরকার। নগরবাসীর মধ্যে আইন মান্যতার সংস্কৃতি গড়ে তোলা দরকার। কেএমপি আশা করে নগরবাসীর সহযোগিতা পেলে খুলনা মহানগরকে একটি নিরাপদ শহরে পরিণত করা সম্ভব হবে।”

ঢাকা/নুরুজ্জামান/ইমন

উৎস: Risingbd

কীওয়ার্ড: চ কর চ কর পর স থ ত পদক ষ প ন র পদ অপর ধ ক এমপ নগর র

এছাড়াও পড়ুন:

ফেব্রুয়ারির চেয়ে মার্চে ধর্ষণের সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি

চলতি মার্চ মাসে দেশে ধর্ষণের সংখ্যা গত ফেব্রুয়ারি মাসের চেয়ে দ্বিগুণের বেশি বেড়েছে। সেই সঙ্গে বেড়েছে ধর্ষণ ও হত্যা। মার্চ মাসে যৌন নিপীড়ন, ধর্ষণচেষ্টাসহ নারী নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে ৪২৮টি। আগের মাসে মোট নারী নির্যাতনের ঘটনার এ সংখ্যা অনেকটাই বেশি।

মানবাধিকার সংগঠন মানবাধিকার সংস্কৃতি ফাউন্ডেশনের (এমএসএফ) মার্চ মাসের মানবাধিকার প্রতিবেদনে এ চিত্র উঠে এসেছে। আজ সোমবার (৩১ মার্চ) এমএসএফ এ প্রতিবেদন দেয়। বিভিন্ন পত্রিকায় প্রকাশিত প্রতিবেদন এবং নিজস্ব অনুসন্ধানের ওপর ভিত্তি করে প্রতি মাসে মানবাধিকার প্রতিবেদন তৈরি করে প্রতিষ্ঠানটি।

এমএসএফের প্রতিবেদন অনুযায়ী, মার্চ মাসে ১৩২টি ধর্ষণের ঘটনা ঘটে। আর ফেব্রুয়ারি মাসে ধর্ষণের ঘটনা ঘটেছিল ৫৭টি। মার্চে দলবদ্ধ ধর্ষণ হয়েছিল ১৭টি, যেটি পরের মাসে বেড়ে দাঁড়ায় ২৫টিতে। ধর্ষণচেষ্টার ঘটনা ফেব্রুয়ারিতে ঘটেছিল ১৯টি আর এ ধরনের ঘটনা মার্চে ঘটে ৬১টি।

এমএসএফের প্রতিবেদনে বলা হয়, মার্চ মাসে শিশু ও নারী নির্যাতন বিশেষ করে ধর্ষণের ঘটনা ব্যাপকভাবে ঘটেছে । নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা রোধে দেশে যথেষ্ট কঠোর আইন থাকা সত্ত্বেও অপরাধ দমন ও নিয়ন্ত্রণে সংশ্লিষ্টদের কার্যকর ভূমিকার অভাব, বিচারহীনতা, বিচারের দীর্ঘসূত্রতা অপরাধীদের বেপরোয়া করে তুলেছে। আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নেতিবাচক দায়িত্ববোধ, ত্বরিত পদক্ষেপ নিতে অপারগতার ফলে নারী ও শিশুদের প্রতি সহিংসতা যে হারে বেড়ে চলেছে, তা জাতীয় জীবনে অন্যতম প্রধান উদ্বেগ হিসেবে দেখা দিয়েছে। ধর্ষণ বেড়ে অসহনীয় পর্যায়ে যাওয়ায় জনমনে নিরাপত্তাহীনতার আশঙ্কা বেড়েছে।

এমএসএফ বলছে, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর নিষ্ক্রিয়তা ও শিথিলতার সুযোগে ছিনতাই, চাঁদাবাজি, ডাকাতির মতো অপরাধের সংখ্যাও উদ্বেগজনকভাবে বেড়েছে। স্পষ্টতই এ ক্ষেত্রে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দায়িত্বশীলতা ও সংবেদনশীলতার পরিচয় দিতে ব্যর্থ হয়েছে।

মার্চ মাসে সংঘটিত মানবাধিকার লঙ্ঘনের ঘটনা পর্যালোচনায় দেখা যায়, পুলিশ হেফাজতে থাকা অবস্থায় ও পালানোর চেষ্টাকালে মৃত্যু এবং পুলিশি নির্যাতনের ঘটনা ঘটেছে। রাজনৈতিক অন্তর্দ্বন্দ্ব সহিংসতায় হতাহতের ঘটনা যেমন বেড়েই চলেছে, তেমন বেড়েছে দুষ্কৃতকারীদের মাধ্যমে রাজনৈতিক নেতা-কর্মীদের নিহত হওয়ার ঘটনা। বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের সময়ের আন্দোলনবিরোধীদের বিরুদ্ধে মামলা ও গ্রেপ্তার অব্যাহত রয়েছে। এ মাসে ঢালাওভাবে গ্রেপ্তার কমলেও তা এখনো উদ্বেগজনক।

রাজনৈতিক সহিংসতায় হতাহত

মার্চ মাসে রাজনৈতিক সহিংসতার ঘটনা বিশেষত রাজনৈতিক নেতাদের নিজদের মধ্যে আধিপত্য বিস্তারের দ্বন্দ্ব অনেক বেড়েছে। বিএনপিরর দলীয় কর্মীদের অন্তর্দ্বন্দ্ব বেড়ে যাওয়ায় হতাহতের ঘটনা ঘটেই চলেছে।

এমএসএফের তথ্য অনুযায়ী, মার্চে রাজনৈতিক সহিংসতার ৫২টি ঘটনায় সহিংসতার শিকার হয়েছেন ৪৫৯ জন। তাঁদের মধ্যে ১২ জন নিহত এবং ৪৪৭ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৩ জন গুলিবিদ্ধ অবস্থায় চিকিৎসাধীন রয়েছেন। নিহতদের মধ্যে ছয়জন বিএনপির, তিনজন আওয়ামী লীগের, এক পথচারী, এক বৃদ্ধ ও এক প্রবাসী রয়েছেন। রাজনৈতিক কর্মী না হয়েও বিএনপির দলীয় সংঘর্ষের মধ্যে পড়ে উল্লিখিত তিনজন নিহত হন।

সহিংসতার ৫২টি ঘটনার মধ্যে বিএনপির অন্তর্দ্বন্দ্বের ৩৯টি, বিএনপি-আওয়ামী লীগের সংঘর্ষের ৬টি, বিএনপি-জামায়াত সংঘর্ষের ৩টি, বিএনপি-জামায়াতে ইসলামী ঐক্যজোটের সংঘর্ষের ১টি, বিএনপি-এলডিপি সংঘর্ষের ১টি, বিএনপি–জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সংঘর্ষের ১টি, জাতীয় নাগরিক পার্টির অন্তর্দ্বন্দ্বের ১টি ঘটনা ঘটেছে।

এর পাশাপাশি দুষ্কৃতকারীদের রাজনৈতিক দলগুলোর নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার ৪টি ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় নিহত হয়েছেন দুজন এবং আহত হয়েছেন ছয়জন। এ ছাড়া এ মাসে দুজন রাজনৈতিক নেতার লাশ উদ্ধার করা হয়েছে।

এদের মধ্যে দুর্বৃত্তদের হাতে নিহত একজন বিএনপির ও একজন আওয়ামী লীগের এবং লাশ উদ্ধার হওয়া দুজন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত।

গণপিটুনি

মার্চ মাসে অন্তত ৩৯টি গণপিটুনির ঘটনা ঘটেছে, যেখানে ১৩ জন নিহত ও ৫৬ জন গুরুতরভাবে আহত হয়েছেন। ফেব্রুয়ারিতে গণপিটুনিতে নিহত হয়েছিলেন ৮ জন। গণপিটুনিতে নিহতের মধ্যে ৭ জন ডাকাত সন্দেহে, ২ জন সন্দেহজনক চুরির অভিযোগে, ১ জন রাজনৈতিক কারণে, ১ জন ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে, ১ জন অতিরিক্ত মদ্যপানের অভিযোগে এবং ১ জনকে ছিনতাইকারী সন্দেহে পিটিয়ে হত্যা করা হয়। অপরদিকে ১৯ জন ধর্ষণচেষ্টার অভিযোগে, ৪ জন যৌন হয়রানির অভিযোগে, ৪ জন ছিনতাইয়ের অভিযোগে, ১৪ জন ডাকাতির অভিযোগে এবং সন্দেহজনক চুরি, ছিনতাই এ ধরনের অপরাধজনিত কারণে ১৫ জনকে গণপিটুনি দিয়ে গুরুতর আহত করা হয়।

এমএসএফ প্রতিবেদনে বলা হয়, আইন অবজ্ঞা করে গণপিটুনি দিয়ে হত্যা করা অবশ্যই ফৌজদারি অপরাধ, যা বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড হিসেবেই গণ্য করা হয়ে থাকে। এ ছাড়া আইনকে নিজ হাতে তুলে নিয়ে নির্যাতন বা গণপিটুনির মতো ঘটনা ঘটিয়ে গুরুতর আহত করা অবশ্যই ফৌজদারি অপরাধ। এ ক্ষেত্রে গণপিটুনির সঙ্গে জড়িত অপরাধীদের চিহ্নিত করে তাঁদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর দায়িত্ব।

সম্পর্কিত নিবন্ধ

  • এ সরকারের আমলে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেনি, সম্ভাবনাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেনি, কোনো সম্ভাবনাও নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • দেশে জঙ্গিবাদের উত্থান ঘটেনি, কোনো সম্ভাবনা নেই: স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা
  • নরসিংদীতে ঈদের দিন ২ ভাইকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় মামলা
  • ফেব্রুয়ারির চেয়ে মার্চে ধর্ষণের সংখ্যা বেড়েছে দ্বিগুণের বেশি
  • দিনাজপুরের গোর-এ শহীদে ঈদের জামাত অনুষ্ঠিত
  • আইনশৃঙ্খলা বাহিনী আরও কঠোর হোক